লিজেন্ডস অভ বার্সেলোনাঃ ডেকো

আপনি যদি রোনালদিনহো দ্য গাউচুর বিশ্ব জয় দেখে বিমোহিত হয়ে থাকেন অথবা লিটল ম্যাজিশিয়ান লিওনেল মেসির জন্ম মুহূর্তের স্বাক্ষী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি ডেকোর নাম শুনে থাকবেন।

সংগ্রহীত
চ্যাম্পিয়ন্স লীগ টাইটেল হাতে ডেকো

 

এন্ডারসন লুইস ডি সুজা ডেকো।

যদিও ডেকো ব্রাজিলে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন (সাও বেরনারদো, ২৭-০৮-১৯৭৭) বার্সায় আসার আগে ডেকো একজন পুর্তগীজ ফুটবলার হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিল। বার্সায় তার কোচ ফ্রাঙ্ক রাইকার্‌ড তার সম্পর্কে বলেছিল, ডেকো হল তার ১ম একাদশের ব্যারোমিটার!

২০০৪-০৫ সিজনে বার্সা ম্যানেজার ফ্রাঙ্ক রাইকার্‌ড যে কয়টা গুরুত্বপূর্ণ সাইনিং করেছিল তার মধ্যে ডেকো ছিলেন সেকেন্ড সাইনিং এবং অন্ততম গুরুত্বপূর্ণ সাইনিং। পোর্‌তোর এই মিডফিল্ডার বার্সায় এসেছিল পোর্‌ত সাথে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ সহ সবকিছু জয় করার পর। এমন কি ডেকো ছিলেন ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের বেস্ট প্লেয়ার। ডেকোকে কেনা হয়েছিল বার্সার মিডফিল্ডের অন্যতম ২ জন কী প্লেয়ার- এডগার ডেভিস এবং ফিলিপ কোকু এর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে।

জয়ের জন্য তার আকাঙ্ক্ষা, ট্যাক্টিকাল ইফিসিয়েন্সি এবং টিম স্পিরিট খুব শিগ্রই তাকে বার্সার ইতিহাসের অন্যতম সেরা দল যে দল পরপর ২ বার লা লীগা এবং একবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতেছে সেই দলের অন্যতম নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। ডেকো প্রমাণ করেছিলেন যে তিনি ছিলেন কমিটমেন্ট এবং কঠোর পরিশ্রমের সাথে অসাধারণ টেকনিক্যাল স্কিলের মিশেলে একজন পরিপূর্ণ ফুটবলার যা শুধু ব্রাজিলিয়ানদের মাঝেই দেখা যায়। তিনি এসিস্টে যেমন অপ্রতিরোদ্ধ ছিলেন তেমন বল ক্রিয়েট করতে পারতেন, গোল করতে পারতেন এবং প্রয়োজনের সময় টেকটিক্যাল ফাউলও করতেও পারদর্শী ছিলেন।

ডেকো বার্সায় খেলেন ৪ সিজন। ৪ সিজনে শিরোপা জিতেন ৭ টা! ২০০৭-০৮ সিজনের শেষের দিকে ডেকোকে চেলসিতে ট্র্যান্সফার করা হয়।

বার্সায় ডেকোর ক্যারিয়ার-

লা লীগাঃ ২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬

সুপার কোপা ডি এস্পানাঃ ২০০৫, ২০০৬

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগঃ ২০০৬

(এত ভালো লেখা আমি লিখতে পারি না। এটা FCBarcelona.com থেকে নেয়া হয়েছে। আমি শুধু বাংলায় ট্রান্সলেট করেছি।)

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

ten + 7 =