ফলাফলটা প্রত্যাশিতই

ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল ম্যাচে সবচেয়ে বড় জয় অস্ট্রেলিয়ার। ৩১-০ গোলে আমেরিকান সামোয়াকে হারিয়েছিল তারা। ম্যাচ শুরু হবার পর থেকে প্রত্যেকটা বাংলাদেশীরই মন দুরুদুরু করতে বাধ্য, সেই রেকর্ড ভেঙ্গে যেন আবার লজ্জার জায়গায় বাংলাদেশকে না বসায় অস্ট্রেলিয়ানরা। অন্তত ম্যাচের পুরো নব্বইটা মিনিট দুইদলের খেলা, মানসিকতা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে যে কারোরই মনে হতে বাধ্য, বাংলাদেশের কাছে আমেরিকান সামোয়া তাদের রেকর্ডটা হারালেও হারাতে পারে!

সাত নম্বর জার্সিধারী স্ট্রাইকার ম্যাথিউ লেকি নিজের গোলখরা কাটানোর জন্য বাংলাদেশকে লম্বা একটা ধন্যবাদ দিতেই পারেন। বুন্দেসলিগায় এই মৌসুমে নবাগত দল ইঙ্গলস্টাডের হয়ে খেলা এই স্ট্রাইকার সেই যে জাতীয় দলের হয়ে ২০১৩ সালে কানাডার বিপক্ষে শেষ গোল করেছিলেন, দুই বছর পর আজকে করলেন আবার।

প্রথমার্ধে মূলত নিজেদের ডানপ্রান্ত থেকে আক্রমণের পর আক্রমণ শানিয়ে বাংলাদেশের বামপ্রান্তকে একদম অকেজো করে রাখে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশের লেফটব্যাক মোহাম্মদ লিঙ্কনকে লেকি, লুয়োঙ্গো, মডি মিলে বলতে গেলে একেবারে ছিঁড়েখুঁড়ে খাওয়া শুরু করেন। প্রায়ই ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখাচ্ছিলেন সদ্য কুইন্স পার্ক রেইঞ্জার্সে যোগ দেওয়া সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার ম্যাসিমো লুয়োঙ্গো। কম যাচ্ছিলেন না স্কটিশ চ্যাম্পিয়ন সেল্টিকের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার টমি রোগিচও। বাংলাদেশের বক্সে বাংলাদেশের প্রায় সব খেলোয়াড় থাকলেও প্রায়ই সিম্পল ওয়ান-টু করতে করতে ঢুকে যাচ্ছিলেন অ্যারন মডি, লুয়োঙ্গো, এমনকি সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার এলরিচও। নিজে পরেন ২৩ নম্বর জার্সি, যে জার্সিটা মূলত মিডফিল্ডার বা স্ট্রাইকাররা পরে থাকেন, তারেক এলরিচ আসলে কিন্তু রাইটব্যাক। জার্সির প্রতি সুবিচার করতেই কি না, বারবার উঠে যাচ্ছিলেন এলরিচ। প্রথম দুটো গোলেই রয়েছে এলরিচের প্রত্যক্ষ অবদান।

ডিফেন্ডার হয়েও এলরিচ ভালই ভুগিয়েছেন বাংলাদেশকে
ডিফেন্ডার হয়েও এলরিচ ভালই ভুগিয়েছেন বাংলাদেশকে

৬ মিনিটে এরকমই মডি-লুয়োঙ্গো-মিলিগান-এলরিচ চতুষ্টয়ের বানানো বলে লিঙ্কনের ভুলে সিম্পল ট্যাপ ইন করে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন ম্যাথিউ লেকি। ডানদিকে ঝাঁপ দিয়েও শহীদুল গোল আটকাতে পারেননি, যদিও মনে হচ্ছিল আরেকটু ভালোভাবে ঝাঁপ দিলে গোলটা হয়তোবা আটকাতেও পারতেন।

দ্বিতীয় গোলটাও আসতে বেশী দেরি হয়নি, ছয়মিনিট পরেই সেল্টিক মিডফিল্ডার টমি রোগিচ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এখানেও ডানপ্রান্ত থেকে ধামধুম করে উঠে আসা এলরিচের ছিল অবদান, আর ছিল লিঙ্কনের আরেকটু খামখেয়ালিপনা। এটা ছিল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রোগিচের প্রথম গোল।

