প্রেরণা

” ৪৮তম ওভারে তাসকিনের হাতে বল তুলে দিয়ে বলেছিলাম, ‘আগের বাজে ওভারগুলোর কথা ভেবে বোলিং করলে এখান থেকে দলকে হারাতো পারো। কিংবা ওসব ভুলে গিয়ে নতুন উদ্যমে বল করে পারো দলকে জেতাতে। বাকিটা তোমার ওপর…।”

“আমার ধারণা এই কথায় কাজ হয়েছে। ম্যাচ শেষে তাসকিনের সঙ্গে কথা বলেছি এটা নিয়ে। সে বলেছে যে ওই কথাটি পজিটিভলি নিয়েছিল। প্রতিজ্ঞা করেছিল শেষ ২ ওভারে ভালো করবে।”

“শেষ তিন ওভারের দুটি করার জন্য তাসকিনকেই বেছে নেওয়ার কারণ, ধারাবাহিক ভাবে সবচেয়ে বেশি ইয়র্কার দিতে পারে সে। রুবেলও পারে ভালো ইয়র্কার, এখন শফিউলও খুব ভালো করছে। তবে তাসকিন ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে ভালো পারে।”

“অধিনায়ক হিসেবে আমার বোলারদের ওপর আমার ভরসা রাখতেই হবে। আগের ওভারগুলোতে বাজে করেছে বলে শেষেও পারবে না, এমনটা ভাবলে তো অধিনায়কত্ব করা যাবে না। তাসকিন-রুবেল আগেও শেষের ওভারগুলোতে ভালো করেছে। আমার বিশ্বাস ছিল, ওরা আবারও পারবে।”

“শেষ দিকের কথা ভেবেই সাকিবের একটি ওভার রেখে দিয়েছিলাম। সাকিব তো আমার ট্রাম্প কার্ড। ভেবেছিলাম ওভারে ৩-৪ রান দিলেও দারুণ হয়। সাকিব দিল মাত্র ১ রান, ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় অসাধারণ বললেও কম হয়। শেষ পর্যন্ত ওর ওভারটিই আমার আমাদের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছে।”

……. মাশরাফি বিন মুর্তজা

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

19 + ten =