রিকি পন্টিং : নেতৃত্বের শেষকথা যিনি

ক্রিকেট দলীয় খেলা হলেও আমরা সবাই জানি একজন অধিনায়কের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। একটা গড়পড়তা দলকেও বড় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া শুধু তাদের পক্ষেই সম্ভব। সর্বকালের সেরা অধিনায়কের কথা বললে নাম আসবে ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব, ইমরান খান,অর্জুনা রানাতুঙ্গা, স্টিভ ওয়াহ, সৌরভ গাঙ্গুলি, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, মহেন্দ্র সিং ধোনি, মাহেলা জয়াবর্ধনে, স্টিফেন ফ্লেমিং, গ্রায়েম স্মিথ অথবা হ্যান্সি ক্রোনিয়ের নাম। কিন্তু সবাইকে কোনো না কোনো পর্যায়ে ছাড়িয় গেছেন এক অস্ট্রেলিয়ান। হ্যাঁ, তিনি আর কেউ নন, রিকি থমাস পন্টিং।

পন্টিং কে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আর কেন পন্টিং সর্বকালের সেরা অধিনায়ক সেটি নিয়েও বলার কিছু নেই। অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য পর্যায়ে। ১৯৭৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর তাসমানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন রিকি “পান্টার” পন্টিং। ১৯৯২ সালে তাসমানিয়ার হয়ে অভিষেক। ৯৫ এ শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক, অভিষেকেই করে ফেলেছিলেন সেঞ্চুরি, কিন্তু মাত্র ৪ রানের আক্ষেপে সেটা হয়নি। ওয়ানডে অভিষেক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঐ বছরের ফেব্রুয়ারিতে। অধিনায়ক হিসেবে পন্টিং যেখানে সবার আলাদা – অধিনায়ক হিসেবে ১০০ টেস্ট জিতেছেন, যা অন্য কোনো অধিনায়ক পারেননি। ২৬ টি টানা ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছেন বিশ্বকাপে। অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ(২৩০) খেলার রেকর্ডও তার দখলে। সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে রানও (৮৪৯৭) তার। অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ(২৯) খেলেছেন। চ্যাম্পিয়ান্স ট্রফিতেও অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে (১৯) ম্যাচ খেলার রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন টানা তিন বিশ্বকাপ, জিতেছেন টানা দুটি বিশ্বকাপ। পন্টিং এর নেতৃত্বাধীন টিম অস্ট্রেলিয়া ছিল এক কথায় অদম্য। ব্যাটসম্যান হিসেবেও তিনি সর্বকালের অন্যতম সেরা।  শুভ জন্মদিন পান্টার।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

3 × one =