পর্দার আড়ালে…

এগুলো শুনলে ফুটবল খেলার প্রতিও প্যাশন আস্তে আস্তে কমে যায় স্রেফ। সত্য মিথ্যা অনেক পরের ব্যাপার।
ব্রাজিল ন্যাশনাল টীম দুঙ্গাকে স্যাক করার পরে এপ্রোচ করে কোরিন্থিয়াস কোচ তিতেকে। গতকাল ফেডারেশনের সাথে ৩ ঘন্টার বৈঠকের পরেও যখন ফাইনাল কিছু আসে না, ভেবেই নিলাম পেমেন্ট নিয়ে হয়তো গ্যাঞ্জাম।
আজকে হঠাৎ টুইটারে নিউজ পেলাম, আসল নেগোশিয়েশন আর বাহাস আসলে কাজ করার স্বাধীনতা নিয়ে। স্বাধীনতা বলতে কেমন স্বাধীনতা?? ট্যাকটিকস আর টীম সিলেকশন তো কোচ ফুটবলে সবসময় করেন। এর বাইরে এই লোক আসলে কী চান?? আসল কথা নাকি ফেডারেশন থেকে কোচদের ফোর্স করা হয় নির্দিষ্ট এজেন্টদের খেলোয়াড়দের নেওয়ার জন্যে। এখানে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো কাকতালীয় আর দু:খজনকভাবে দুঙ্গার আমলের সারপ্রাইজ পিক এলিয়াস, রেনাতো অগাস্টো আর গিলের এজেন্ট সেইম। দুইয়ে দুইয়ে চার মেলালে খারাপ লাগে। অনেক খারাপ! আর এটা নিয়েই তিতে আর ফেডারেশনের সাথে গ্যাঞ্জাম। তিতে এইসব কন্ডিশনের বাইরে যেয়ে কাজ করতে চান।

আজকে এখন বুঝি ব্রাজিলের মানুষজন কেন বিশ্বকাপের আগে টুর্নামেন্টের খরচার বহর দেখে সরব প্রতিবাদ করেন। আজকে এখন বুঝি কেন রোমারিওর মত বিশ্বকাপজয়ী লিজেন্ড সেই দেশটার ফুটবল অবকাঠামো নিয়ে বারবার প্রতিবাদে সরব।

আসল করাপশনের ছবিটা কত ভয়াবহ সেটা আল্লাহ মাবুদ জানেন। কিন্তু আমি যেটা জানি সেটা হচ্ছে ৮/৯ বছর বয়স থেকে যে দলটার প্রতি একটু একটু করে আবেগ নিজের ভিতরে গড়ে উঠেছে, সে আবেগ নিয়ে কতগুলো দুর্নীতিবাজ সংগঠকদের খেলা করতে দেখলে খারাপ লাগে।

ব্রাজিল ফুটবল যেন এক টুকরো বাংলাদেশ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

4 × 5 =