পাভেল নেদভেদ – ছোট সম্রাজ্যের বড় সম্রাট

পাভেল নেদভেদ - ছোট সম্রাজ্যের বড় সম্রাট

লেজেন্ডদের কাব্যগাথা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে পৃথিবির প্রায় প্রতিটা অমর শিল্পেই,ফুটবলেও তাদের ম্যাজিক টাচ প্রস্ফুটিত হয়ে আছে আপন কাব্যিকতায়…এমনি একজন শতাব্দী জন্মা ফুটবলের বিষ্ময়কে নিয়ে আমি আপনাদেরকে সবুজ ক্যানভাসের গল্প শুনাবো আজ।
জন্মেছিলেন অবিভক্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে,কিন্তু লেভ ইয়াসিনের দেশের হয়ে খেলার জন্য ফুটবল বিধাতা তাকে সৃষ্টি করেননি বরং তাকে চেককে মেট করে দেওয়ার জন্য ফুটবলের এম্বাসেডর করে পাঠিয়েছিলেন এই ধরণীতে। ভাবছেন আমি ফুটবলের মানুষ দাবার গল্প কেন করছি..?
না না,আমি কোন দাবার গল্প করছিনা,আমার গল্পে মেটের চালটা না থাকলেও চেকের চালটা ঠিকই ই আছে…
আসলে আমি যাকে নিয়ে আমার ছোট্ট গল্প লিখছি তার জন্ম ভূমির মাঝে লুকিয়ে আছে এই চেক নামটি,চেক প্রজাতন্ত্র🇨🇿
তিনি-
•••ছোট সম্রাজ্যের বড় সম্রাট পাভেল নেদভেদ•••
ছোট শহরের বড় স্বপ্ন দেখা সেই ছেলেটা আজ গোটা ফুটবল বিশ্বের বাদামী চুলের কিংবদন্তি ।
অদম্য স্পিড আর চমকে দেয়া ভলিগোলের জন্য হিরকচয়নে অলংকৃত এক নাম “দ্য চেক কেনন” পাভেল নেদভেদ। জিজু-ফ্যানোমেনোদের যুগে ছড়ি ঘুড়ানো একজন আইকনিক ফুটবলারের নাম পাভেল নেদভেদ।
•• নেদভেদের ধরনী ধারণ
১৯৭২ সনের ৩০শে অগাস্ট ধরনী তার সিংহাসনে ভুমিষ্ঠ করে এই চেক সম্রাটের, জন্ম নেন সোভিয়েত ইউনিয়নের চেকোস্লোভাকিয়ায়। অখন্ড USSR এর সেই বাদামী চুলের পায়রাটা সময়ের স্রোতে ফুটবল পায়ে বনে যান আপন ভুখন্ডের অগ্রজ বাশিওয়ালা..্‌.
•• নেদভেদিয়ান শিল্প
আদতে পাভেল নেদভেদ ছিলেন একজন উইঙ্গার কাম এটাকিং মিডফিল্ডার,জার্সি নাম্বার ছিল ১১।
তবে উভয় পায়েই সমান পারদর্শি এই ফুটবল শিল্পি খেলতে পারতেন গোটা মিডফিল্ডের যে কোন পজিশনেই। তাই তাকে ডাকা হত সময়ের সেরা একজন কমপ্লিট মিডফিল্ডার হিসেবে। বা পায়ের চমকপ্রদ ক্রসিং এবিলিটি আর দুর্দান্ত সব ট্যাকেলে পারদর্শি এই ফুটবলার একই সময়ে দেখাতে পারতেন অফেনসিভ ও ডিফেনসিভ দুই জগতেরই মুন্সিয়ানা,তাই কোচের ভরসাটাও ছিল তার উপর অন্যান্যদের চাইতে একটু বেশি।

