ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ : মাথায় রাখবেন যেসব কৌশলগুলো

ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ : মাথায় রাখবেন যেসব কৌশলগুলো

চলে এসেছে ক্লাব ফুটবলের নতুন মৌসুম। আর নতুন মৌসুম মানেই নতুন ভাবে ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ খেলার উন্মাদনা! ১০০ মিলিয়ন বাজেটের মধ্যে নিজের পছন্দসই ১৫ জনের স্কোয়াড বানিয়ে পুরো মৌসুম পয়েন্ট পেতে ফুটবলপ্রেমী অনেকেরই ভালো লাগে! কিন্তু এই খেলারও বেশ কিছু কৌশল আছে, যেগুলো অনুসরণ করলে আপনারা বেশী বেশী পয়েন্ট পেতে পারবেন! কি সেই কৌশলগুলো? আসুন দেখে নেওয়া যাক!

নতুন সিজনের ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ এর জন্য Team building strategies-

প্রিমিয়ার লীগের প্রথম ম্যাচের আর বাকী মাত্র ১২ দিন, সেই সাথে পুরো দমে চলছে ট্রান্সফার উইন্ডো। কিন্তু ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ বা FPL আগেভাগেই চলে আসায়, পুরনো-নতুন সব ফ্যান্টাসি প্লেয়ারদের মধ্যেই চলছে দারুণ উন্মাদনা। কাকে রেখে কাকে নেবে, কে ভালো হবে, কে রেগুলার স্টার্টার, কার ফিক্সচার ভালো- এসব নিয়ে আলোচনার আর শেষ নেই!
কিন্তু এসব আলোচনা বাদ দিয়ে যখন ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ এ টিম বানাতে যাই, পড়তে হয় মধুর সমস্যায়। যাদেরকে নিয়ে গতবার সাধ্যের মধ্যের বাজেটে টিম গড়েছিলাম, তারা সবাই এবার আকাশ ছুঁই ছুঁই দামের প্লেয়ার। একজনকে নিতে গেলে, আরেকজনকে বাদের তালিকায় রাখতে হয়। যে কারণে মনের মধ্যেও চলে টানাপোড়েন।
তাই গত ৩-৪ দিনে টিম বানাতে যেয়ে নিজের অভিজ্ঞতা আর নেটের অলিগলি ঘুরে যেসব স্ট্রাটেজি পেলাম, সেগুলোই একটু শেয়ার করতে চাচ্ছি সবার সাথে।

গোলকীপার-

আপনি যদি ডি গিয়া, অ্যালিসন এডারসন কিংবা কোর্তোয়াকে আপনার টিমে রাখতেই চান, তবে বাকী কিপারকে নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। চোখ বন্ধ করে ৪ এর কোন কিপারকে নিয়ে পুরো সিজন বেঞ্চড রাখতে পারেন। কেননা, গোলকিপার আর ডিফেন্স হচ্ছে টাকা বাঁচানোর জায়গা, যেটা পরে আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে মিডফিল্ডে এবং ফরোয়ার্ডে। তবে এদের মধ্যে ডি গিয়ার দাম ৬, যদিও তার ওয়ার্ল্ডকাপ পারফরম্যান্সের জন্যে যেটা অনেকের কাছেই বাড়তি মনে হতে পারে। কিন্তু লীগের ব্যাপারটা সম্পূর্ণই আলাদা, মরিনহোর ডিফেন্সিভ স্ট্রাটেজির ফুটবলে ডি গিয়ার ক্লিনশিট রাখার সম্ভাবনা খুবই বেশী।

