বিদায় ব্রাজিল-দাদু !

সেই ১৯৯০ থেকে পথচলা ব্রাসিলের সাথে এই লোকটির..!
.
১৯৯০ এ হার, তাও পাশে ছিলো
১৯৯৪ বিশ্বকাপে, তাও ছিলো
১৯৯৮ এর ফাইনালে লজ্জাজনক হার, পাশেই ছিলো
২০০২ বিশ্বকাপ, সেখানেও ছিলো
২০০৬-১৩, ছিলোই
১৪ তে ৭ গোলের দিনেও ছিলো..!
.
এই ২৪ বছরে ব্রাসিলের প্রায় সব প্রতিযোগীতামুলক ম্যাচে স্টেডিয়ামে ক্যামরেবন্ধী হয়েছেন ব্রাসিলের এই ৬০ বছর বয়সী সাপোর্টার..!
.
ব্রাসিলের দুইটা বিশ্বকাপ, কোপা ৩টা, চারটা কনফেডা জিতার একদম সামনা সামনি স্বাক্ষি এই বুড়ো দাদু। কখনো হেসেছেন, কখনো কেঁদেছেন..
.
আর আজকে আমাদের মত সেলেসাও সাপোর্টারদের কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে এই ক্ষনজন্মা সাপোর্টার..!
.
ফুটবল খেলার রাজা যদি পেলে হয়, সাপোর্টারদের রাজা উনি..

ফুটবল খেলার জাদুকর যদি রোনালদিনহো হয়, তাহলে সাপোর্টারদের মহা জাদুকর তিনি..

কাকা যদি ফুটবলের রাজপুত্র হয়, তাহলে আপনিই ত সেলেসাও সাপোর্টারদের রাজপুত্র..

ফুটবল খেলার সকল রেকর্ডের উচ্চতায় যদি মেসি থাকে, তাহলে আপনিও সকল সাপোর্টারদের উর্ধ্বে..
.
ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আজ মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো ৬০ বছর। ১৮ বিশ্বকাপ টা তিনি ওপারেই দেখবেন, কিন্তু ক্যামেরায় বন্ধী হবেন না কোনভাবে..!
.
কিন্তু আমাদের মনের অন্তরে উনি ঠিকই ক্যাপচারড্ হয়ে আছেন..! শিখার আছে তার কাছে অনেক কিছু। কিভাবে দলকে সময়-অসময়ে সাপোর্ট করতে হয়।
.
স্যার, আপনি ভালো থাকবেন কিন্তু। আপনার পরম আত্মাকে আমরা দেখবো স্টেডিয়ামেই বসে থাকা সকল সেলেসাও সাপোর্টারদের মধ্যে সেই নকল ট্রফিটিকে দু হাতে জড়িয়ে থাকা অবস্থায়..
আমি গর্বিত আপনি ব্রাসিলের সাপোর্টার..

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

twenty + eight =