•• নেদভেদিয়ান ফুটবল জার্নি
মাত্র ৫ বছর বয়সে নগরের ক্লাব তাতরানে ফুটবলের সম্রাজ্যে প্রথম পা রাখেন সুদর্শন এই চেক সম্রাট।
১৯৮৫ তে স্কোডা প্লাজেনে যোগদানের মাধ্যমে তার ফুটবল জার্সির শুরু,৯০-৯১ সিজনে তাকে লোনে পাঠানো হয় ডুকলা প্রাগে আর এই ক্লাবে যোগদান করার মাধ্যমে নেদভেদ তার সিনিয়র ক্যারিয়ারের প্রারম্ভিকা অংকন করেন।
৯১এর শেষ দিকে নেদভেদ তার প্লাজেনের হয়ে মিলিটারিয়ান সার্ভিসের সমাপ্তি ঘটিয়ে স্পার্টা প্রাগে যোগদান করেন। ফুটবলের শাসন মুলত শুরু হয় নেদভেদের এ ক্লাব থেকেই,স্পার্টার হয়ে তিনি ৯২-৯৬ পর্যন্ত তার আলোক দ্যুতি বিশ্বকে জানান দেন। এ ক্লাবের হয়ে তিনি ৯৭টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ২৩ টি গোল করেন। ৪ সিজনের এই ইমার্জিং টাইমে স্পার্টার হয়ে নেদভেদ জিতে নেন ১টি চেকো শ্লোভাকিয়ান ফার্স্ট লিগ টাইটেল,২টি গ্যমব্রিনাস লিগা ও ১টি চেক কাপ।

