মাদ্রিদের আরেকটি জয়মাল্য

সদ্য টিনএজ পর্ব পার হওয়া মার্কো এসেন্সিও মুগ্ধতা ছড়ালো । ম্যাচের ২১ মিনিটেই ঘরে ফেরা এই তরুন তুর্কির দুরপাল্লার নান্দনিক গোলে রিয়াল মাদ্রিদের লীড । এরপর বিরতির আগে সেভিয়ার ফেরা ও ৭১ মিনিটে স্পট কিক থেকে লীড নেওয়া ।
সময় গড়ালো আপন নিয়মে । পাল্লা দিয়ে শিরোপা স্বপ্ন ধূসর থেকে ধূসরতর হতে লাগলো সাদা শিবিরে । এডিশনাল টাইম ধার্য চার মিনিট ।
৯৩তম মিনিটেই ঘটলো অভূতপূর্ব দৃশ্যের মঞ্চায়ণ । ৯৩তম মিনিটটি একান্তই এল গ্ল্যাডিয়েটরের ।
লিসবনের স্মৃতি ফিরে এলো নরওয়েতে সেই রামোসের প্রাণ ফেরানো হেডে ।
দেড় মিনিটের দুরত্বে থেকে শেষ থেকে ফিরে আসা । আবার নতুন করে শুরু শিরোপা স্বপ্ন বুনন ।
লিসবনের স্মৃতি স্বরণ করিয়ে সার্জিও রামোসের আবার সেই হেডিংয়ে সমতাসূচক গোল ।
লিসবনে গোদিনদের স্তদ্ধ অবয়ব তখন রামিদের চোখে মুখে । পরাজয়ের একদম কিনারা থেকে ফিরলো জিদান শিষ্যরা ।
গোলটাই দিলো অনুপ্রেরণা ।
সেভিয়াকে আর দাঁড়াতেই দিলোনা ইউরোপ শ্রেষ্ঠরা ।
১০৩ মিনিটে রামোস আবারও মাথা দিয়ে বল জালে জড়ালে অদ্ভুত ভাঁড়ামিতে রেফারিতে তা বাতিল করলেন হ্যাণ্ডবলের অজুহাতে । মাঝখানে মদ্রিচ-ভ্যাসকেজরা সুযোগ ছাড়লেও শ্রেষ্ঠত্ব বিচারের মিমাংসা এলো রক্ষণভাগ থেকেই । ৪০ গজ দুর থেকে থাবা দিয়ে বল কেড়ে নিয়ে কার্ভাহালের হেলেদুলানো দৌড় । নায়ক বনতে সুযোগটা তাকে প্রকৃতিই দিলো । অনিন্দ্য সুন্দর ফিনিশিংয়ে শেষ হাসি লস ব্ল্যান্কোস শিবিরে । শ্রেষ্ঠত্বের কান অব্দি ছড়ানো হাসি কোচ জিনেদিন জিদানের ওষ্ঠেও ।
ফুটবলের জুলিয়াস সিজার যেন এই জিদান । এলেন এবং মিলান-নরওয়ে জয় করলেন । দলের সেরা তারকাসহ নিয়মিত চারজনের অনুপস্থিতি আর বাধা হয়ে দাঁড়ালো কই !
আক্রমণভাগের অভাবটা পুষিয়ে আরেকটি ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের স্বর্ণমাল্য শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ ক্লাবটির গলায় । রিয়াল মাদ্রিদ হ্যাভ ডান ইট !
সার্জিও রামোসের হয়ে শোধটা স্বদেশী সতীর্থ কার্ভাই নিলো । ড্যানি কার্ভাহালের একক নৈপূণ্যর গোলে ইউরোপ শ্রেষ্ঠদের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটও রিয়াল মাদ্রিদের হাতে ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

1 × two =