আর আপনি যদি কিপার রোটেশন করে খেলাতে চান, তাহলে আমার সাজেশন মিডটেবিল টিমগুলো থেকে দুইজনকে নেন, যাদের দাম ৪.৫ – ৫.০ এর মধ্যে। তবে এক্ষেত্রে দুইজনেরই ফিক্সাচার চেক করে নেবেন। যেমন- আপনি যদি ফুলহ্যাম এবং ওয়েস্ট হ্যাম থেকে নেন, সেক্ষেত্রে গেমউইক ৬তে, ফুলহ্যামের খেলা ওয়াটফোর্ডের সাথে হোম ম্যাচ আর ওয়েস্ট হ্যামের খেলা চেলসির সাথে হোম ম্যাচ। আপনি খুব সহজেই গেমউইক ৬তে ওয়েস্ট হ্যামের কিপার না খেলিয়ে, ফুলহ্যাম থেকে খেলাতে পারবেন।
অর্থাৎ কঠিন ফিক্সচারগুলোতে আপনার বেঞ্চের গোলকিপারকে রোটেট করে যেন খেলাতে পারেন, এই কারণেই ফিক্সচার এনালাইসিস করতে হবে।
এমন ফিক্সচার রোটেট করে খেলাতে পারেন যেসব টিমের মধ্যে, সেগুলোর একটা তালিকা করে দিচ্ছি।

ফুলহ্যাম-ওয়েস্ট হ্যাম, ওয়াটফোর্ড-ওয়েস্ট হ্যাম, বর্নমাউথ-ক্রিস্টাল প্যালেস, কার্ডিফ-ওয়াটফোর্ড।

চাইলে আপনি নিজেও এনালাইসিস করে এমন রোটেট করার মত দু’টো টিম খুঁজে পেতে পারেন।

৪.৫ দামের মধ্যে যাদের নিতে পারেন- ওয়েস্ট হ্যামের ফ্যাবিয়ানস্কি (যদিও আদ্রিয়ান থাকায় আমি কিছুটা অনিশ্চিত), সাউদাম্পটনের ফস্টার/ম্যাকার্থি, বর্নমাউথের বেগোভিচ, ক্রিস্টাল প্যালেসের গুইয়াটা/হেনেসি কিংবা অন্য যেকেউ যার ফিক্সচাের কারণে আপনার অন্য গোলকীপারের সাথে রোটেট করে খেলাতে পারবেন।
৫.০ দামে নিতে পারেন- এভারটনের পিকফোর্ড (শুরুর দিকে খুবই লোভনীয় ফিক্সচার), আর্সেনালের লেনো/পিটার চেক, বার্নলির নিক পোপ/হিটন (যদিও দু’জনেই বর্তমানে ইঞ্জুরড)।

ডিফেন্স-

প্রথমেই বলে রাখি- যে দুই দলের গোলকিপার নিয়েছেন, চেষ্টা করবেন সেই দুই দল থেকে ডিফেন্ডার না নেয়ার (যদি না খুব স্পেশাল কেউ হয়), এবং একই দলের দুইজন ডিফেন্ডারও না নেয়ার। যারা নতুন শুরু করছেন, তাদের জন্যেই মূলত এই কথাটি বলা।

ডিফেন্স লাইনে চেষ্টা করুন একজন প্রিমিয়াম ডিফেন্ডারকে রাখার, যে অবশ্যই সিজনের সবগুলো ম্যাচ খেলার মত যোগ্যতা রাখে। বাজেট রাখুন সর্বনিম্ন ৫.৫।
এক্ষেত্রে আপনি বিবেচনায় রাখতে পারেন- ম্যান সিটির ওটামেন্দি, লিভারপুলের ভ্যান ডাইক, আর্সেনালের বেলারিন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভ্যালেন্সিয়া/ইয়ং (ভ্যালেনসিয়া শুরুতে ইঞ্জুরড যদিও), টটেনহামের ট্রিপার কিংবা আপনার বিবেচনায় যে অগ্রাধিকার পায়।

