নতুন মৌসুমে কিভাবে সাজছে বার্সেলোনা?

নতুন মৌসুমে কিভাবে সাজছে বার্সেলোনা?
বর্তমান বার্সেলোনা স্কোয়াডে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ২৬ । স্কোয়াড সত্যিই অনেক বড়, স্পেশালি মিডফিল্ডে অনেক খেলোয়াড় আছে। কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে গত মৌসুমে ১৪-১৫ প্লেয়ারের খেলিয়েই পুরো মৌসুম শেষ করেছে। ভালভার্দে প্রতি ম্যাচের জন্য ১৮ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করে, সেখানে এবার খেলোয়াড় আরো বেশি থাকছে ৮ জনের মত। অনেক অনেক বেশি খেলোয়াড় কিন্তু আসল কথা দলকে কে কতোটুকু দিতে পারবে, এটা। স্কোয়াডের প্রত্যেকটা খেলোয়াড়কে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। প্রতিটা খেলোয়াড়কে নিজেদের জায়গার জন্য লড়াই করতে হবে। প্রতিটা খেলোয়াড়কে এটা অনুভব করাতে হবে যে তুমি গুরুত্বপূর্ণ দলের জন্য । প্রতিটা পজিশনে সবাই নিজেদের সেরাটা দেয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবে, সেরাটা বের করে নিতে হবে ভালভার্দে কে। যে যখনই সুযোগ পাবে নিজের পজিশনে থাকা অন্য খেলোয়াড়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিবে, বলবে – নাও, আমিও পারি। প্রতিটা খেলোয়াড়ের নির্দিষ্ট ভূমিকা থাকবে দলে, তাকে তার ভূমিকা পালন করতে হবে যখনই সে সুযোগ পাক। আমি জানিনা ভালভার্দে খেলোয়াড়দের সাথে কতোটা স্বচ্ছন্দ কিন্তু তাকে তার স্কোয়াডের সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ বানাতেই হবে। গত মৌসুমে পিএসজি,এভারটন অনেক টাকা খরচ করেছে কিন্তু বলার মতো কিছু পায়নি । হয়তো আরো ২-৩ টা প্লেয়ার বিদায় নিবে ক্লাব থেকে ।
 
অনেকেই রোমা ট্রাজেডিটার ক্ষেত্রে মনে করেন ছোট স্কোয়াডে খেলোয়াড় ক্লান্ত ছিলো তাই বার্সেলোনা হেরেছে, আমি তা মনে করিনা । বার্সা হেরেছে ভালভার্দের রক্ষণাত্মক কৌশলের জন্য। এ মৌসুমেও যদি এমন মদ খেয়ে কোন কৌশল ব্যবহার করে তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের আশা এবারও শেষ। যাই হোক বার্সেলোনা টানা ৩ মৌসুমেই চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়ার পর এবার চোখ খুলেছে বোর্ডের । এ সিজনে আর্তুরো ভিদালের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের সাথে তরুণ ম্যালকম, ক্লেমেন্ত লেংলেত,আর্থার মেলো কে দলে নিয়ে আসার কারণে দলের অনেক গভীরতা এসেছে। বেঞ্চে যোগ্য খেলোয়াড় নাই খেলোয়াড় নাই অনেকদিনের অভিযোগ, যদিও কবে খুব বেশি গভীরতা ছিলো বার্সেলোনা স্কোয়াডে তা আমার জানা নাই । তবে বার্সেলোনা স্কোয়াডে এখনো একটা লেফট উইংগার দরকার, ফিলিপ্পে কউতিনহো কে ঠিক সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবেও ব্যবহার করা যাচ্ছে না আবার পুরোদস্তুর উইংগার হিসেবেও না । গত ম্যাচ দেখে মনে হচ্ছে এ মূহুর্তে সবচেয়ে জরুরি সেন্টার ফরোয়ার্ড। কার্লেস অ্যালেনা, মিরান্ডা দলে এলে তা অনেক খুশির খবর হবে ভক্তদের জন্য। এ মৌসুমে সার্জি সাম্পার, মুনির এল হাদ্দাদি, ডেনিস সুয়ারেজ, রাফিনহা আলকানতারা দের প্রমাণ করার বছর, না পারলে ক্লাব ছাড়তে হবে এটা নিশ্চিত। প্রাক মৌসুমে তরুণদের পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো, নতুনরাও ছিলো বেশ গোছালো, বিশেষত আর্থার মেলো, ক্লেমেন্ত লেংলেত। তবে তাদের নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সময় দরকার, আস্থা না হারিয়ে ধৈর্য ধরতে হবে। আর্থার আমাদের বর্তমান, ভবিষৎ তবে সময় দরকার তারও। স্কোয়াড কতোটা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার মতো সেটা নক আউট রাউন্ডে গেলেই বুঝা যাবে, কিন্তু আমার ভয়ের নাম আর্নেস্তো ভালভার্দে। লুইস সুয়ারেজের ফর্ম যাচ্ছেতাই চ্যাম্পিয়নস লিগে, চ্যাম্পিয়নস লিগে সুয়ারেজকে ছাড়া স্কোয়াড কি ভালভার্দে সাজাবে কিনা সেটা সময় বলে দিবে । এতদিন জাভি নেই জাভি নেই বলে চিৎকার করতাম এখন জাভি-ইনিয়েস্তা নাই বলে চিৎকার করতে হবে। ওদের ছাড়া বার্সেলোনা মিডফিল্ড কতোটা কার্যকরী হয় সেটাই দেখার বিষয়। তাহলে দেখি আমাদের স্কোয়াডে কোন পজিশনে কে কে আছে-
 
