বাঁহাতিদের সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ

আইপিএলের হাটে হুট করেই ৯ লাখ ডলার দাম উঠে যায় ‘কোথাকার কোন’ ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানের, আনকোরা ক্রিস মরিস পেয়ে যায় ৬ লাখ ২৫ হাজার ডলার, রিকি পন্টিংকে একটা স্পেলে কাঁপিয়ে দিয়ে মিলিয়ন ডলার ম্যান হয়ে যান ইশান্ত শর্মা (এবং হারিয়ে যান)…এইবারও মরিস পেয়েছেন ৭ কোচি রুপি, ভিত্তিমূল্যের চেয়ে ১৪ গুণ বেশি। ১৪ গুণ বেশি পেয়েছেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েটও। আবার তুমুল ফর্মে থাকা গাপটিল-ফিঞ্চরা দল পাননি, তাদের পেছনে ফেলে দেন গড়পড়তা মানের এক ব্যাটসম্যান, কিন্তু আইপিএলে পরীক্ষিত ডোয়াইন স্মিথ…
এইরকমই হয়। কোনো ক্রিকেটারকে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টার্গেট করলেই তিনি জ্যাকপট পেয়ে যান। একজন অলরাউন্ডার বা পেসার–কোনো দলের নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণের মরিয়া প্রচেষ্টায় ভাগ্য খুলে যায় অনেক ক্রিকেটারের। দেশি একজন ম্যাচ উইনারকে পাওয়ার চেষ্টায় যেমন ২০১১ সালে ২১ লাখ ডলারের জ্যাকপট পেয়ে গিয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান! আজকেই ৪ কোটি ২০ লাখ পেল দীপক হুদা, যার নামই হয়ত শোনেননি অনেকে! সাড়ে ৮ কোটি রূপি পেলেন পাওয়ান নেগি! আর নাথু সিং? আমি নিজেও আজকের আগে তার নাম জানতাম না। পেয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ! আবার যোগ্য হয়েও অনেকে দল পান না। তিনি যে ভুমিকা রাখতে পারেন একটা দলে, সব দল্ই হয়ত ওই ভূমিকা পূরণের জন্য বিকল্প কাউকে আগেই নিয়ে ফেলেছে! নিলাম ভাগ্যে নামটি আগে ওঠা, পরে ওঠার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। এজেন্টদের ভূমিকা তো আছেই..
মুস্তাফিজ আরও বেশি অর্থ পাওয়ার যোগ্য অবশ্যই, আবার একেবারেই দল নাও পেতে পারতেন! আইপিএল নিলামের নিসাব-নিকাশে সবই সম্ভব। টাকার অঙ্ক নিয়ে ম্যাৎকার না করাই শ্রেয়। মুস্তাফিজ নিজেই বলছেন, খেলার সুযোগ পেয়েই তিনি খুশি…
যাই হোক, মুস্তাফিজের সঙ্গে একই দলে ট্রেন্ট বোল্ট, আশিস নেহরা, বারিন্দর স্রান…সব বাঁহাতি পেসার! সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্নার, এউইন মর্গ্যান, শিখর ধাওয়ান, যুবরাজ সিং…মোটামুটি বাঁহাতি একাদশ সাজিয়ে ফেলতে পারে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

five × 1 =