•• নেদভেদিয়ান শিল্পের বৈশ্বিক বিপ্লব
৯০ এর দশকে ইউরোপিয়ান ফুটবলে ইতালিয়ান ক্লাব গুলির ছিল দোর্দণ্ড প্রতাপ আর বৈশ্বিক অঙ্গনে এই ইতালিয়ান লিগ সিরি’য়ার ক্লাব লাৎজিওতেই হয় নেদভেদের সূচনা।
ক্লাব বোলোগনার সাথে হেরে ফুটবলের বৈশ্বিক জার্নির সূচনাটা খুব বেশি ভাল না হলেও পরবর্তিতে নেদভেদ যুগের ইতিহাস রচনা করতে কোন দেয়ালই ধোপে টেকেনি এই চেক কামানের সন্মুখে ।
লাৎজিওর হয়ে প্রথম গোল পান তিনি ক্লাব ক্যাগলিয়ারির সাথে ১৯৯৭-এ। ৯৭ থেকে ৯৮ পর্যন্ত লাৎজিওর আনবিটেন থাকে টানা ২৪টি ম্যাচে আর এই সময়ের সেরাটা আসে নেদভেদের কাছ থেকেই,য়ূভেনটাসের সাথে হেরে যখন লাৎজিওর টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি ভাংঙ্গ তার আগেই সেন্ট অফ হন নেদভেদ।
লাৎজিওর হয়ে অংশ নেন নেদভেদ ৯৯এ শেষবারের মত অনুষ্ঠিত হওয়া উয়েফা কাপ উইনার্স কাপে,যে ইউরোপিয়ান কম্পিটিশনটা এর পরে আর কখনোই হয়নি। ওস্তাদের মার শেষ রাত্রে কথাটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দেন নেদভেদ এই লাস্টএভার কম্পিটিশনটাতে…
৯৯এর এই উয়েফা কাপ উইনার্স কাপের ফাইনালে নেদভেদিয়ান লাৎজিওর প্রতিপক্ষ স্পেনিশ ক্লাব মায়োর্কা,শেষবারের মত অনুষ্টিত এই কম্পিটিশনটাকে এক ঐতিহাসিক মর্যাদা দেন সর্বশেষ গোলটি করে..
লাৎজিও ফাইনাল জিতে যায় ২-১ গোলে,চিরদিনের মত শেষ হয়ে যাওয়া উয়েফা কাপ উইনার্স কাপের সংগে জড়িয়ে আছে তাই লাৎজিওর নামটাও আর সংগে প্রজ্জল পাভেল নেদভেদ ।
লাৎজিওর হয়েই উয়েফা সুপার কাপ আর প্রেস্টিজিয়াস টুর্নামেন্ট ইউসিএলের যাত্রা শুরু করেন নেদভেদ ।
রিয়ালের সাথে গ্রুপ পর্বেই বাদ পরতে হয় নেদভেদের লাৎজিওকে,তবে প্রেস্টিজিয়াস এই ইউরোপিয়ান ক্যম্পেইনে নেদভেদ তার প্রথম গোলটি পেয়ে যান রিয়ালের সাথে ২০০০ সনে।
লাৎজিও তার সাথে নতুন করে ৪ বছরের চুক্তি করে,কিন্তু বিধিবাম..!
লাৎজিওর মালিকের অর্থের নেশা নেদভেদকে রোড টু লেজেন্ডারীতে এগিয়ে দেয় আরেকটি ধাপ,৪১ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে লাৎজিও তার সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে জুভেন্টাসের কাছে বিক্রি করে দেয়। লাৎজিওর ফ্যানরা পাভেল নেদভেদ এর এই ট্রান্সফারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসে,তারা ক্লাব বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে শুরু করে । তবে ফুটবল বিধাতা নেদভেদিয়ান কাব্যটাকে লিখতে চেয়েছিলেন আরেকটু বর্নিল সাজে। তাইতো ক্লাব ফ্যানদের হাজার আন্দোলনও রুখতে পারেনি পাভেল নেদভেদ এর জুভেন্টাস জার্নিকে।লাৎজিওর হয়ে ফুটবলের এই সুপ্রিম পাওয়ার ৯৬ থেকে ২০০০ পর্যন্ত ১৩৮টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৩৩টি গোল করে লাৎজিওকে এনে দেন অপার সাফল্য,জিতে নেন কোপা ইতালিয়া সহ লাস্টএভার কম্পিটিশন উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ। বলা হয়ে থাকে যে লাৎজিওর সুদিনের শেষ মহারথী ছিলেন পাভেল নেদভেদ।
এরপরই লাৎজিও নামের ক্লাবটির পতন শুরু হতে থাকে,একটা সময় ইউরোপিয়ান হট কেক ক্লাবটি আজ আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় কাঙ্গাল…!
•• নেদভেদিয়ান জার্নি টু বি লেজেন্ড
জিদানকে রিয়ালের কাছে সেল করে দেয়ার পর তুরিনের বুড়িদের মিডফিল্ড পাওয়ার অনেকটাই শংকার মধ্যে পড়ে যায় আর সেই শংকাকে এক ঝটকায় লংকা জয়ের দ্যুতিতে রুপ দেয় নেদভেদের ট্রান্সফারটি,এটা তখনকার সেরা সাইনিংগুলোর একটি ছিল…
য়ূভেনটাসে পা রেখেই দলের অপরিহার্য অংশ বনে যান এই চেক ডায়নামাইট,২০০১-০২ আর ২০০২-০৩ সিজনের স্কুদেত্বো উইনিং টিমের সন্মানিত সদস্য ছিলেন পাভেল নেদভেদ।
এই য়ূভেনটাসে খেলার সময়েই ২০০৩এ জিদান,দিনহো,রোনালদো,হেনরির মত ফুটবলারদের চমকে দিয়ে ইউরোপিয়ান মোষ্ট প্রেস্টিজিয়াস এওয়ার্ড “ব্যালন ডি’ওর গালার একচ্ছত্র রাজা বনে যান পাভেল নেদভেদ।
পরের বছরই আবার জয় করেন গোল্ডেন ফুট,স্বর্ণখচিত প্লেটে অলংকৃত হয় নেদভেদিয়ান দু’পা…
ইতালিয়ান ফুটবল এসোসিয়েশনের নন ইউরোপিয়ান ফুটবল নীতিও তার ফুটবলকে দমাতে পারেনি,তবে তার ক্লাব ক্যারিয়ারে সবচাইতে বড় ঝাটকাটা খান ২০০৪-০৫ সিজনে,গোটা দু’মাসের জন্য সাইডলাইনড হয়ে যান হাঁটুর ইনজুরিতে পরে। নেদভেদের হতাশাকে আরও বাড়িয়ে তোলে জুভেন্টাসের কুখ্যাত “ক্যালসিওপলি” ম্যাচ ফিক্সিং স্ক্যানডালে জড়িয়ে পড়া,এই স্ক্যানডালে জড়িয়ে পরে জুভেন্টাস হারায় লিলিয়ান থুরাম আর ফ্যাবিও ক্যানাভারোর মত স্টার ফুটবলারকে। সিরি’য়া টাইটেল জিতেও রেলিগেশন জোনে চলে যেতে হয় জুভেন্টাসকে।
এত চাপ সামলে উঠতে না পেরে প্রথম দফায় অবসর নেন পাভেল নেদভেদ।
রেলিগেশনে পরে য়ূভেনটাসকে খেলতে হয় সিরি’য়া বি তে, পাভেল নেদভেদ এর ল্যয়ালটি নেদভেদ কে আটকে রাখে এই তুরিনের আঙ্গিনায়ই। ১১ গোল করে য়ূভেনটাসকে ২০০৬-০৭ সিজনে সিরি’য়া বি থেকে এ তে উন্নীত করেন পাভেল নেদভেদ। য়ূভেনটাসকে ফিরিয়ে এনে ২০০৭-০৮ সিজনে দোর্দণ্ড প্রতাপে খেললেও ০৮-০৯ সিজনে ইউরোপিয়ান ফুটবলে আপন রাজত্বের ফাইনাল টাচটা দেখতে পারছিলেন পাভেল নেদভেদ,তাইতো অবসরের পূর্ব ঘোষনা দিয়ে দেন ২০০৮-০৯ সিজনে…
ইউরোপিয়ান কম্পিটিশনের শেষ ম্যাচটি খেলেন তার সাবেক দল লাৎজিওর সাথে।তুরিনের #Old_Lady এর সাথে ২০০১-০৯ পর্যন্ত ক্যারিয়ার সবচাইতে এপেক্স পিরিয়ডটা কাটান এই চেক সম্রাট পাভেল নেদভেদ।
মোট ৮ সিজনে ২৪৭টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৫১ টি গোল করে য়ুভেনটাসকে এনে দেস অজস্র সাফল্য ডালি।
য়ূভেনটাসের হয়ে জেতেন ২টি সিরি’য়া টাইটেল ও ২টি কোপা ইতালিয়া,তবে নেদভেদিয়ান ব্যক্তিগত অর্জনের ডালাটা কানায়-কানায় পূর্নতা পায় এই য়ূভেনটাসেই।
•• নেদভেদিয়ান জার্নি টু ন্যাশনাল টিম
১৯৮৮ সনে মাতৃভুমির হয়ে প্রথম ডাক পান তরুণ পাভেল নেদভেদ। তবে ৯৪-এ এসে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেংগে গেলে চেকোস্লোভাকিয়া বিভক্ত হয়ে যায় দুটি কানট্রিতে,নেদভেদের আইডেনটিটি তখন শুধুই চেক,চেক রিপাবলিকান। ৯৪-এ রিফর্ম চেক রিপাবলিক ফুটবল টিমের হয়ে অভিষেক হয় নেদভেদের আয়াল্যানডের বিপক্ষে,তবে দেশের হয়ে প্রথম ম্যাজর টুর্নামেনটটি খেলেন নেদভেদ ৯৬এর ইউরোতে,সিনিয়র কারিয়ারের প্রথম গোলটিও পান এসময়ে। রোড টু ফাইনালে সেমিতে গোল্ডেন গোলের সুবাদে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বচিত হন নেদভেদ,তবে ফাইনালে গিয়ে স্ট্রং জার্মানির কাছে পরাজিত হয় নেদভেদের চেক রিপাবলিক ২-১ গোলে..!