গোলকিপার
বার্সেলোনা বোধ হয় এ জায়গাটায় স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলতেই পারেনা। পুরো মৌসুমে গোলকিপার লাগে ৩টা, কিন্তু আছে দুইটা । অটো চয়েজ মার্ক আন্দ্রে টার স্টেগেন, এবং বিশ্বসেরা ব্যাক আপ ইয়াসপার চিলেসেন। অর্তোলা দেপোর্তিভোতে যোগ দেয়ায় ৩য় গোলকিপার নেই আমাদের। যদি চিলেসেন ক্লাব ছাড়ে তবে শক্তিশালী কাউকে আনতেই হবে। আমি চাই চিলেসেন থাকুক তবে তাকে কিছু লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে সুযোগ দিক তাতে টার স্টেগেন বিশ্রাম পাবে। চিলেসেন খেললেও নির্ভার হয়ে খেলা দেখা যাবে, কারণ চিলেসেন যেকোনো দলের ১ম গোলকিপার হওয়ার দাবিদার।
 
রাইট ব্যাক
এ জায়গায় ২টা খেলোয়াড় লাগে, আমাদের ২ টা হাইপ্রোফাইল রাইটব্যাক আছে। সার্জি রবার্তো হয়তো এ সিজনে রাইট ব্যাক থাকতেও পারে, তবে বড় ম্যাচগুলোতে রবার্তোই খেলবে এটা নিশ্চিত। আর নেলসন সেমেদো দিন দিন নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে নিচ্ছে। এ মৌসুমে সেমেদো বেশিরভাগ ম্যাচ খেললেও অবাক হব না, আর তাই যদি হয় তবে রবার্তো মিডফিল্ডে খেলবে। বার্সা বি এর নতুন আসা ওয়াগি সেমেদোর ব্যাক আপ হবে যদি রবার্তো মিডফিল্ডে পাকাপাকিভাবে খেলতে থাকে। বলতেই পারি আমাদের রাইটব্যাক নিয়ে ভাবার কিছুই নাই।
 
লেফট ব্যাক
রাইটব্যাকের মতো এ পজিশন নিয়েও বেশি ভাবার নাই বার্সেলোনা এর। ফর্মে থাকা অটো চয়েজ ফেরারি জর্ডি আলবা যে আছে এ জায়গায়। ব্যাকআপ থাকা লুকাস ডিনিয়ে এভারটনে যোগ দিয়েছে, তবে লা মাসিয়ান দুই প্রোডাক্ট নিয়েই পরিকল্পনা বোর্ড আর কোচের। কোচ চাচ্ছে মিরান্ডাকে, আর বোর্ড কুকুরেল্লা কে। তবে জুয়ান গাম্পার ট্রফিতে মিরান্ডা শুরুর একাদশে ছিলো এবং এটা স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে আলবার ব্যাক আপ মিরান্ডাই হচ্ছে। মিরান্ডা তরুণ তবে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিশীল ও প্রতিভাবান, শুধু যত্ন দরকার । মিরান্ডা মূল দলে চলে আসলে কুকেরেল্লা ক্লাব ছাড়বে এটা সত্য, কারণ কুকুরেল্লা মূল দলে আসতে চায় কিন্তু কোচ যেহেতু মিরান্ডাকে বেশী পছন্দ করছে তাই কুকুরেল্লার ক্লাব ছাড়াটা অনেকটাই নিশ্চিত এখন। তবে ভাবনা আছে যদি জর্ডি আলবা ইঞ্জুরিতে পড়ে, মূল দলের চাপ নিতে পারবে ত মিরান্ডা? ভালভার্দে ঝুঁকি নিবেনা সম্ভবত তাই লেফটব্যাক হিসেবে মাঝে মাঝে রবার্তোকে খেলতে দেখা যেতেও পারে । তবে যাই হোক এ পজিশনের বর্তমান, ভবিষৎ সুরক্ষিত আমাদের।
 
