বাকিটা ভবিষ্যতের হাতে তোলা থাকুক…

ভবিষ্যতের খবর জানি না । কিন্তু যুক্তি ছাড়া আমার মনের কোন এক কোণায় একটা কথা থেকেই যায় । মেহেদী মিরাজ দিন যত যাবে , ফুলটাইম ব্যাটসম্যান হয়ে যাবে । বোলিংটা আস্তে আস্তে ছেড়ে দেবে মিরাজ । একদিনের ক্রিকেটে অনেক বড় কিছুর আভাস দিয়ে গেলো । আর ব্যাটিং অর্ডারের যে কোন জায়গায় নেমে ভালো গেইম রিড করতে পারে । রান চেজিং করার সময় মিডল অর্ডারে এমন ম্যাচুরিটি ন্যাশনাল টীমের মিডল অর্ডারেও অনেকে দেখাতে পারে না । আমার এমন ভাবার একটা কারণ হতে পারে , কারণে-অকারণে এই আন্ডার নাইন্টিন বিশ্বকাপে দলের বোলিং অনেক কম দেখেছি । ব্যাটিংটা দেখেছি বেশি । দুইদিকেই খেলতে পারে । আনামুলের মত লিমিটেড না ।
আরেকজনের কথা আলাদা করে বলতে হবে । তার নাম সাইফ উদ্দিন ।বাংলাদেশ মনে হয় এমন কারো আশায় অনেকদিন ছিলো । খুব ভালো লিমিটেড ওভার এলিমেন্ট আছে এর মধ্যে । সময়ের সাথে পিঞ্চ হিটিং এবিলিটিটা শাণিয়ে নিতে পারলে তার সাথে এখনকার ডিসিপ্লিনড বোলিংটা যোগ করলে সাইফুদ্দিন অনেক দিন সার্ভিস দিতে পারার কথা দলকে । এই বয়সেই স্লগে এত ভালো বোলিং আশাবাদী করে তোলে ।
নাজমুল শান্ত পজিটিভ । এইজ লেভেলে অনেক ভালো ব্যাটসম্যানের ইনিংসের শুরুগুলো একটু Shaky হয়েছে আগেও । নিজের ইনিংসের শুরুগুলো আরো আত্মবিশ্বাস নিয়ে করতে পারলে শান্তও টু ডাউনে অনেক ভালো পাইপ লাইনার হবার কথা ।
এইজ লেভেলের কোন স্পিনার নিয়ে আশাবাদী নিরাশাবাদী হওয়া বোকামি । কারণ আমার কাছে ক্রিকেটের এই একটা জায়গা যেখানে মানুষ ক্যারিয়ারের শেষ দিন পর্যন্ত শিখে । শেষ দিন পর্যন্ত নিজেকে নতুনভাবে ডিফাইন করে সাফল্য পায় । স্পিনারদের ব্যাসিক জিনিসগুলো রপ্ত করা যেমন সহজ, সেখান থেকে গ্রেট হতে হলে আলাদা কিছু রপ্ত করা ততটাই কঠিন ।
বাকিটা ভবিষ্যতের হাতে তোলা থাকুক ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

10 + 15 =