••নেদভেদিয়ান আর্মব্যান্ড
ইউরো ২০০এর পর দেশের ঝান্ডা বহনের গুরু দায়িত্ব অর্পিত হয় পাভেল নেদভেদ এর উপর। ২০০৪ ইউরোতে চেক রিপাবলিকের নেতৃত্ব দেন নেদভেদ,গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শক্তিশালী হল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯ মিনিটের মাথায়ই ২-০ গোলে পিছিয়ে যায় তার দল,কিন্তু নেদভেদের অসামান্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ মার্কিং পারফর্মেনসে ম্যাচটি শেষ হয় ৩-২ গোলে চেক রিপাবলিকের জয় দিয়ে।
তবে সেমিতে এসে মাইটি গ্রিকদের কাছে পা হড়কায় নেদভেদের চেক রিপাবলিক…!
২০০৬ এর বিশ্বকাপের কোয়ালিফাইংয়ে যখন তার দল তখন তিনি অবসরে,তবে চেক রিপাবলিক গঠনের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয় তার দল। তিনি ফিরে আসেন অবসর ভেংগে। ইউএসএর সাথে প্রথম ম্যাচ জিতেও যায় চেক,তবে কি প্লেয়ারদের ইনজুরি ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় নেদভেদের চেক রিপাবলিককে। পরের দুটো ম্যাচ হেরে বাদ পরে যায় তারা।
•• আলভিদা পাভেল নেদভেদ
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তার ৯১তম ম্যাচটিতে এসে আবার তিনি অবসরের ঘোষণা দেন,তবে সার্বিয়ার সাথে ঐ ম্যাচটিই হয়ে যায় তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। পরবর্তিতে টিমমেটদের অনেক অনুরোধও তাকে ফেরাতে পারেনি জাতীয় দলে…
এখন পর্যন্ত চেক রিপাবলিকের ইতিহাস সেরার রাজ মুকুটটি তার দখলে

•• ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শে পাভেল নেদভেদ
ব্যক্তিগত জীবনে এই গুড লুকিং ফুটবল লেজেন্ড কিন্তু একদমই প্লেবয় নয়,১৯৯২ সালে বিয়ে করা স্ত্রী ইভানাকে নিয়েই আজ পর্যন্ত তার সংসার। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে,এক ছেলে-এক মেয়ের নামটাও রেখেছেন নেদভেদ তার বাবা-মার নামে ‘ভ্যাকলাভ ও এনা’

••নেদভেদিয়ান অর্জন••
• গোল্ডেন বল চেক রিপাবলিক ৬বার
•চেক ফুটবলার অব দ্য ইয়ার ৯৮,২০০০,০৩,০৪
•সিরি’য়া ফুটবলার অব দ্য ইয়ার ২০০৩
•উয়েফা বেস্ট মিডফিল্ডার অব দ্য ইয়ার ২০০২-০৩
•উয়েফা টিম অব দ্য ইয়ার ২০০৩,০৪,০৫
•ব্যালন ডি’অর ২০০৩
•গোল্ডেন ফুট প্রেস্টিজিয়াস এওয়ার্ড ২০০৪
•ফিফা হানড্রেড ২০০৪
•FIA International Personality ২০১২
ছোট নগরের এই বড় সম্রাট,যেখানেই থাকুক না কেন ভাল থাকুক আপন মহিমায়,জড়িয়ে থাকুক অজস্র ভক্তের ভালবাসার মায়া বন্ধনিতে…Long Live The Czech Cannon “PAVEL NEDVED”

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

12 − 10 =