বুমেরাং!

জ্যো বার্টন কে মনে আছে? ঐ যে ম্যানচেস্টার সিটি, নিউক্যাসল ইউনাইটেড আর কুইন্স পার্ক রেইঞ্জার্সের সাবেক ইংলিশ সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার? না মনে থাকার কথা না। ভদ্রলোক যতটা না নিজের খেলার জন্য বিখ্যাত তার থেকে বেশী বিখ্যাত মাঠে ও মাঠের বাইরের বিভিন্ন ‘কীর্তি’ এর জন্য। ২০০৪ সালে ম্যানচেস্টার সিটি বনাম ডনক্যাস্টার রোভার্সের মধ্যকার ম্যাচে ডনক্যাস্টারের এক খেলোয়াড়ের টুঁটি চেপে ধরেছিলেন, ফলে নিস্তরং “ফ্রেন্ডলি” ম্যাচও হয়ে পড়েছিল এক যুদ্ধ। ২০০৪ সালের ক্রিসমাস পার্টিতে ম্যানচেস্টার সিটির যুব প্রকল্পের খেলোয়াড় জেমি ট্যান্ডির চোখের পাতা পুড়িয়ে দিয়েছিলেন সিগার দিয়ে, ফলে বেচারা খেলোয়াড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত ভালোভাবে কোনকিছু দেখতে পারেননি। ২০০৫ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় এক পথচারীর পা ভেঙ্গে দেওয়া, এক বাচ্চা এভারটন সমর্থককে মার দেওয়া, ট্যাক্সি ড্রাইভারের সাথে ঝগড়াঝাটি মারামারি করা, সতীর্থ ঔসমানে দাবো কে মেরে বেহুঁশ করে ফেলা, তৎকালীন আর্সেনাল উইঙ্গার জার্ভিনিওর সাথে মাঠে ঝগড়া করা – তাঁর কীর্তির তালিকা করা শুরু করলে শেষ করা যাবেনা।

এ ত গেল মাঠের কীর্তি, টুইটারেও মাঠের মতই ‘সরব’ বার্টন। টুইটারে যে তাকে ‘ফলো’ করে, দৈনন্দিন জীবনে তার বিনোদনের কোন অভাব হয়না সাধারণত। এই যেমন গত বছর, এক সমর্থকের টুইটের রিপ্লাইয়ে বার্টন লিখে বসলেন, “আমরা জঘন্য হতে পারি, আমরা ওভাররেইটেড হতে পারি, কিন্তু আর যাই হোক না কেন আমাদের ভাই বার্নলিতে বাস করতে হয়না!”

CNchME1XAAA5Eba

এক বছর পর এই টুইটটাই বুমেরাং হয়ে এল বার্টনের জীবনে। কুইন্স পার্ক রেইঞ্জার্স থেকে কালকে বার্টন যে যোগ দিয়েছেন বার্নলিতে! বার্নলি সমর্থকদের মন জয় করতে পারবেন ত এবার বার্টন?

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

one × 3 =