সেন্টার ব্যাক
এ পজিশনে লাগে ৪ জন, আমাদের আছেও ৪ জন। জেরার্ড পিকে আর স্যামুয়েল উমতিতি বর্তমান সেরা ডিফেন্সিভ জুটির একটা সন্দেহ নাই। পিকের বয়স ৩১ আগের থেকে গতি কমে গেছে কিন্তু আরো ২-৩ মৌসুম পিকের কাছ থেকে ভালো সার্ভিস পাবো এটা নিশ্চিত। বিকল্প হিসেবে থাকছে নতুন দলে আসা ক্লেমেন্ত লেংলেত,আর অভিজ্ঞ থমাস ভার্মালেন। ইঞ্জুরিহীন ভার্মালেন মূল দলে খেলার মতো সেটা গত মৌসুমে সবাই দেখেছি। কিন্তু টিমে বাম পায়ের সেন্টারব্যাক ৩ টা, ডান পায়ের একমাত্র পিকে। অনেক দলেই দেখেছি দুটো করে ডানপায়ের বামপায়ের থাকে। আগামি মৌসুমে ম্যাথিস ডি লিট সম্ভাব্য মূল টার্গেট, তার বাহিরে অন্য কেউ হতেও পারে। যেহেতু অনেকেই পিকের পরিবর্ত হিসেবে ডি লিট কেই ভাবে তাই আমিও এ নামটাই নিলাম। এ পজিশন নিয়েও কিছু ভাবার নাই আমার মতে । আর ভালভার্দের ডাবল পিভট পজিশনে ডিফেন্স এমনিই শক্ত থাকবে।
 
সেন্টার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড
এ পজিশনে প্লেয়ার আছে ৪ টা। যেহেতু ভালভার্দে ডাবল পিভট খেলাবে, সেখানে দুজন নিয়মিত খেলবেই। সার্জিও বুসকেটস ও ইভান রাকিটিচ মূল একাদশে থাকবে এটা ১০০% নিশ্চিত। তাদের সাথে মাঝে মাঝে খেলবে আর্তুরো ভিদাল, ভাবার খুব বেশি কিছু নাই এ পজিশন নিয়েও। আবার থাকছে লা মাসিয়ান সার্জি সাম্পার, আমি চাই সাম্পার এ মৌসুমে থাকুক বার্সেলোনায়। নিজেকে প্রমাণ করুক, সুযোগ দিক কোচ, না পারলে পাকাপাকিভাবে বিক্রি করে দিবে। তবে ভালভার্দে সাম্পারকে খেলানোর সাহস দেখাবে কি না সেটা সময় বলে দিবে। তবে বুসকেটস এর অভাব পূরণ করার কেউ নাই এদের মাঝে। কিন্তু আমাদের এটাও ভাবতে হবে জাভি-ইনিয়েস্তা-বুসকেটস এরা একজনই হয়।
 
