মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এর জন্মদিবসে শুভেচ্ছা!

রিয়াদের ক্যারিয়ার এবার সাদা পোশাকেও হোক রঙ্গিন!

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এর যেদিন অভিষেক হয় সেদিন খুব বৃষ্টি হইছিলো আমাদের নোয়াখালীতে; বহু কাদা অতিক্রম করে শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দেখি। আনকোরা এক অলরাউন্ডার রিয়াদ রেও দেখি সেদিন প্রথম।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভীত যে পঞ্চপাণ্ডবের উপর দাঁড়িয়ে তাদের মধ্য অন্যতম হলো মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ম্যাশ, সাকিব, তামিম, মুশি এরপরে রিয়াদ। আমি প্রচণ্ড আশাবাদী মানুষ তাই স্বপ্ন দেখি এই পাঁচের হাত ধরেই আরো বেশ ভালো কিছু অর্জন করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট।

রিয়াদের ক্যারিয়ারে অনেক উত্থান পতন হইছে। মুশির অধিনায়কত্বের সময়ে শুধুমাত্র বল করে অনেকদিন দলে ছিলেন। তখন লোকজন তথাকথিত ‘ভায়রাভাই’ কোটা বের করে। কিন্তু নিজের পারফর্ম দিয়ে আজ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ সবার ‘ভাই’! রিয়াদের অন্যতম প্রধান গুণ সম্ভবত দলের বিপদের সময়ে জ্বলে উঠা তা ব্যাট কিংবা বল হাতে হোক। দলের সবাই রান করতে ব্যর্থ রিয়াদ শেষে একটা বোলারের সাথে জুটি গড়ে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায় আমাদের। উইকেট পড়তেছে না অধিনায়ক ধারস্থ হবে রিয়াদের। আর রিয়াদের ব্যাটে শেষ চারে আমরা অনেকগুলো স্মরণীয় জয় পেয়েছি।

রিয়াদের নেতৃত্বগুণও গত কয়েক বিপিএলে লোকজনের নজর কেড়েছে! একদম ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলাতে সে ভালোই পারে। দেখা যাক ভবিষ্যৎে কিছু হয় কিনা। টেস্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে হয়তো সামনে ওয়ানডেতেও!

টেস্টে ৬৭ ইনিংসে ৩১ গড়ে ২০১৪ রান; ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রায় ৩৪ গড়ে তিন হাজারের উপর রান। টেস্টে ১ আর ওয়ানডেতে তিন শতক (৩টাই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে)। টেস্টে ৩৯ আর ওয়ানডে ৭০ উইকেট। মাঝারী মানের এক অলরাউন্ডার কিন্তু এসব দিয়ে একজন রিয়াদকে মাপতে নেই। সে তার কাজ করবে নিরবে নিভৃতে। তা আলোচনায় আসার দরকার নাই, সে আড়ালে থেকে জয়ের নিশান উড়াবে। সে আমাদের ‘নীরব ঘাতক’।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ারের দশ বছর হয়ে গেলো! হে প্রিয়, রিয়াদ এসব ছোটখাটো জয়ে আমিতা শুধু অল্প মজা পাই। আমার তো বড় কিছু চাই। একটা ওয়ানডে বিশ্বকাপ হলে বেশ জমে যাবে। দেন না এনে একটা বিশ্বকাপ; পারবেন তো? আমি প্রচণ্ড আশাবাদী পারবেন।

৩১ তম জন্মদিবসে শুভেচ্ছা রইলো মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ; ভাল থাকুন। আপাতত আজকের টেস্ট ম্যাচটা বাঁচান; আপনার নেতৃত্বের প্রথম ম্যাচ বলে কথা।

::: রিফাত এমিল :::

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

2 + twenty =