ম্যাচ সাম আপ

 

সাকিবের ক্যাচ মিস খেলা ডুবাইসে তা সকলেই বুঝতেসি। তবুও অন্য ফেক্টর গুলাও তো ঠিক করতে হবে।
শুরুতে ভাল বল করে বোলাররা কেন শেষ পর্যন্ত পারফরমেন্স ধরে রাখতে পারল না? এক ক্যাচ মিসে যদি বোলাররা হাল ছেড়ে দেয় তাহলে ওইটা কে বলতে হবে ইমমেচিউরিটি। অন্য দলের কি ক্যাচ মিস হয় না? ক্যাচ মিসের পর পরপর ২ টা বাজে শর্ট বল দিয়ে রোহিত শর্মার কনফিডেন্স লেভেল বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তাসকিন কে কিছু দোষ দেওয়া যেতেই পারে।
ব্যাটিং এ বাংলাদেশের ১৫০+ রান করার মেন্টাল স্ট্রেংথ এক কথায় নাই। তাদের বডি লেংগুয়েজ তা বলে না; একমাত্র সাব্বির ছাড়া। ওভারে ৪/৫ রান রেট ওয়ানডে তে ভাল হলেও টি-২০ তে ভাল নয় যেখানে তা কাভার দেওয়ার মত হার্ড হিটার নাই। টি-২০ খেলতে গেলে শুরু থেকেই ভাল করতে হবে। পরবর্তীতে রান পুষিয়ে নেওয়ার জন্য বল হাতে থাকে খুবই কম। উইকেট হাতে রেখে সম্মানসূচক রান করাটা মূল লক্ষ হলে ম্যাচ জেতা সম্ভব না।
শুরুতে ইরেগুলার ব্যাটসম্যান দিয়ে বল এবং উইকেট দুইটাই খুইয়ে মুশফিক মাহমুদুল্লাহ কে দিয়ে ৩০ বলে ৮০ করানোর চাওয়াটা বড্ড বেমানান; যেখানে আমাদের সেট হইতে দশ বল লাগে। আগে উঠলে হয়ত তারা বল গুলোকে কেপিটালাইজড করতে পারত।
সোহান কে দিয়ে পুরো জিম্বাবুয়ে সিরিজ খেলানো হল কিন্তু আজ দলে ঢুকল মিঠুন, তাও আবার ওপেনিং এ। ওপেনিং সমস্যা যখন সলভড তখন ইমরুল কে রাখার মানে কি? তার বদলে থাকতে পারত নাসির। তার বোলিং, ব্যাটিং, ফিল্ডিং সবগুলোই ই কাজে আসত।
আমার মতে ইমরুল, মিঠুন দুইজনকে বাদ দিয়ে সোহান, নাসির কে দলে ঢুকানো উচিত। সোহান কে রিয়াদের পসিশনে রেখে রিয়াদকে দিয়ে ওপেন করানো হোক। এতে রিয়াদও তার সামর্থ অনুযায়ী খেলতে পারবে আর সোহান খারাপ খেললেও বটম অর্ডারই খারাপ করবে যা সবসময়ই হয়ে আসছে। তাছাড়া মুশফিকের কিপিং এর ভারটাও কমে যাবে এবং সাকিব-মুশফিক এক ধাপ করে উপরে খেলতে পারবে। আর নিচে নাসির ও সোহান কাভার দিবে।
ইদানিং সৌম্য আর সাকিব খুব বেশিই হতাশ করছে। আমাদের হার্ড হিটার ৩ জন ; তামিম, সৌম্য আর সাব্বির। এর মধ্যে তামিম আর সৌম্যের কোন গ্যারেন্টি নাই। তাহলে ১ জন কে নিয়ে টি-২০ তে কতদূর যাওয়া যায়?
যাইহোক, ভুলগুলো শুধরে নিয়ে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে আমরা ভাল করব , ইনশাআল্লাহ্।
‪#‎riseofthetigers‬

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

one × 5 =