সেন্টার মিডফিল্ড
এ পজিশন মাথা ব্যথার কারণ সবারই। একে তো জাভি হার্নান্দেজের রিপ্লেসমেন্ট পাইনি, তার উপরে এ মৌসুমে থেকে অ্যান্দ্রেস ইনিয়েস্তা নাই। এ পজিশনে খেলোয়াড় আছে অনেক কিন্তু কাজের আছে কে কে? ফিলিপ্পে কতিনহো কে ঠিক ইনিয়েস্তার জায়গায় খেলানো যাচ্ছে না। কতিনহোকে দিয়ে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের মতো সৃষ্টিশীলতা পাওয়া যাবেনা কিন্তু গোল, অ্যাসিস্ট ঠিকই পাওয়া যাবে। তবে কউতিনহো যদি নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে ঘষেমেজে তবে ভালো কথা। সেখানে সাপোর্ট দিতে হবে ভালভার্দেকে। সিটির মাঝ মাঠের দুই প্রাণভোমরা কেভিন ডে ব্রুইনিয়া-ডেভিড সিলভা কেউই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার না, পেপ গার্দিওলা এদের ঘষেমেঝে কন্ট্রোলার বানাইয়ে ফেলেছে, বিশেষ করে ডে ব্রুইনিয়াকে। তাই কোচ+কউতিনহো মিলে যদি কিছু করে তবে ভালোই হবে। রাকিটিচ কে পুরোদস্তুর কন্ট্রোলার হিসেবেও পাওয়া যাচ্ছেনা। কন্ট্রোলার থেকে ও সিডিএম পজিশনেই বেশি ভালো। তার ওয়ার্ল্ড কাপ সাফল্য কিন্তু সিডিএম খেলেই পেয়েছে। আর্থার মেলো, ডেনিস সুয়ারেজ, রাফিনহা, আর্তুরো ভিদাল, এলেনা, সবাই তরুণ (ভিদাল ছাড়া) কিন্তু মূল একাদশে খেলার মত কে আছে? প্রি সিজনে আর্থার অনেক ভালো ছিলো কিন্তু সে একদম নতুন তার সময় দরকার । রাফিনহার খেলায় মুগ্ধ আমি, ইঞ্জুরি ছেলেটার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। আমি চাই রাফিনহা থাকুক, তার ভার্সেটাইলিটি অনেক সাহায্য করবে দলকে। সে সেন্টার মিড ছাড়াও উইং এবং এট্যাকিং মিডে খেলতে পারে। ডেনিস সুয়ারেজ প্রতিভাবান তবে কেন জানি মনে হচ্ছে ডেনিসের বার্সা ক্যারিয়ার শেষ। পছন্দ আবেগ দিয়া সাফল্য আসেনা, তবে সেও যদি থেকে কিছু করতে পারে তবে ভালোই। এলেনা প্রমোটেড, হয়তো কোপার ম্যাচে দেখা যাবে আর যেহেতু এলেনা লং টার্ম প্রসেস তাই ধীরে ধীরে সে নিজের পজিশন নিক সেটাই চাই। এ সিজন রাফিনহা, ডেনিস দের প্রমাণের বছর তা না হলে বিক্রি হবে নিশ্চিত। তবে ভরসার নাম ”মিস্টার অলরাউন্ডার” সার্জি রবার্তো। মিডফিল্ডের যেকোনো পজিশনে খেলতে পারে সে, আর নেলসন সেমেদো রাইট ব্যাক হিসেবে খেললে মিডফিল্ডে আমাদের মূল ভরসার নাম সার্জি রবার্তোই হবে। হয়তো সে জাভি-ইনিয়েস্তাদের মতো না কিন্তু সে কিছুটা হলেও ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে পারবে। একঝাঁক তরুণদের প্রমাণের এই মৌসুমে ম্যাচ জেতানোর মত কে আছে?? কিছু ম্যাচে দেখা যেতে পারে ফিউচার স্টার রিকি পুইগ কে, তাকে নিয়া উত্তেজিত না হওয়াই ভালো। সে সময়েই গেছে, সময়েই আসবে এবং বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করবে ইনশাল্লাহ।
 
উইংগার
প্রথাগত কোন লেফট উইংগার দলে নাই। টিমে উইংগার আছে ৪ টা কিন্তু তার মাঝে ৩ জনই রাইট উইংগার। লেফট উইংগার একমাত্র কউতিনহো। যদি ম্যালকম/দেম্বেলে লেফট উইং সামলাতে পারে তাহলে চিন্তার কোন কারণ নাই আমাদের, আর না পারলে কউতিনহোই ভরসা হয়ে থাকবে। রাইট উইং এ মেসি ছাড়াও রয়েছে ওসমানে দেম্বেলে/ম্যালকম। দুজনেরই একাদশে জায়গা পাওয়ার মতো যোগ্যতা আছে, ম্যালকমের খেলা দেখে মনে হয়নি সে নতুন এসেছে। আর দেম্বেলের প্রমাণের মৌসুম এটা, অনেক চাপ তার কাছে, খারাপ খেললে জায়গা হারাতে হবে।
 
সেন্টার ফরোয়ার্ড
বার্সেলোনা দলে স্ট্রাইকার আছে ৩ জন, লাগে ২ জন। সুয়ারেজের ফর্মের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আরেকটা স্ট্রাইকার দরকার এ মৌসুমেই। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে চাইলে স্ট্রাইকার দরকার অথবা সুয়ারেজ ছাড়া একাদশ সাজাতে হবে। পাকো অ্যালস্যাসের, মুনির এল হাদ্দাদি আছে কিন্তু তারা কতোটা সার্ভিস দিবে সেটা আল্লাহ ভালো জানে। পাকো অ্যালস্যাসের বিক্রি হতে পারে এ মৌসুমেই, মুনির এল হাদ্দাদি থাকছে। দেখা যাক কি করতে পারে সে, না পারলে প্রথাগত স্ট্রাইকার ছাড়াই খেলতে হবে মেসিকে ফলস নাইন বানিয়ে। সুয়ারেজ যতোই ফর্মে ফিরুক চ্যাম্পিয়নস লিগে উনি ফর্মহীন টানা ৩ মৌসুম ধরেই। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে চাইলে সুয়ারেজকে বাদ দিতেই হবে, হতেও পারে সুয়ারেজ ৩ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার নায়ক হয়ে যায়। সবই ভাবনা, আর একটা একটা ম্যাচ যাবে আর ভাবনা বাড়বে।
লিখেছেন – সাজ্জাদ ঈমন

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

fifteen + 2 =