ফিন্যান্স ফুটসাল ফিয়েস্তা টিম প্রিভিউ : ইভোল্যুশান সকার ক্লাব

ফিন্যান্স ফুটসাল ফিয়েস্তা টিম প্রিভিউ : ইভোল্যুশান এফসি

আগামীকাল সকাল সাড়ে আটটা থেকে বাড্ডার ফর্টিস স্পোর্টস গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক ফুটবলীয় মিলনমেলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা র‍্যাংকস এমএসিএল এর সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজন করতে যাচ্ছে “ফিন্যান্স ফুটসাল ফিয়েস্তা” এর সর্বপ্রথম আসর। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক সিক্স-এ-সাইড এই আসরে এবার অংশ নিচ্ছে আটটি দল, প্রত্যেকটি দলের খেলোয়াড়, ম্যানেজার, সংশ্লিষ্ট বাকী সকল সম্বন্ধে সম্যক ধারণা প্রদান করার উদ্দেশ্যে আজকে গোল্লাছুট ডটকমে প্রকাশিত হবে আটটা দলের টিম প্রিভিউ। এই পর্বে থাকছে ইভোল্যুশান ফ্র্যাঞ্চাইজি সম্পর্কে প্রিভিউ। তো আসুন দেখে নেওয়া যাক এই দলে কে কে রয়েছেন!

  • ফার্নান্দো প্লাবন
  • তড়িৎ দেব সঞ্জয়
  • সন্তু কুণ্ডু
  • আলমগীর
  • ফরহাদ হাসান হাসিব
  • আব্দুল্লাহ আল মামুন
  • প্রকাশ কুমার ঘোষ
  • সুদেব চাকমা
  • আকিব নূর
  • আসাদুজ্জামান আরিফ
  • রকিবুল ইসলাম পাপ্পু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ১৩তম ব্যাচের দুই বন্ধু রুবায়াত মান্নান রাফি এবং মুশাদুর রহিম রাজিন এর স্বপ্নের দল এই ইভোলিউশন সকার ক্লাব। ফিন্যান্স বিভাগের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া এই দলের অধিনায়ক তাদেরই বন্ধু ১৩তম ব্যাচের প্লাবন খেলেন মিডফিল্ডার হিসেবে।তার ড্রিব্লিং এবং পাসিং মনে করিয়ে দেয় জন টেরির কথা।

দলে আছে ফিন্যান্স ইতিহাসের আরেক সেরা খেলোয়াড় জগন্নাথ হলের সেরা সেন্টার ব্যাক ১৯ তম ব্যাচের সুদেব চাকমা। তিনিই কিন্তু এ আসরের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। এই প্রতিভাবান খেলোয়াড় কিন্তু খেলেন রক্ষণভাগে। রক্ষণভাগে তার সাথে রয়েছেন মামুন এবং আকিব নূর।
এবার আসা যাক মধ্যমাঠে। এখানে দলপতির সাথে আছে সন্তু কুন্ডু এবং পাপ্পু। দলপতির সাথে এক হয়ে মধ্যমাঠে তারা কি খেলা দেখাবে তা দেখার অপেক্ষাতেই না হয় থাকলাম! দলের স্ট্রাইকার হিসেবে রয়েছেন ১৮তম ব্যাচের ফরহাদ হাসান হাসিব, যিনি কিনা একাধিক পজিশনে খেলতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তার সাথে দলে স্ট্রাইকার হিসেবে আরো রয়েছেন আরিফ, আলমগীর এবং তরিৎ।
সবই তো হল। ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার, স্ট্রাইকার। কিন্তু গোলবার পাহারা দিবে কে? সে তো আর কেউই নয়, আমাদের ফিন্যান্স বিভাগের ২০তম ব্যাচের সেরা গোলরক্ষক প্রকাশ কুমার ঘোষ। যে কিনা দুই-দুইবার ফিন্যান্স ফুটবলের ফাইনাল খেলা দলের গোলবার সামলেছেন। যাকে খুব সহজেই ইভোলিউশন সকার ক্লাবের ‘কেইলর নাভাস’ বলা যায়।

রোলিং সাবস্টিটিউশান ভিত্তিতে ম্যাচগুলো মাঠে গড়াবে, অর্থাৎ একটা দল প্রয়োজনমত বিকল্প খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে যে কাউকে যখন ইচ্ছা মাঠে নামাতে পারে, মূল একাদশে থাকা যে কারোর বদলে।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

4 + twenty =