শচীন খুঁজতে হবে!

ক্রিকেট নিয়ে আবার চিন্তাভাবনার সময় । সময়টাও ভালো । ক্রিকেটের অনেক অনেক গল্প মুখে । টি২০ বিশ্বকাপ-টি২০ এশিয়া কাপসহ আরো অনেক কিছু ।

ফার্স্ট টপিক আশরাফুল আর মাশরাফি । যথারীতি আমাদের দেশের রেডিওমুন্না জেনারেশনের ছেলেগুলো একটা করে পোস্ট লিখে ফেলেছে এই টপিক নিয়ে । এই ধরনের পোস্টের প্রধান উদ্দেশ্য একটাই ।
খেলোয়াড়দের যত ভ্যারিফাইড পেইজ আছে , তাতে গিয়ে কমেন্টে একই জিনিস কমেন্ট করে কপিপেস্ট করে সব জায়গায় লেঁদিয়ে আসা।

এই ধরনের পোস্টগুলো মূলত এভাবে শুরু হয়, “হে মাশরাফি! যে আশরাফুল তোমাকে সব সময় আপন সম্মুন্ধির মত দেখত, তার সাথে তুমি এটা কীভাবে করলে ?”

এই ইস্যুতে আমার মতামত হলো, যে যার দিক থেকে তার তার ডিউটি একদম ভালোভাবে পালন করেছে । যেই লোক বইটা লিখবে তার ডিউটি হলো, এমন শব্দ পিক করে করে প্রশ্ন করা যেটাতে আসলে উত্তরদাতা কনফিউজড হয়ে যায় এবং মানুষ আলাদা কিছু বোধ করে বই কিনে কিনে বইয়ের কাটতি বাড়িয়ে দেয় ।

“সামনে ভালো করতে চাই…
ক্যারিয়ারকে সোনা দিয়ে মুড়িয়ে দিতে চাই “- এই টাইপের কথা তো সব বইতেই লেখা থাকে ।

এখানটাতে মাশরাফির কুটনৈতিক উত্তর দেওয়ার জায়গা ছিলো না । আর আশরাফুলের ব্যাপারে আমার মতামত হলো, আমাদের ক্রিকেট যখন এতোটা দূরে এসে গেছে , আমাদেরকেও এখন থেকে চিন্তাভাবনাতে একটু বড় হতে হবে ।

আশরাফুলকে আমরা তার ২০০৭ এর বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ইনিংস আর কার্ডিফের হান্ড্রেড দিয়েই মনে রাখি । তার অবদান ততোটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকুক , যতোগুলো রান সে করেছে । তার অবদান তার সেঞ্চুরিগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকুক ।

সে আমাদের ক্রিকেটের প্রডিজি ছিলো, সম্ভাবনার ফুল (পেপারওয়ালাদের কাছ থেকে ধার করা শব্দ) ছিলো, এটা করতে পারত, ওটা করতে পারত , এগুলো যাতে ক্রিকেটের অংশ না হয়ে যায় ।

বড় হতে হলে শচীন খুঁজতে হবে ,
বিনোদ কাম্বলি নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

twelve − 11 =