বস্তি থেকে উঠে আসা এক হারামখোর

২০১১ সালের বিশ্বকাপে এই মিরপুরে বাংলাদেশের সাথে ম্যাচে কোহলী ডিপ মিড অন থেকে একটা ক্যাচ ধরছিল। কার ক্যাচ মনে নাই। ক্যাচটা ধরে যার ধরছিল তাকে “মাদারচোদ” বলে গালি দিছিল।

সেই দিন থেকে কোহলীকে যেখানে যেভাবে সুযোগ পাইছি গাইল্লাইছি। এই গালি গালাজ ভবিষ্যতেও চলবে। কোহলী বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান হোক আর যাই হোক আমার কাছে সে বস্তি থেকে উঠে আসা পিউর বানচোদ একটা। আর এই জিনিস পৃথিবীর কোন কিছু পাল্টাতে পারবে না।

এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য করা দরকার যে কোহলীর সেটাই শেষ মাদারচোদগিরি না। এরপরও সে খেলার মাঠে ও মাঠের বাইরে নানা কাহিনী করেছে। উদাহরণ হিসেবে আমাদের রুবেলের সাথের কাহিনীর কথাই বলতে পারি।

এতগুলা কথা বললাম কারণ কিছু কিছু চুলকানিওয়ালা লোকের গুপ্ত জায়গায় খুব ব্যথা হচ্ছে। কেন আমরা কোহলীকে গালি দিচ্ছি? আমি জানি না তারা খেলার সময় কোথায় থাকে বা কি করে। মনোযোগ দিয়ে খেলা দেখলে নিজে থেকেই বুঝার কথা কেন কোহলীকে গালি দিচ্ছি। তাও যখন তারা চোখ থেকেও অন্ধ হয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে কারণ গুলো দেখিয়ে দেয়ার প্রয়োজনবোধ করছি।

তবে শোনেন, সাকিব আল হাসান আউট হওয়ার পর বস্তির ছেলে ভিরাট কোহলি গ্যালারির দর্শকদের দিকে হাত দিয়ে প্যাঁক প্যাঁক করে ‘চ্যাটারড গেসচার’ করে যেটা ছিল খেলার মাঠে অশোভন ও কুরুচিপূর্ণ। উল্লেখ্য এই গেসচার ভিরাট কুলি এর আগে স্মিথের মত প্লেয়ারকেও করেছিল। তার ঝুলিতে আছে গ্যালারির দিকে মিডল ফিঙ্গার দেখানোর রেকর্ডও।

এর ঠিক পর পরই মিড অনে মাশরাফির ক্যাচ ধরার পর খুব বাজে রকম অঙ্গ ভঙ্গি করে ক্রিকেটের এই কুলাঙ্গার। যা ছিল সরাসরি মাশরাফিকে অসম্মান করা।

হতে পারে ভিরাট কোহলি ম্যাচ জিতিয়েছে। কিন্তু তার মানে এই না যে সে এসবের জন্য মাপ পেয়ে যাবে।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

eleven − eight =