প্রিমিয়াম ডিফেন্ডারের পর চেষ্টা করুন সিওর স্টার্টার এবং তার টিম বেশ ভালোই ক্লিনশিট রাখে, এমন দুইজনকে নেয়ার।
ও হ্যাঁ! এক্ষেত্রে দাম অবশ্যই যেন ৫.০ – ৫.৫ এর রেঞ্জের বাইরে না যায়। আপনি খেয়াল রাখতে পারেন- ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বেইলির দিকে, কেননা ইউনাইটেডের শুরুর ফিক্সচারগুলো দারুণ এবং সিওরলি স্টার্ট করবে ধরা যায়। তাছাড়া ওদের অন্য ডিফেন্ডারদের তুলনায় সে সস্তা।
খেয়াল রাখতে পারেন এভারটনের কারো দিকে, কারণ তাদের শুরুর ফিক্সচারগুলো দারুণ।
অথবা খেয়াল রাখতে পারেন- সাউদাম্পটন, ক্রিস্টাল প্যালেসের ডিফেন্ডারদের দিকে।

বাকী দুইজন ডিফেন্ডার নির্বাচনের জন্য গোলকীপারের মত রোটেশন থিওরি অবলম্বন করুন। এবং এদের দাম কোনভাবেই যেন ৪.৫ এর বেশী না হয়। একজনের কঠিন ফিক্সচারে যেন আরেকজনকে খেলাতে পারেন- এমন বিবেচনা করেই নেবেন।
এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে পারেন- বার্নলি, বর্নমাউথ, নিউক্যাসল,
ব্রাইটন, হাডার্সফিল্ড বা ওয়াটফোর্ডের মত লোয়ার মিড-টেবিল দলগুলোর দিকে।
ফিক্সচার অনুযায়ী যেই দলগুলোর ডিফেন্ডারদের রোটেট করে খেলাতে পারেন, এমন কিছু দলের সাজেশন ওপরে দেওয়া আছে সেখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

ডিফেন্স নিয়ে কথা শেষ করার আগে আরেকটা ছোট্ট উপদেশ দিই- চেষ্টা করুন সেন্টার ব্যাকদের এভয়েড করার, ফুলব্যাকদের নেয়ার। কারণ অনেক এটাকিং মাইন্ডেড ফুলব্যাক আপনাকে এসিস্ট কিংবা গোলের বোনাসও দেবে। তবে ওটামেন্ডি বা ভ্যান ডাইকদের মত স্কোরার সেন্টারব্যাকদের ক্ষেত্রে সেটা আলাদা বিষয়।

মিডফিল্ডঃ

আপনার মিডফিল্ড কেমন হবে, তা নির্ভর করছে আপনার এটাকিং লাইনাপের ওপরে। আপনি যদি কেইন-আগুয়েরো-লুকাকু-অবামেয়াং-জেসুস এদের মধ্যে অন্তত দুইজনকে টিমে রাখেন, তাহলে মিডের ক্ষেত্রে আপনার টাকার ব্যালান্স অনেকটাই কমে গেলো। সেক্ষেত্রে মোটামুটি দামের একটা মিডফিল্ড দাঁড় করাতে হবে আপনাকে।
এবং এই মিডের ক্ষেত্রেও যদি আপনি সালাহ’র মত প্রিমিয়াম মিডফিল্ডার নেন, সেক্ষেত্রে মিডের বাকী চারজনকে আপনি এভারেজ মানের ছাড়া নিতে পারবেন না।
আর যদি সালাহকে বাদ দিয়ে দুইজন স্টার মিড নেন, যেমন- আলি-সানচেজ, এরিকসন-হ্যাজার্ড, মানে-ডি ব্রুয়েন, সেক্ষেত্রে আপনার পয়েন্ট পাওয়ার পসিবিলিটি বেড়ে যায়।
দুই স্ট্রাটেজির মধ্যে যেকোনটিই আপনি ফলো করতে পারেন।

স্টার এবং প্রিমিয়াম মিডফিল্ডার বাদে (অর্থা যাদের দাম ৭ – ৮.৫ এর মধ্যে) অন্যদের নিয়ে একটু আলোচনা করি-

