ফিরলেন আল-আমিন

নিউজিল্যান্ডের সাথে টি ২০ তে তার ডেব্যুটার কথা একদম ভালোমতো মনে আছে । স্লগে দুইটা কিংবা একটা ওভার হাতে পায় সে । কলিন মুনরো নামের একজন সেট ব্যাটসম্যান ছিলো নিউজিল্যান্ডের । একদম ভেঙে পেটানোর কথা শেষ ২টা ওভার । মুনরো পারলো না । অভিষিক্ত আলামিন সেদিন অনেক উপরের লেভেলের ম্যাচুরিটি দেখাইয়া দিলেন । অফস্ট্যাম্পের বাইরে ক্রমাগত ব্লকে …
মুখ দিয়ে অটোম্যাটিক “কোথায় ছিলে ওস্তাদ?” টাইপের কথা বেরিয়ে যায় ।
মুগ্ধতার শুরু এখান থেকেই ।

তারপরে স্লগে তার লেভেল দেখসি আর অবাক হইসি । গেলো এশিয়া কাপে ৩২৬ টার্গেট দিয়ে পাকিস্তানের সাথে হারা ম্যাচটায় সেট আফ্রিদির কাছে সে স্লগে একটা ওভারে মোটে ৭ রান দিলো । টি ২০ বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে দলের সেরা বোলার ছিলো সে । স্যামুয়েলস আর স্যামির লেভেলের হিটারদের স্লগে একা সামলানো ছেলে স্বাভাবিক লেভেলের শাহাদাত আর শফিউলদের মত না এইটা আমি অনেক আগেই টের পাইছিলাম । সাঙ্গাকারার মত কাউকে বাংলাদেশের এই টাইপের উইকেটে স্রেফ সুইং দিয়ে কাবু করে আউট করার ছেলে আসলে জিনিয়াস …

তারপরে বিশ্বকাপের ঘোলা-কান্ড আর সাথে সাথে মোস্তা আর তাসকিনদের উত্থানের সাথে সাথে ফেরার চান্স ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হতে থাকে । তবে কেমনে কেমনে একসাথে রুবেল-তাসকিন আনফিট হয়ে গেলো … তার জন্যেও দরজা খুললো ।

আল আমিন হোসেন ফিরলেন । রাজার মতোই ফিরলেন । মাশরাফির উইকেট টেকিং স্ট্র্যাটেজিতে এর চাইতে আর ভালো রিপ্লেসমেন্ট পাওয়া যেত না ।

সবশেষে, তাসকিন-রুবেল-মাশরাফি-শহীদ-রাব্বি-মুস্তাফিজ-আলামিন ! জ্বি এইটাই আমাদের পেইস এটাক ।

বলতে বলতে নাজমুলের জন্যে আফসোস বেড়ে যায় । সেই ন্যাচারাল সুইং ! সেই কমিট্মেন্ট আর স্লগের বোলিংয়েও মাথাটা খাটাইত । আর সেই শ্রীলংকার সাথের ফাইনাল !! জুম্মা থেকে এসে দেখি লংকার ৬ রানে ৫ উইকেট ! সেই নাজমুল আমাদের!

২৮ বছর বয়সে পেইস এটাক লিড দেওয়ার কথা ছিলো এখন তার ।

চোট ! (দীর্ঘশ্বাসের ইমো হবে )

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

17 − 3 =