‘বাংলাওয়াশ’ শব্দে আপত্তি

গত ২৫ জুন মাশরাফির কিছু কথা নিয়ে একটা নিউজ করেছিলাম বিডিনিউজে। ‘বাংলাওয়াশ’ নিয়ে অতি মাতামাতি দেখে আক্ষেপ, বিরক্তি, ক্ষোভের কথা বলেছিলেন মাশরাফি। বলেছিলেন, ‘কথায় কথায় বাংলাওয়াশ-বাংলাওয়াশ করা ঠিক নয়।’

লেখার জন্য আনুষ্ঠানিক কথার বাইরেও ছিল কিছু কথা। ‘বাংলাওয়াশ’ শব্দটিতেই তাঁর প্রবল আপত্তি। নিজে কখনো হামবড় ভাব দেখান না, এসব তাঁর পছন্দও নয়। তাঁর মতে, ‘বাংলাওয়াশ’ শব্দটিতে মিশে আছে নিজেকে নিয়ে বড়াই করার একটা ভাব, আছে প্রতিপক্ষকে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছ্বিল্য, অপমান। আমরা কি তবে বছরের পর বছর ধরে ‘ইংলিশওয়াশ, পাকওয়াশ, ভারতওয়াশ, অজিওয়াশ, প্রোটিয়াওয়াশ, কিউইওয়াশ, ক্যারিবিয়ানওয়াশ, লঙ্কাওয়াশ,’ এমনকি ‘জিম্বাওয়াশ’ হয়ে আসছি? খুবই সত্যি ও যৌক্তিক দাবী।

আজকে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফিকে প্রশ্ন করেছিলাম, ‘সব সিরিজে হোয়াইটওয়াশের প্রত্যাশা বাড়বাড়ি, কিন্তু এই সিরিজে তো প্রত্যাশিতই?’ হাসতে হাসতে মাশরাফি বললেন, ‘হোয়াইটওয়াশ শব্দটি ব্যবহার করার জন্য ধন্যবাদ, নট বাংলাওয়াশ!’

অনেকে বলতে পারেন, ‘হোয়াইটওয়াশ’ শব্দটিও আপত্তিকর। সেটা হতে পারে। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি খাকতে পারে। কিন্তু এটা এখন ক্রিকেটের পরিভাষা। বহুল প্রচলিত ক্রিকেটিং টার্ম, সবাই জানে এটার মানে এবং ওজন কতটুকু। কিন্তু ‘বাংলাওয়াশ’ আসলেই খুব হামবড়া ও সস্তা শব্দ…

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

5 × four =