CN-aNthUsAEkjAN

লেফটব্যাক লিঙ্কনকে ছিঁড়েখুড়ে ফেলার পর, বাংলাদেশের বামদিক থেকে দুই গোল আসার পর অস্ট্রেলিয়ানদের মনে হল বাংলাদেশের রাইট সাইডও বা কেন বাদ যাবে, এবার সেখান থেকে কিছূ গোল করা যাক! ফলে এবার শুরু হল আমাদের রাইটব্যাক নাসিরের যন্ত্রণা। এবার বামপ্রান্ত থেকে আসা বল রিসিভ করে শট মারেন টমি রোগিচ, সামনে তপু না থাকলে হয়তোবা গোল হত না, কিন্তু বিধি বাম, তপু বর্মণের গায়ে লেগে অনেক বড় একটা ডিফ্লেকশান হয়ে বল শহীদুলকে পরাস্ত করে ঢুকে যায় বাংলাদেশের জালে। তিন গোল খাওয়ার পরে স্ট্রাইকার ম্যাথিউ লেকি কে অত ভালোভাবে মার্ক কেউই করছিলেন না। কেন করছিলেন না, কে জানে!

দ্বিতীয় গোলের পর রোগিচ
দ্বিতীয় গোলের পর রোগিচ

৪-৪-২ ফর্মেশানে অস্ট্রেলিয়ার দুইজন স্ট্রাইকার আর একজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার (নাম্বার ১০ পজিশান) ছিলেন যথাক্রমে ম্যাথিউ লেকি, ন্যাথান বার্নস আর টমি রোগিচ। বাকী দুই অ্যাটাকিং সতীর্থ লেকি আর রোগিচের গোল করা দেখেই কিনা, বার্নসও মনেহয় ভাবলেন আমিও বা কেন বসে থাকব! আবারো বাংলাদেশের ডানপ্রান্ত থেকে ক্রস, টমি রোগিচের দুর্দান্ত হেড অসাধারণভাবে সেভ করে বল কন্ট্রোলে রাখতে পারেননি গোলরক্ষক শহীদুল, ফলে বল চলে যায় বার্নসের পায়ে, স্ট্রাইকারের কাজটি করতে ভুল করেননি বার্নস। ফলে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে নিজের প্রথম গোল এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই করে ফেললেন বার্নস। ফলে মোটামুটি ২৪ মিনিটের মধ্যে এক হালি গোল খেয়ে বসে বাংলাদেশ। এইটুক সময়ের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার পাস ছিল ২০২টা, আর বাংলাদেশের মাত্র ৪৬টা!

পার্থের মত বিখ্যাত বড় মাঠে, অস্ট্রেলিয়ার মত দলের সাথে খেলা, যে দল কিনা এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন, নিয়মিত বিশ্বকাপ খেলে, এদের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ঘোর লাগাই স্বাভাবিক। প্রথমার্ধের খেলা দেখে তাই-ই মনে হয়েছে, নিজেদের ডি-বক্সে ১০ জন বসে থাকলেও আশ্চর্যজনকভাবে কেউই ফাইনাল ট্যাকল করতে যাননি।ফলে ডিবক্সের মধ্যে খেলোয়াড়দের জটলা বেঁধে থাকলেও ঠিকই টুকটুক করে নিজেদের মধ্যে ওয়ান-টু খেলা চালিয়ে গেছেন মিলিগান-মডি-এলরিচ-লেকি-লুয়োঙ্গোরা।

নিজের ‘পাপ’ এর প্রায়শ্চিত্ত করতেই কিনা, এবার ৩২ মিনিটে হাফওয়ে লাইন থেকে ধাম করে একটা গোল বরাবর শট মেরে বসেন তপু বর্মণ, যদিও বল গোলের ধারকাছ দিয়েও যায়নি, উড়ে গেছে গোলরক্ষক অ্যাডাম ফেদেরিকির মাথার উপর দিয়ে। এই অ্যাডাম ফেদেরিকি ২৯ মিনিটের দিকে প্রথম বলের ছোঁয়া পান, বোঝাই বাংলাদেশ কিরকম ডিবক্সের ভিতরে-সেঁধা খেলা খেলেছে আজকে।

কিছুক্ষণ পরেই অস্ট্রেলিয়ার ডানপ্রান্ত থেকে আসা বলে দুর্দান্ত হেড করেন স্ট্রাইকার ম্যাথিউ লেকি, কিন্তু বামদিকে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ রিফ্লেক্সের প্রদর্শণী করে তাঁকে গোলবঞ্চিত রাখেন শহীদুল।

৩৬ মিনিটে হেমন্তের জায়গায় মাঠে নামেন মোনায়েম খান রাজু। হেমন্তকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি আজকে মাঠে। দেশের মাটিতে বক্স-টু-বক্স দৌড়িয়ে প্রতিপক্ষকে পাগল বানিয়ে ফেলা এই হেমন্ত আজকে ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ। ফলে তাঁকে উঠিয়ে আরও ডিফেন্সিভ মনোভাবাপন্ন মিডফিল্ডার মোনায়েম রাজুকে নামায় বাংলাদেশ।

প্রথমার্ধ শেষে বাংলাদেশের অবস্থা!
প্রথমার্ধ শেষে বাংলাদেশের অবস্থা!

