রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে মার্সেলোর তিনশ

বয়স মাত্র ২৬ হলেও আজকের ম্যাচের মাধ্যমে রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তিদের খাতায় নাম লেখাতে যাচ্ছেন ব্রাজিল কাম রিয়াল মাদ্রিদ লেফট-ব্যাক মার্সেলো ভিয়েরা। রিয়াল মাদ্রিদ – যেখানে প্রতি মৌসুমেই খেলোয়াড় আসা-যাওয়ার মিছিল চলতে থাকে, সেখানে মার্সেলো যেন উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম। সেই ১৮ বছর বয়স থেকে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলছেন এবং এখনও নিয়মিত খেলছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তাঁর আগে এই পজিশনে সবচেয়ে বেশী খেলার রেকর্ড আছে আর মাত্র দুইজন বিদেশি খেলোয়াড়ের। একজন হলেন জার্মানির উলি স্টাইলাইক; আর আরেকজন হলেন তারই স্বদেশী রবার্তো কার্লোস।

ব্রাজিলের জার্সিতে মার্সেলো
ব্রাজিলের জার্সিতে মার্সেলো

আজকের ম্যাচের মাধ্যমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৩০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে মার্সেলোর। আরেকভাবে দেখলে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৭ মৌসুম কাটানো হয়ে যাবে এই ব্রাজিলিয়ান লেফট-ব্যাকের। আর এই সময়ের মধ্যে ক্লাবে তিনি তাঁর জায়গাটা এমন জায়গায় নিয়ে গেছেন যে দলে লেফট-ব্যাকের কথা উঠলে প্রথমেই তাঁর নামটি চলে আসে। মাঝে মধ্যে ইঞ্জুরি আর বিশ্রাম ছাড়া প্রায় নিয়মিতই খেলেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। আর আজকের ট্রিপল সেঞ্চুরি হয়ে গেলে তাঁর উপরে থাকবেন কেবল তাঁর থেকে ৬ ম্যাচ বেশী খেলা স্টাইলাইক। তবে সবার উপরে থাকা রবার্তো কার্লোসকে পিছনে ফেলতে হলে তাঁকে খেলতে হবে আরও ২২৮ টি ম্যাচ। সেটা তিনি পারবেন কিনা তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না তবে তাঁর বয়স যেহেতু কম সেহেতু অসম্ভব নয় মোটেও।

রিয়ালের হয়ে ছুটছেন মার্সেলো
রিয়ালের হয়ে ছুটছেন মার্সেলো

ব্রাজিলের জার্সিতে মার্সেলো

আর এই সপ্তাহেই সেভিয়ার সাথে আরেকটি ম্যাচ আছে যেটি খেললে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তাঁর ৩০১ তম ম্যাচ খেলা হয়ে যাবে। তবে এই ম্যাচে তাঁকে কিছুটা সতর্ক থাকতে হবে। কারন লা লিগায় শেষ ম্যাচে ইতোমধ্যে একটি হলুদ কার্ড দেখেছেন তিনি। সুতরাং সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে হলুদ কার্ড পেলে নিশ্চিতভাবেই তিনি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ডার্বি মিস করবেন। আর তা বোধকরি কোন রিয়াল মাদ্রিদ ফ্যান ভুলেও কল্পনা করতে চাইবে না।

 

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

sixteen + ten =