ইউ মে হেইট দেম, বাট কান্ট আন্ডারএস্টিমেইট দেয়ার স্পিরিট!

১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরির লিজেন্ড পুসকাস ইনজুরি নিয়ে নেমেও দলকে জিতাতে পারেননি বিশ্বকাপ। প্রতিপক্ষ জার্মানি। ১৯৭৪ সালে ডাচ লিজেন্ড ইয়োহান ক্রুইফ প্রথমে গোল করেও দলকে জিতাতে পারেননি বিশ্বকাপ। প্রতিপক্ষ জার্মানি। ১৯৯০ সালে দশজনের আর্জেন্টিনা আনতে পারেনি ম্যারাডনার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। প্রতিপক্ষ জার্মানি। ২০১৪ সালে টানা চারবারের বর্ষসেরা লিওনেল মেসি দলকে এনে দিতে পারেননি বিশ্বকাপ। এবারেও প্রতিপক্ষ

স্পেনের বিপক্ষে কন্তের ফ্লেক্সিবল ডিফেন্সিভ টেকনিকঃ

তর্কযোগ্য ভাবে গতরাতে এই ইউরোর কোন দলের সেরা পারফর্মেন্স ছিল যেখানে আন্তনিও কন্তের ইতালি স্পেনকে অনেকটা একতরফা ভাবেই ২-০ গোলে হারিয়েছে। এই ইউরোতে ইতালির ডিফেন্সিভ টেকনিক এমনিতেই খুব ভালো ছিল। যার সেরা প্রতিফলন ছিল গতকালের ম্যাচ এ। দেখা যাক এ ম্যাচ এ স্পেনকে হারানর জন্য কন্তে ডিফেন্সিভ কৌশল গুলোর কোন

এবার চীনে হাল্ক

চাইনিজ সুপার লিগের ক্লাব সাংহাই এসএপিজিতে যোগ দিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা স্ট্রাইকার হাল্ক। সারাজীবন চেলসি, টটেনহ্যাম হটস্পার্সের মত ক্লাবের সাথে নাম জড়ালেও কখনই তথাকথিত শীর্ষ ইউরোপীয়ান লিগগুলোয় (প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, সিরি আ, বুন্দেসলিগা, লিগ ওয়ান) এ খেলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাননি হাল্ক। এফসি পোর্তোর হয়ে যখন খ্যাতির চূড়ায় উঠতে শুরু করেছেন,

সম্মান নিয়ে বিদায় হন দেল বস্ক

কোপা ফাইনাল হেরে মেসি অবসর নিয়ে নিল, ইংল্যান্ড টিম বাদ পরায় হজসন অবসর নিয়ে নিল। আর আমাদের দেল বস্ক ৫-১ এ হার, বিশ্বকাপে গ্রুপ থেকে বিদায়, ইউরোতে লজ্জাজনক বিদায় এসবের পরেও অবসর নেওয়ার কোন লক্ষণ দেখাচ্ছে না। সে বিশ্বকাপ আর ইউরো জয়ী কোচ, সম্মানটা সাথে নিয়ে বিদায় নিলে কি খুব

সে ত আছেই!

অথচ, পল্টি মাইরা স্পেনে গেলে আজ তার নামের পাশে দুইটা ইউরো আর বিশ্বকাপ থাকতো। 'দেশদ্রোহী' , 'বার্সেলোনার মেসি' এইসব তকমাও শুনা লাগতো না আর নিজের দেশের লোকজনের টিটকারি সহ্য করতে হইতো না। মাঝেমধ্যে মনে হয়, অতিরিক্ত দেশপ্রেম দেখাইতে গিয়াই পোলাডা ম্রা খাইলো। প্রতিটা ফাইনালে টাইনা নিয়া যাবে দলেরে, তারপরে তথাকথিত বিশ্বসেরা

মেসি কি আসলেও জাতীয় দলের পারফর্মার না!

এমন একজন ফুটবলার লিওনেল মেসি, যে দলেরই সমর্থক হোন না কেনো এই প্লেয়ারের উইথ বল মুভমেন্ট থেকে শুরু করে মাঠের বাইরের নম্র আচরণ প্রতিটা জিনিসই শুধু উপভোগ করবেন মন খুলে। এই একটা জিনিসই আমার নিজের কাছে যথেষ্ট মেসিকে বেস্ট ফুটবলার মনে করার জন্য। রাইভালরি বলতে যা বোঝায় ব্রাজিল সাপোর্টার হিসেবে তার ষোল

ফাইনাল আর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া !

