স্যালুট তামিম!

মু্স্তাফিজের এমআরআই স্ক্যান করা হয়েছে...রেডিওলজিস্ট নিশ্চিত করেছেন, শরীরের ডান পাশে গ্রেড ১ স্ট্রেইন। ৪৮ ঘন্টা পূর্ণ বিশ্রামের পর রিহ্যাব শুরু হবে...মুস্তাফিজের জায়গায় তামিম ইকবালের ফেরাও অফিসিয়ালি নিশ্চিত করা হয়েছে... (ব্যাংকক যাওয়ার আগে বিডিনিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে তামিম বলেছিলেন, সন্তান হয়ে গেলে বড়জোর আর ২ দিন থেকেই দেশে ফিরবেন, বিশ্বকাপের জন্য প্র্যাকটিস

মুস্তাফিজ-সাকিব বন্দনা

“মুস্তাফিজ নিশ্চিত ভাবেই বাংলাদেশের সেরা বোলার। ওর বৈচিত্র অনেক, ওকে বোঝা মুশকিল। বিশেষ করে এই ধরণের উইকেটে, বল যেখানে গ্রিপ করে, ওর বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজ আরও কঠিন হয়ে যায়। ওর স্কিল লেভেল ব্রিলিয়ান্ট ব্রিলিয়ান্ট। বাংলাদেশের জন্য সে অসাধারণ এক আবিষ্কার।” .... প্রথমবার মুস্তাফিজ-দর্শনে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের উপলব্ধি... “সাকিবকে তো আসলে সবসময়ই মানুষই ভাবি।

তোমরা আমাদের ক্ষমা করো

বাসার টিভিটা আব্বু আম্মুর রুমে। বাংলাদেশের খেলার দিন আমরা দুই ভাই ছোট চাচা আয়োজন করে দখল করে বসি আব্বু আম্মুর বিছানাটা। দিনের বেলা খেলা হলে আম্মু বিরক্ত হন সিরিয়াল দেখায় ডিস্টার্ব হয় বলে। আর রাতের বেলায় খেলা হলে আমারই মায়া লাগে। আব্বু আম্মুর দুজনেরই চোখে মুখে ঘুম চলে আসে সারাদিনের

টানা দ্বিতীয় জয়ে স্বপ্ন দেখা

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে জয়ের মসৃণ পথে বেশ খসখস শব্দেই এগোচ্ছিলো লংকান সিংহরা । নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দলের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ দিনেশ চান্দিমাল । অপর প্রান্তে থাকা নতুন জয়াসুরিয়াকে সাথে নিয়ে বাউণ্ডারির পাশাপাশি প্রান্ত বদলেও রান চাকা সচল রাখছিলেন । তবে ভুলটা করেই বসলেন । ইনিংসের একাদশতম ওভারের শেষ বলে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে রিভার স্যুইপ করতে গিয়ে

হারলেও পাশে, জিতলেও পাশে

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ আর UAE এর বিপক্ষে ম্যাচের পর অনেক শুনলাম, সাকিব এখন আর খেলতে পারে না, ওকে বসিয়ে দেয়া উচিত, সাব্বির আর T20 প্লেয়ার নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আর আজকে সাব্বির হয়ে গেল জাতীয় ক্রাশ, আর সাকিব "ওরে বাপরে! ওর মত অল-রাউন্ডার আর একটাও তো নাই দুনিয়াতে!" এইসব ফালতু সাপোর্টার দেখতে

লংকাবধ হয়ে যাবে আজ

খুব সম্ভবত ২০০৭ সালে ক্রীড়ালোক নামে এক ক্রীড়া ম্যাগাজিনে একজন পাঠক প্রশ্ন করেছিলেন, 'ক্রিকেটে হার্ড হিটার কাকে বলে, বাংলাদেশের হার্ডহিটার কারা কারা' ? কর্তৃপক্ষ হার্ডহিটারের সজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি কৌতুক করে বলেছিলেন বাংলাদেশের সবাই হার্ডহিটার । উত্তরদাতার এহেন কৌতুকের ব্যাখা হলো বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের অতিরিক্ত শটস খেলার মানসিকতা । কৌতুকপূর্ণ উত্তরটা খারাপ ছিলনা

