পারছি না আর

ম্যাচ নিয়া কোনো কথা বলতে চাইনা। ১০ বছর ধরে মাঠে খেলা দেখি। জীবনে জেতার চেয়ে হারছি অনেক বেশি। এই স্ট্যাটাসটা একটু মনের কষ্ট শেয়ার করার জন্য দেয়া। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম পুরাতন ফ্যান ক্লাব ” দৌড়া বাঘ আইলো ” এর একজন হেড। আজ আমাদের গ্রুপ আমার ক্রিকেট টিম ও ক্যাপটেনকে ইনস্পায়ার করার জন্য একটা বিশাল প্ল্যান করেছিল। যেটা সাকসেসফুল করার জন্য প্রায় ৪২ জন মানুষ দরকার ছিল। আমিসহ আরও ৪জন এডমিন ১৫ ঘন্টা টানা পিসির সামনে বসে টোটাল ৪৮টা টিকেট কাটি সহজ.কম থেকে শুধুমাত্র প্ল্যানটা সাকসেসফুল করার জন্য।
আজ প্রায় ৪ ঘন্টা আমাদের সেই চেষ্টা ইস্ট গ্যালারীর বাইরে পড়ে ছিল, আর আমিসহ আরও ৩-৪ জন এডমিন জাস্ট হাত পা ধরা বাদে আর সবকিছু করতেছিলাম এটা ঢুকানোর জন্য। কাজটার পিছনে ৫-৬ জন অনেক বাধা পেরিয়ে প্রায় ২ সপ্তাহ খাটছি। কষ্টটা এখানে লাগে নাই, আমার কষ্টটা হলো আমরা এই জিনিসটা আমাদের প্লেয়ারকে দেখাতে পারি নাই। খুব ইচ্ছা ছিল এটা দেখে তাদের কি রিএকশন হয় দেখার। হয় নাই কারণ অদ্ভুত সব সিকিউরিটি রিজনের জন্য। যেখানে তারা নিজেরাও জানেনা কোনটা বিপদজনক। আমাদের ক্রিকেট বোর্ড ফ্যানদের থেকে ডেডিকেশন চায়না, তারা ফ্যানদের ব্যবহার করে ব্যবসা করতে চায়। আমার যদি আমার দেশে আমার নিজের টিমের জন্য কিছু করতে কিছু কর্পোরেট চুতিয়ার জন্য বাধাপ্রাপ্ত হতে হয় তাহলে আর ওইটা কিসের স্টেডিয়াম হলো? টাকার তো অভাব নাই একটু বাইরের দেশের স্টেডিয়াম এনভায়রনমেন্ট দেখে আসুন অথবা টিভি চ্যানেলেই ফুটবল ম্যাচের গ্যালারি দেখুন। কম্পেয়ার করলেই বুঝবেন কত বড় খাচ্চোর আপনারা। যেই মাঠে আমাকে মোটামুটি টাইপও এনভায়রনমেন্ট দেয়া হয়না, মুখ বুজে চুতিয়াগিরি দেখে যেতে হয়, সেই মাঠে আমি আর যাচ্ছিনা। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের কেমন ফ্যান আমি জানি এটা কিন্তু সত্যি বলি ব্যবসা আর চুতিয়াগিরির সাথে আর আপোষ করতে পারছিনা। আই কুইট 🙂
বাই দা ওয়ে মাঠে খেলা দেখা শুরু হইছিল হার দিয়ে, শেষও হলো হার দিয়ে!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

2 + 11 =