পীর না বানিয়ে ফেলি!

অবস্থাদৃষ্টে মনে হলো মাশরাফি সবকিছুর উর্ধ্বে চলে গেছেন। সব সমালোচনার উর্ধ্বে। তাকে নিয়ে শুধু প্রশংসাবাক্য ছাড়া আর কিছুই বলা যাবে না! আমি জানি, তাসকিনের ইনজাস্টিসের কারণে গত ম্যাচে মাশরাফির মনোযোগ বিঘ্নিত ছিলো। ও ঠিক নিজের মাঝে ছিলো না। ব্যাটিংয়ে নিজেকে প্রমোট করেনি। প্রয়োজনের সময় নিজে বোলিংয়ে আসেনি। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে অনেকগুলো বাউন্ডারি বের হবার পরেও ডিপ মিড উইকেটে ফিল্ডার রাখেনি; ব্লা ব্লা ব্লা। সবসময় যেমন সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয় বা দিতে দেখি, গত ম্যাচে সেটা দিতে পারেনি। আমার কাছে তাইই মনে হয়েছে। সেটা গাভাস্কার বা ইয়ান বিশপেরও মনে হতে পারে। রমিজ রাজা বা হার্শা ভোগলেরও মনে হতে পারে। স্বাভাবিক। তার জন্যে সর্বোচ্চ গাভাস্কারের ক্রিকেট জ্ঞান নিয়ে প্রশ্নও তোলা যেতে পারে(!) কিন্তু গালাগাল ব্যাপারটা অতিরিক্ত। তারা ধারাভাষ্যকার। যা ঘটেছে তা ব্যাখ্যা করবে। সেটা নিয়ে মন্তব্য করবে। তাইই হয়। আমাদের আতাহার আলী করেন না? কেউ একদিন খারাপ খেললে আতাহার বলতে পারবেন না যে সে সব ডিপার্টমেন্টে খারাপ খেলেছে?

সহনশীলতা ভীষণ মাত্রায় কমে গেছে আমাদের। ঘৃণার সংস্কৃতি চলেই যাচ্ছে। মাশরাফি এদেশের সবচেয়ে পপুলার এবং পছন্দের চরিত্রের একজন তাই বলে এটা না মাশরাফি সবসময়ই ঠিক। মাশরাফি বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী এবং বর্ণময় চরিত্র হয়ে থাকুক, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘পীর’ না হয়ে যাক।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nine − three =