ম্যান সিটিঃ স্টার্লিং-ডি ব্রুয়েন-সানেকে বাদ দিলে তাদের মিডে থাকে- দুই সিলভা। এর মধ্যে ডেভিড সিলভাকে নেয়া বেশী সেইফ, কারণ গত সিজনে মোটামুটি ভালো পারফর্ম্যান্স এবং তার ওপরে গার্দিওলার ভালো আস্থা থাকায়।

ম্যান ইউঃ মার্শিয়াল (যদি এই সিজনে থেকে যায়), মাতা (যদি সিওরলি স্টার্ট করে), পগবা ভালো অপশন হতে পারে। লুকাকুকে না নিলে এদের কাউকে নিয়ে দেখতে পারেন।

চেলসিঃ চেলসির মিডে এবার তেমন কোন সেইফ অপশন নেই। কেননা নতুন কোচ সাররি কীভাবে ফরমেশন সাজাবে তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। হ্যাজার্ড-উইলিয়ান যদি চেলসিতে থেকে যায়, তবেই এরাই হবে সেইফ অপশন।

আর্সেনালঃ ওজিলের দাম আগেরবারে তুলনায় কম, নিয়মিত খেললে খুবই রেগুলার পয়েন্ট দেবে সে। রামসি এবং মিখিতারিয়ান মিড প্রাইসে আরও ভালো দুই অপশন। রামসির স্কোরিং এবিলিটি আর মিখিতারিয়ানের সাথে অবামেয়াংয়ের বোঝা পড়া- ফ্যাক্টগুলো এদেরকে দলে নিতে প্রভাবিত করবে।

এদের সাথে বিবেচনায় রাখতে পারেন- ব্রাইটনের গ্রস এবং নতুন সাইনিং জাহানবখশের দিকে, এভারটনের সিগার্ডসন, টটেমহামের লুকাস মওরাকে।

এবার নজর দেয়া যাক, লো প্রাইসড মিডফিল্ডারের দিকে, যাদেরকে রোটেশন করে খেলাবেন আপনি। এক্ষেত্রে ভালো অপশন হতে পারে- এভারটনের রিচার্লিসন-ওয়ালকট, ফুলহ্যামে আসা শুরলে-Sessegnon, নিউক্যাসলের রিচি-আটসু, উলভসের জোটা-নেভেস, সাউদাম্পটনের রেডমন্ড, আর্মস্ট্রং, বর্নমাউথের ইবে, লেইচেস্টারের অলব্রাইটন। পেদ্রো/ফ্যাব্রেগাস যদি নিয়মিত স্টার্ট করে, তাহলে দারুণ ফ্যান্টাসি প্রিমিয়ার লিগ প্রসপেক্ট হতে পারে।

নতুনদের জন্য এখানেও আরেকটি উপদেশ- প্রথাগত সেন্ট্রাল এবং ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার যেমন- কান্তে, ম্যাটিচ, ফার্নান্দিনহোর মত যারা, তাদের না নেয়ার চেষ্টা করুন। যারা এটাকিং মিড এবং উইঙ্গার, তাদের নেয়ার চেষ্টা করুন।

ফরোয়ার্ড-

এই জায়গা নিয়ে আসলে খুব বেশী কিছু বলার নেই। পয়েন্ট পাবার জন্য আপনাকে দামী স্ট্রাইকিং অপশন অন্তত দুইটা রাখতেই হবে। এখন ওই জোড়া কীভাবে মিলাবেন, সেটা আপনার টিমের ওপর এবং নিজের পছন্দের ওপর নির্ভর করছে। লুকাকু-কেইন, কেইন-আগুয়েরো, আগুয়েরো-লুকাকু, আগুয়েরো-অবামেয়াং, লুকাকু-অবামেয়াং, ফিরমিনো-কেইন, ফিরমিনো-লুকাকু, ভার্ডি-কেইন এমন অনেক অপশন আছে আপনার হাতে।
এখানের কথা মূলত থার্ড স্ট্রাইকার নিয়ে। এক্ষেত্রে আপনি বিবেচনায় রাখতে পারেন- সাউদাম্পটনের অস্টিন (যদি নিয়মিত স্টার্ট করে), নিউক্যাসলে গেইল/জোসেলু, ওয়েস্ট হ্যামের আর্নাতোভিচ, বার্নলির উড/উইলসন কিংবা ব্রাইটনের হেমেদ এর দিকে। অথবা আপনার হাতে আরেকটু বেশী টাকা থাকলে ফিরমিনোকেও থার্ড স্ট্রাইকার হিসেবে রাখতে পারেন।

একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা-

যে ব্যাপারটা অনেকে জানেন না, তা হচ্ছে ওয়ার্ল্ডকাপের সেমিফাইনালিস্ট চার দলের বেশীর ভাগ খেলোয়াড়ই প্রথম ২-৩ সপ্তাহের ম্যাচগুলোতে খেলবে না। এই তালিকায় আছে- পগবা, লুকাকু, কেইন, আলি, ট্রিপিয়ার, সন (এশিয়ান গেমসের কারণে খেলবে না), ডি ব্রুইন, হ্যাজার্ড, স্টার্লিংসহ অনেকেই। এদেরকে নিয়ে দল বোঝাই করে শুরুর কয়েক গেমউইক পয়েন্টহীন থেকে হা-হুতাশ করাটা বোকামি হবে। তাই আমার সাজেশন- এক/দুইজনকে টিমে নিয়ে বাকীদের জায়গাতে ম্যাচ শুরু করবে এমন অল্টারনেটিভ অপশনদের নিয়ে দল সাজানো। এরা ফিরে আসলে অল্টারনেটিভদের আস্তে আস্তে ট্রান্সফার করে পছন্দের স্টারদেরকে দলে নিতে পারবেন।

শেষ কথা-

অনেকেই লীগে প্রোমোট পাওয়া দলগুলোর স্টারদের চ্যাম্পিয়নশিপের স্ট্যাটিসটিকস দেখে, দলে নিতে পাগল হয়ে যান। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই ফ্লপ হয়ে যায় তারা। কেননা চ্যাম্পিয়নশিপ এবং প্রিমিয়ার লীগ আলাদা জায়গা। সেকেন্ড ডিভিশন থেকে কয়েকগুণ কঠিন ফার্স্ট ডিভিশনে এসে এসব টিমের বেশীরভাগ খেলোয়াড়রাই ঠিকঠাক খেলতে পারেন না। তাই এদেরকে দলে বোঝাই করে আপনার টাকার অপচয় করবেন না। এক-দুইজনকে ডিফারেনশিয়াল হিসাবে রাখা যেতেই পারে, তবুও সেটা কয়েক উইক যাবার পর।

আর এখনও ট্রান্সফার উইন্ডোতে পুরোপুরি এক্টিভ সব দলই, যে কারণে হ্যাজার্ড যেমন দল ছাড়তে পারেন, তেমনি যোগ দিতে পারেন বড় কোন স্টার। কোন দলে নতুন কোন স্টার প্লেয়ার আসলে এবং তার স্টার্ট করার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকলে, তার দিকে অবশ্যই নজর রাখতে বলবো আমি।

এখানে আমি আমার গত চার বছর খেলার অভিজ্ঞতা আর বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ফিক্সচার এনালাইসিসের সাহায্য নিয়ে স্ট্রাটেজিটাইপ কিছু একটা লেখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এর বাইরেও আপনার নিজস্ব ফিলোসফি-স্ট্রাটেজি থাকতে পারে, আপনি চাইলে সেগুলোই মানতে পারেন। অর্থাৎ আমার এই স্ট্রাটেজিই যে ফলো করতে হবে, এমন কোন কথা নেই। অনেকে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতে পারেন, সেইজন্যেই এটুকু লেখা। এর বাইরেও আপনার মতামত, সাজেশন কিংবা আপনার স্ট্রাটেজি জানাতে চাইলে সাদর আমন্ত্রণ।
কারণ, নতুন কিছু জানতে আমার বরাবরই ভালো লাগে।
ধন্যবাদ। 

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

17 + twenty =