৩৭ মিনিট পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মার্ক মিলিগান আর অ্যারন মোডি মিলেই নিজেদের মধ্যে ১০৮টি পাস দেওয়া নেওয়া করেছেন, আর পুরো বাংলাদেশের পাস ছিল তখন ৭১টা! প্রথমার্ধে ফাউল করার দিক দিয়েও এগিয়ে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ানরা। বাংলাদেশের ২টি ফাউলের বদলে তাদের ফাউল ছিল ৮ টি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষদিকে ন্যাথান বার্নসের ফাউলের শিকার হয়ে মাঠের বাইরে চলে যান রাইটব্যাক নাসির। নাসিরের জায়গায় মাঠে নামেন তাঁর শেখ জামাল সতীর্থ ইয়ামিন মুন্না।

গর্বিত কোচ অ্যাঙ্গে পোসতেকগ্লু
গর্বিত কোচ অ্যাঙ্গে পোসতেকগ্লু

দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে এবার ইনজুরিতে পড়েন তপু, হ্যামস্ট্রিংয়ে টান। কিছুক্ষণের জন্য সতীর্থ নাসিরের মত তিনিও স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন, যদিও মিনিটখানেকের মধ্যেই আবার ফিরে আসেন তিনি। ৫৯ মিনিটে এনামুলের জঘন্য ট্যাকলে বক্সের সাইডে ফ্রিকিক পায় অস্ট্রেলিয়া। এমনিতে স্ট্রাইকার হলেও স্বাভাবিকভাবেই সবাই ডিফেন্সে ঢুকে যাওয়ার কারণে ফুলব্যাকের ভূমিকা পালন করছিলেন স্ট্রাইকার এনামুল। এবং এই ফিটনেস নিয়ে কিভাবে তিনি দলে জায়গা পান, প্রশ্ন থেকেই যায়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ফ্রিকিক গুলো মূলত অ্যারন মডিই নিচ্ছিলেন। অবশেষে পুরো ম্যাচ ভালো খেলার সুফল মডি পান ৬১ মিনিটে, ডিফেন্ডার স্পিরানোভিচের দুর্দান্ত বাড়ানো বলে বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ের দুর্দান্ত শটে স্কোরলাইন ৫-০ করেন মেলবোর্ন সিটির এই মিডফিল্ডার।

গোলের পর অ্যারন মডি
গোলের পর অ্যারন মডি

৬১ মিনিটে পার্থের স্টেডিয়ামের ১৯,৪৯৫ জন দর্শকের মধ্যে হঠাৎ আনন্দের জোয়ার চলে আসে। আসবেনাই বা কেন, মাঠে যে তখন নামছেন তর্কযোগ্যভাবে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় টিম ক্যাহিল! ৬১ মিনিট বাংলাদেশের ডিফেন্স নিয়ে ছেলেখেলা করার পর ক্যাহিলকে জায়গা করে দিতে মাঠ ছাড়েন স্ট্রাইকার ম্যাথিউ লেকি। জোড়া গোল করা টমি রোগিচও মাঠ ছাড়েন, তাঁর জায়গায় আসেন স্ট্রাইকার ক্রিস ইকোনোমিডিস। পার্থে এমনিতেই আজকে দশবছর পর কোন ফুটবল ম্যাচ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া, ফলে স্বাভাবিকভাবেই নিজের পুরো ক্যারিয়ারে পার্থে কখনো কোন ম্যাচ খেলেননি টিম ক্যাহিল। ফলে তাঁর পায়ে যখনই বল যাচ্ছিল, গর্জনে ভরে উঠছিল পার্থের স্টেডিয়াম। ৭২ মিনিটে বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে আসা ক্যাহিলের শট প্রায় গোল হয়েই যাচ্ছিল, এটাও ফিরিয়ে দেন শহীদুল। স্কোরবোর্ড সবসময় বিজয়ী ও বিজিতের কথা বলে, তাই হয়ত শহীদুলের পারফরম্যান্সের কথা আজকে কোথাও লেখা থাকবে না, কিন্তু আজ শহীদুল আর তপু না থাকলে বাংলাদেশ আরও গোটা দশেক গোল খেলেও আশ্চর্যের কিছুই থাকত না।

