মোসাদ্দেক ও মাহমুদুলে আশা

ওরা দুজন আফ্রিকা সফরের বাংলাদেশ ‘এ দলে থাকবে, জানতাম। আছেনও। দুজনকে নিয়েই আমি বেশ রোমাঞ্চিত…

মোসাদ্দেককে নিয়ে গতকালই বড় করে লিখেছি। নতুন করে লিখছি না। বাচ্চা ছেলে। ক্যারিয়ারের মাত্র শুরু। ওর জন্য এটি হবে শিক্ষা সফর। নিখাদ শেখার সফর…

মাহমুদুল হাসান লিমনের জন্য শিক্ষা সফর তো বটেই, তার থেকেও একটু বেশি। নিজের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার সফর। মাহমুদুলকে নিয়ে আশা একটু বেশিই। আমাদের দেশে হুটহাট একেকজনের ডেব্যু হয়ে যায়। কিন্তু মাহমুদুলের ক্যারিয়ার এগিয়েছে যেভাবে হওয়া উচিত, সেভাবেই। ধাপে ধাপে এগিয়ে চলা…

২০০৮ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের খেলেছেন, ২০১০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ছিলেন অধিনায়ক। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটের দলে জায়গা পাওয়ার লড়াই। নিজেকে গড়ে তোলা, শাণিত করা, পরিণত হয়ে ওঠা। প্রিমিয়ার লিগে, ফার্স্ট ক্লাস দলে জায়গা পাকা করার লড়াই। আস্তে আস্তে জায়গা পাকা করা এবং পারফরম্যান্সে ক্রমোন্নতির ছাপ রাখা। গত ২ বছরে ঘরোয়া ক্রিকেটে সবচেয়ে উন্নতি করা কজন ক্রিকেটারের তালিকা করলে, শুরুর দিকেই রাখব মাহমুদুলকে। ব্যাটিংয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, অফ স্পিনটাও আরও ধারালো হয়েছে। ফিল্ডিং ভালো। সম্প্রতি এইচপি ইউনিটে ছিল, ফিটনেসও এধন দারুণ। এখন বয়স ২৪, ‘এ’ দলে খেলার আদর্শ সময়…!

জিস্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন দলের সবার জন্যই কঠিন হবে। মাহমুদুলের জন্য তো বটেই। কন্ডিশন কঠিন বলেই ভালো পারফরম্যান্স করতে পারলে দাবীটাও জোরালো হয়…

‘এ’ দলের সফরে মোসাদ্দেক শিখুক, শিখুক এবং আরও শিখুক। মাহমুদল শিখুক, শিখুক এবং ভালো করুক…এই কামনা!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

3 + 14 =