শুভ জন্মদিন এল জেফেসিতো!

সতীর্থদের সাথে কখনো গোল উদযাপনে সে যায়না, কারণ সে মুহূর্তে এর থেকে বড় দায়িত্ব থাকে তার- কোচের কাছ থেকে ট্যাকটিকাল দিকনির্দেশনা বুঝে আসার।

সেন্ট্রাল ডিফেন্সিভ মিডের প্লেয়ার হয়েও সে প্রতিনিয়ত খেলে যায় সেন্টার ব্যাকে- কারণ দলের সেন্টার ব্যাকদের পাসিং দক্ষতাও হতে হয় মিডফিল্ডার লেভেলের।

গোল নিশ্চিত জানার পরে যখন সবাই হাল ছেড়ে দেয়, তখন সামনে, পিছনে,ডানে, বাঁয়ে যেকোন স্থান থেকে স্লাইড করে সে- কারণ সে জানে তার স্লাইড ৯০% নিখুঁত।

উচ্চতায় খাটো হয়েও সে লাস্ট ম্যান হিসেবে খেলে যায় সেন্টার ব্যাকে কারণ সে জানে তার মত লাস্ট ডিচ ডিফেন্স খুব কম ডিফেন্ডারই করতে পারে।

দলের সব প্লেয়ার গোল দিতে উদ্যত হলেও সে ঐ চেষ্টায় বেশিদূর যায়না- কারণ, সে সামনে গেলে ডিফেন্সে তার অনবদ্য স্থান পূরণ করার লোক খুব কমই আছে।

দলের ক্যাপ্টেন না হয়েও দলকে অনুপ্রেরণা যোগাতে সে-ই হয় প্রথম জন – কারণ ফুটবলে তার মতো ক্যারেক্টার খুব বেশি নেই।

তার একটি অনবদ্য রেকর্ড আছে, যেটা হয়তো জীবিত থাকবে আরো বেশ কয়েক বছর- টানা দুই অল্পিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়।

শুভ জন্মদিন এল জেফেসিতো—খুদে নেতা!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

2 + eighteen =