শুভ জন্মদিন, মহারাজা!

চীনদেশে জন্ম নেওয়া ছোট্ট কন্যা ‘ফুটবল’ তার যৌবনে পাল তুলেছে দখিনা হাওয়ায়। দক্ষিণের ব্রাজিলে লাতিন সৌন্দর্যে বিধৌত ‘ফুটবল’ জন্ম দিয়েছে বহু ফুটবল শিল্পীর, বহু ফুটবল জাদুকরের। তবে এই ফুটবল যাদের ছোঁয়ায় রুপের নহর বইয়েছে তাদের শীর্ষতায় কৃষ্ণকায় এক যুবকের নিপূণ ছোঁয়ার রুপকথা চির অমরত্বের জয়গান গেয়ে যাচ্ছে আজ অব্দি। ক্ষুধা, দারিদ্র্যের দংশনে কুত্‍সিত বলে অবহেলিত ব্যক্তিটির অন্তদহন ছিলো নীলাভ।

নীল সেই বিষ তাকে নির্জীব করতে পেরেছিল কি? বরঞ্চ অবহেলা আর দারিদ্র্যকে মধ্যমা দেখিয়ে বিশুদ্ধ নীল আভা দিয়ে মণ্ডিত করেছিলেন ফুটবল নামক সাদামাটা তরুনীকে। অন্ধকার চেহারা দিয়েই জয় করেছিলেন বিশ্ব, ছড়িয়েছেন চোখ ধাঁধানো আলোর বিচ্ছুরণ। কালো জহরতের দুষ্প্রাপ্যতাই বলে দেয় এর দুর্মূল্যে । গত শতাব্দীর সেই লাতিন যুবকটিও সেটি জানান দিয়েছিলো। ফুটবল সৌন্দর্যের এই পিতার অর্জন আর মাঠের দৌড়ানোর মহত্ত্ব কি কলম কিংবা কী-বোর্ডে প্রকাশনা সম্ভব? অর্জন কিংবা মহত্ত্ব কথনে যাওয়ার দুঃসাহস তাই আত নাই বা দেখাই।

সাদামাটা এই মুকুট মুরুব্বী সম্রাটকে সাদামাটাভাবেই বলতে চাই- শুভ জন্মদিন ! শুভ জন্মদিন ফুটবল রাজ মহান পেলে ! আলো নাকি অন্ধকার জয় করে । আর কালো মানিক দেখিয়েছে কালোতেই কিভাবে বশ্যতা আসে আলোতে । এডসন আরেন্তেস দো নসিমেন্তো!

দীর্ঘায়ূ হোন আপনি। আপনার যে আলোয় ফুটবলের সৌন্দর্য্য গালিচা এত মসৃণ সেটি চলুক যুগান্তর আর শতাব্দীর ধারাবাহিকতায়।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

2 × three =