এ যেন এক হলদে প্রেমের জীবন্ত কাব্য । গতরাতে আবারও ফাইনাল খেলেছে অজিরা । বলা বাহুল্য, শিরোপায় চুঁমুও তারাই দিয়েছে । বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনালে ম্যান ইন ইয়োলোদের প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক ওয়েস্ট ইণ্ডিজ । যাদের সাথে শেষ কোন ফাইনালে দেখা হয়েছিল সেই ২০০৬ সালে । যে বার কিনা

বড় হও!

এরপর ও অবুঝ ওয়ানাবি ফুটবল ওয়াচাররা কিছু শিখবেনা। দুইদিন পর আবার ও পেনাল্টি মিস করা নিয়ে বড় বড় বুলি ঝাড়বে অথবা বিশেষ কোন প্লেয়ার পেনাল্টিতে গোল করলে পচাবে ( জীবনে কোনদিন মাঠে খেলে দেখেছে? জীবনে কোনদিন পেনাল্টি মেরে দেখেছে? কোন ধারণা আছে হার্টবিট কেমন বেড়ে যায়? কোন ধারণা আছে কিপার/পেনাল্টি

ফুটবল এমনই বিচিত্র

স্বপ্নের অন্তিম রঙ্গমঞ্চের কারিগর তিনিই । তার হাত ধরেই হয়ত ২৮ বছরের দুঃখ ঘোঁচাতো আর্জেন্টিনা । কিন্তু জাদুকরী বাম পা টি এবার চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে বসলো । যে বাম পদে তিনি বিশ্ব শাসন করছেন, মুগ্ধ করছেন গোটা ফুটবল অঙ্গনকে । সেই পা-ই তাকে দিলো হারানোর তীব্র যন্ত্রণা । আরতুরো ভিদালের নেওয়া প্রথম পেনাল্টি আটকে

আসলে ভাগ্যে ছিল না

দুইদিন আগে প্লেয়ারটাকে জন্মদিনের উইশ জানালাম, মনে মনে চাচ্ছিলাম জন্মদিনের সেরা গিফটটা যাতে সে পায়। কিন্তু ভাগ্য লিখে রেখেছিল অন্য কিছু। সকালে খেলা হওয়ার কারণে কোপার একটা ম্যাচও দেখি নাই, আজকেও তার ব্যতিক্রম না। ঘুম থেকে উঠে ভাবছিলাম হোম পেজ ভর্তি মেসি ও আর্জেন্টিনার শিরোপা উল্লাস দেখব, তার বদলে দেখতে

ক্রিকেট কালচার

৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসবে ইংল্যান্ড। প্রথম ওয়ানডের আগে সময় পাবে ৭ দিন। টেস্ট সিরিজের আগেও আছে এরকম বেশ লম্বা গ্যাপ। ওয়ানডে সিরিজের আগে একটি, টেস্ট সিরিজের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ। আবহাওয়া-কন্ডিশন-পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে যতটা সম্ভব সুবিধা ইংল্যান্ড আদায় করে নিয়েছে। আমি নিশ্চিত, আরও প্রস্তুতি ম্যাচ তারা চেয়েছিল। দর কষাকষি

জয়টাই মুখ্য

গ্রেট দিয়েগো ম্যারাডোনা দু'দিন আগেই বলেছিলেন- "পর্তুগাল সত্যিই অনেক বেশি রোনালদো নির্ভর হয়ে যাচ্ছে ।" মন্তব্যটির যথার্থটা গতরাতের ক্রোয়েশিয়া ম্যাচেও বিদ্যমান ছিল । এক রোনালদোকে মার্ক করে গোটা পর্তুগালকেই রুখে দিয়েছিল ক্রোয়াট রক্ষণ প্রহরীরা । ওদিকে মদ্রিচ, রাকিটিচ, মানজুকিচদের ক্রোয়েশিয়াকেও নিজেদের ডি-বক্সে সুযোগ দেয়নি পেপে, কারভালহোরা । ফলাফল, ম্যাচটি ইউরোর ইতিহাসে প্রথম যার