লজ্জা দিল আইরিশরাও

ম্যাচ শুরুর আগের খেলায় হেরে গেলেন মাশরাফি । টসভাগ্যটা হাসল আইরিশ ক্যাপ্টেন নিল ও ব্রায়ানের দিকেই । ব্যাট করতে পাঠালেন বাংলাদেশকে ।ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্যে যতটা না ছিল প্রস্তুতির, তার চাইতেও বেশি ভগ্নদশার ব্যাটিং অর্ডারের স্থিতি খুঁজে পাওয়ার । প্রস্তুতি ব্যাটিংটা আগে পাওয়াতে তাই খুব বেশি অসন্তুষ্ট হবার কথা নয় টীম বাংলাদেশের ।

কিন্তু না ! আগের দিন পাকিস্তানের সাথে তবু বাংলাদেশের প্রাপ্তি ছিলো তামিম আর রিয়াদের স্বস্তি ছড়ানো ইনিংস । তামিম-রিয়াদের বড় জুটি । কিন্তু আজকের বিপর্যয়ের শুরুটা সেই তামিম ইকবালকে দিয়েই । ম্যাচের বয়স ৫ ওভার পেরোনোর আগে পিছনে ক্যাচের মাধ্যমে তামিমকে দিয়ে যে মড়কের শুরু , তা থামে নি কখনোই । কখনো ২০ রান , কখনো ৩০ রানের ব্যবধানে একের পর এক উইকেট পড়েছে বাংলাদেশের । উইকেটের পতনগুলো হয় ১২, ৩০, ৮৮, ১০৪, ১১০, ১৫৪, ১৫৮, ১৭৭, ১৮২, ১৮৯ । শুধুমাত্র উইকেট পতনের জায়গাগুলো দেখলেই বোঝা যায় , জুটিটা কখনোই পায় নি বাংলাদেশ । সর্বোচ্চ ৫৮ রানের জুটিটা দুই তরুণ আনামুল আর সৌম্য সরকারের । দলীয় সেরা ৪৫ রানের ইনিংসটাও সৌম্য সরকারের । ভাল শুরু পেয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেন নি মুশি , সাব্বির আর আনামুল ।

ফল ? ১০ বল আগেই ১৮৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ ।

১৯০ রানের টার্গেট এর ম্যাচেও সাময়িক উত্তেজনা আসে ৬৪ রানের মাঝে আইরিশদের মূল তিন ব্যাটসম্যান পোর্টারফিল্ড , স্টার্লিং আর ও ব্রায়েন আউট হয়ে গেলে । তবে সাবেক ইংলিশ খেলোয়াড় এড জয়েসের ৪৭ আর এন্ড্রু ব্যালবিরনির হার না মানা ৬৩ রানে প্রায় ৪ ওভার আর ৪ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ করে আইরিশরা ।

প্রস্তুতি ম্যাচে ৪টির চারটিতেই হার টাইগারদের । তবু অপেক্ষা মূলপর্বের জন্যে ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

twenty − eight =