স্ট্রাইকার কই? কই স্ট্রাইকার?

একটা জিনিস বুঝি না। ছোটবেলায় ফুটবল খেলতে গেলে এমন কাউকে দেখতাম না যে কিনা স্বেচ্ছায় ডিফেন্ডার হইতে চায়। বড় হবার পরেও যে জিনিসটা অল্প হলেও প্রযোজ্য। অন্তত ৯০% ক্ষেত্রেই তাই, সবাই স্ট্রাইকার হবে। গোলকিপার-ডিফেন্ডার ত নাই-ই, নিদেনপক্ষে মিডফিল্ডার হলেও সমস্যা নাই।

সেটা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো’র মত পেটানো শরীরের কেউ হোক বা আমার মত ভুঁড়িয়াল ল্যান্দা ছাগল।

সবাই স্ট্রাইকার হবে। সবাই গোল দিবে। সবাই বাতিস্তুতা। সবাই রোনালদো।

স্ট্রাইকারের ‘উর্বরভূমি’ এই দেশে তাহলে জাতীয় টিমে খেলার মত স্ট্রাইকার এতদিনেও একটা দেখলাম না কেন বুঝি না। সুপারস্টার এমিলি থেকে শুরু করে এনামুল। রনি থেকে ওয়াহেদ। যেই লাউ সেই কদু।

কিছুই হবে না। দেশে আসার পর যথারীতি কোপটা মারুফুল হকের মত অসাধারণ একটা কোচের উপর পড়বে এই যা। যে দেশের ফেডারেশান এডসন সিলভা ডিডো বা নিদেনপক্ষে হালের লোডভিক ডে ক্রুইফের মত কোচের সাথে টাকা নিয়ে বুয়া-রিকশাওয়ালাদের মত ঝগড়ঝাটি করে যখন তখন ছাঁটাই করতে পারে সেখানে দেশী একটা কোচকে কোনরকমে ব্যর্থতার দায় দিয়ে বাদ দেওয়া তাঁদের জন্য কোন ব্যাপার হইতে পারে না।

তারে যদি বাদ দেওয়াই হয়, হোসে মরিনহোকে আনা উচিত। বেচারার দুই সপ্তাহ ধরে চাকরি নাই, পরিবারের লোকজন দুই সপ্তাহ ধরে কিছু খেতে পায়না তাঁর। বাংলাদেশে কোচিং করাক। ফেডারেশান না মরিনহো কে বেশী ঘাড়ত্যাড়া দেখা যাবে 😛

ছোটবেলায় সাফ জয়ের স্মৃতিটা খুব আনন্দের ছিল। আর সাফ জিতব বলে মনে হয় না।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

four + 15 =