টিম ক্যাহিল
টিম ক্যাহিল

৭৫ মিনিটে মার্ক মিলিগানের জায়গায় মাঠে নামেন জ্যাকসন ইরভাইন। ৮১ মিনিটের দিকে অস্ট্রেলিয়ার বক্সে কোনরকমে বল নিতে পারে বাংলাদেশ। ৮৩ মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে আসা দুর্দান্ত এক ক্রসে মাথা লাগান জ্যাকসন ইরভাইন, কিন্তু বল পোস্টে লাগে, ফলে তিনি তাঁর প্রথম ইন্টারন্যাশনাল গোল পেতে ব্যর্থ হন। ম্যাচে বাংলাদেশের শেষ সাবস্টিটিউশান ছিল এনামুলের জায়গায় আবদুল বাতেন কোমল, ৮৫ মিনিটে।

গোল না পাওয়ায় নিজের ভাগ্যের উপরেই হাসছেন ইরভাইন!
গোল না পাওয়ায় নিজের ভাগ্যের উপরেই হাসছেন ইরভাইন!

৯২ মিনিটে ইকোনোমিডিসের বামপায়ের একটি শট আবারও অসাধারণভাবে সেভ করেন শহীদুল।

সবসময় নিজের মাটিতে মোটামুটি সমশক্তির দলের সাথে খেলা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া আজকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলে একরকম জানিয়েই দিল বিশ্ব ফুটবলে বাংলাদেশ আসলে কতটা পিছিয়ে আছে। নাসির, তপুদের বারবার স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়াও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ম্যাচ ফিটনেসের দিক দিয়েও আমরা কিরকম যোজন যোজন পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে।

বাফুফে প্রেসিডেন্ট কাজী সালাউদ্দিনের ২০২২ সালের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন পূরন করতে তাই দুরন্ত পথই পাড়ি দিতে হবে বাংলাদেশকে!

# বাংলাদেশ একাদশ

গোলরক্ষক – মোহম্মদ শহীদুল আলম (১)

ডিফেন্ডার – মোহম্মদ ইয়াসিন খান (৪), তপু বর্মণ (৩), মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম (১২), মোহাম্মদ লিঙ্কন (১৫)

মিডফিল্ডার – জামাল ভুঁইয়া (৬), মামুনুল ইসলাম মামুন (অধিনায়ক, ৮), হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস (১০)

ফরোয়ার্ড – মোহাম্মদ জুয়েল রানা (১৮), মোহাম্মদ জাহিদ হাসান এমিলি (৯), মোহাম্মদ এনামুল হক (৭)

ফর্মেশান : ৪-৩-৩

# বাংলাদেশ বেঞ্চ – মোহাম্মদ রাসেল মাহমুদ (গোলরক্ষক, ২২), রায়হান হাসান (ডিফেন্ডার, ২), ইয়ামিন আহমেদ মুন্না (ডিফেন্ডার, ৫), আতিকুর রহমান মিশু (ডিফেন্ডার, ১৪), আবদুল বাতেন কোমল (ডিফেন্ডার, ১৯), সোহেল রানা (মিডফিল্ডার, ১১), মোহাম্মদ মোনায়েম খান রাজু (মিডফিল্ডার, ১৩), মোহাম্মদ ইমন মাহমুদ (মিডফিল্ডার, ১৬), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (ফরোয়ার্ড, ১৭), মোহাম্মদ তকলিস আহমেদ (ফরোয়ার্ড, ২০), আমিনুর রহমান সজীব (ফরোয়ার্ড, ২১)

# অস্ট্রেলিয়া একাদশ

গোলরক্ষক – অ্যাডাম ফেদেরিকি (১৮)

রাইটব্যাক – তারেক এলরিচ (২৩)
সেন্টারব্যাক – বেইলি রাইট (৮)
সেন্টারব্যাক – ম্যাথিউ স্পিরানোভিচ (৬)
লেফটব্যাক – জেসন ডেভিডসন (৩)

ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার – মার্ক মিলিগান (৫)
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার – ম্যাসিমো লুয়োঙ্গো (২১)
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার – অ্যারন মডি (১৪)
অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার – টম রজিচ (২০)

স্ট্রাইকার – ম্যাথিউ লেকি (৭)
স্ট্রাইকার – ন্যাথান বার্নস (১৬)

ফরমেশান : ৪-৪-২

# অস্ট্রেলিয়া বেঞ্চ – ইউজিন গ্যালেকোভিচ (১), জ্যাকসন ইরভাইন (২), টিম ক্যাহিল (৪), ক্রিস ইকোনোমিডিস (৯), বেন হ্যালোরান (১০), টমি ওর (১১), অ্যালেক্স সিস্যাক (১২), আজিজ বেহিচ (১৩), লুক ব্রাটান (১৫), ম্যাট ম্যাকাই (১৭), রায়ান ম্যাকগাওয়ান (১৯), অ্যালেক্স উইলকিনসন (২২)

*ব্র্যাকেটে জার্সি নম্বর

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

four × 3 =