শুভকামনা টাইগারদের

গত এশিয়া কাপের ঠিক পূর্ব মুহুর্তের কিছু স্মৃতি মনে পড়ছে । নাহ, সুখস্মৃতি নয় । শ্রীলংকাকে সেবার দফায় দফায় বাগে পেয়েও লজ্জ্বাজনক পরাজয় মেনে নিতে হয়েছিল আমাদের । ওয়ানডে সিরিজ এমনকি টি-২০ সিরিজটাও জিতে যেতাম যদি ব্যাটসম্যানদের ঐতিহ্যবাহী দায়িত্বহীনতা বজায় না থাকতো । ব্যাটিং কলাপ্সের সাথে সেবার আরেকটি ভূত যোগ হয়েছিল, মিসফিল্ডের

সাব্বির ইউ বিউটি

সাব্বির ইউ বিউটি।। যাইহোক, মাহমুদুল্লাহর এই হিটিং এবিলিটি এন্ড টেম্পারটমেন্টের জন্যই টি-২০ তে আপাতত ওরে তামিমের জায়গায় ওপেনিং এ দেখতে চাই। শেষে কিছু বল খেলার চেয়ে শুরুতে বেশি বল খেললে টিমের জন্যই ভাল। আর টি-২০ তে হার্ডহিটাররা তো একটু উপরের দিকেই খেলে।

এরকম মুস্তাফিজই চাই

১৭ তম আর ১৯ তম ওভারে এই ধরণের প্রেশারকুকার কন্ডিশনে বল করে মুস্তাফিজ ১২ টা বলে মাত্র ১ টা বল দিছে স্লগ করার মত। সেটাও ১৯ তম ওভারের শেষ বলটা। দাসুন শানাকা এতটাই পাজেল্ড ছিলো যে ১৩৯ কিলোমিটারের বলটার ফুল অ্যাডভান্টেজও নিতে পারেনি। এইসব ম্যাচ জেতার জন্যে সাব্বির-সাকিব-তামিম থেকে একজন

সৌম্য আর আমি

সৌম্যর কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছে না বেশ কিছুদিন। যেসব বল ফ্লিক করে একটার পর একটা বাউন্ডারি মেরেছে অনায়াসে সেসব বল এখন মিস টাইমিং হয়ে মিড অফে ভেসে আসছে। লোকে বলে, আমার মুখ নাকি খানিক ওর মতন। একদিন রূপমও বললো! নিজের দুরবস্থা দেখে মায়া না হলেও ওর দূরবস্থা মানতে কষ্ট হচ্ছে। দূরবস্থা

চোখে ফাইনাল

চাইছিলাম সাকিবের কামব্যাকের ম্যাচ, সেইরকমই হল। ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিং এ অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স, হেটারদের পারফেক্ট রিপ্লাই। বলছিলাম ১৫০ রান জমা করলেই আমাদের বোলাররা বাকিটা দেখতেছে, বোলাররা দেখাই দিল। চোখে ফাইনাল, সেই ২০১২ সালের মত। জাস্ট ফলাফল বিপরীত হলেই চলবে।

জয় আসবেই

সাব্বির অসাধারণ, এরকম একটা ইনিংস বাংলাদেশকে লজ্জার হাত থেকে বাচায় দিল। ওর মত আর ২টা হিটার থাকলে টিটুয়েন্টি নিয়ে আফসোস থাকত না। সাকিব ডিড ওয়েল, কনফিডেন্স বাড়ানোর ইনিংস ছিল। নেক্সট ম্যাচেই ফর্মে ফিরবে আশা করি। মাহমুদৌল্লাহ চাইলে একজন আদর্শ টিটুয়েন্টি ব্যাটসম্যান হতে পারে, জাস্ট একটু কাজ করলেই হবে হাতে অনেক জোর। ১০টা রান