রাহুলের ব্যর্থতা

এই রকম দূরূহ উইকেটেও অসাধারণ খেলছিলেন লোকেশ রাহুল। কিন্তু আউট হলেন ভীষণ বাজে ভাবে। স্টিভেন ও’ কিফ এসেছেন নতুন স্পেলে, দ্বিতীয় বলেই বেরিয়ে এসে তেড়েফুড়ে মারতে গিয়ে আউট…

দলের ১০৫ রানের মধ্যে রাহুলই ৬৪, একাই দলের প্রায় ৬১ শতাংশ রান। তার পরও কমেন্ট্রি বক্সে সমানে রাহুলের প্রবল সমালোচনা করে গেলেন মাইকেল ক্লার্ক। সেট ব্যাটসম্যানের এভাবে উইকেট বিলিয়ে আসা এমনিতেই অপরাধের পর্যায়ে পড়ে…এরকম উইকেটে সেই অপরাধের মাত্র বেড়ে যায় আরও বেশি… এখানে সেট হওয়াই কঠিন, যে সেট হয়ে যাবে, তাকেই টেনে নিতে হবে… ক্লার্কের কথা পরিস্কার, রাহুল ওভাবে আউট না হলে হয়ত এই ধস নামত না…

যদিও আমাদের জন্য হিসাবটা ভিন্ন। ধরুন, ভারতের ইনিংসটা বাংলাদেশের, এভাবে ৬৪ করে উইকেট উপহার দিয়ে এসেছে আমাদের কোনো ব্যাটসম্যান, কমেন্ট্রি বক্সে একটু পরপরই তুমুল সমালোচনা করে যাচ্ছেন ক্লার্ক রা, তাহলে আমরা কি করতাম? ওই ক্লার্কদের মাথা-মুন্ডু চিবিয়ে খেতাম। বলতাম যে ‘কেরানি” ব্যাটা বেশি বোঝে। বলতাম যে ,”আরে ব্যাটা, সে তো একাই দলের অর্ধেকের বেশি রান করেছে, আর কত করবে? বাকিরা কি মুড়ি খায়? বাকিদের কাজ নেই? দায়িত্ব নেই?”

ক্রিকেট খেলাটাই এরকম, সবাই সবদিন ভালে করে না। কেউ কেউ করে। ওই “কেউ কেউ” দেরই পার্থক্য গড়ে দিতে হয়… ভালো খেলাটাকে খুব ভালোতে নিয়ে যেতে হয়, তাহলে দলের ভালো হয়। আর নিজের ভালোটা যদি খুব ভালোতে না যায়, তাহলে দলেরও ভালো হয় না!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

thirteen − five =