দেশের ক্রিকেটের কথাও মাথায় রাখুন

::::: কাইয়ুম জয় :::::

ফুটবলে এতোদিন দেখে এসেছি ফ্যানরা বেকহ্যাম,রোনালদিনহো,ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো,মেসিদের শুধু মাত্র টাচ করার জন্যে নিরাপত্তার জাল পেরিয়ে মাঠে ঢুকে যায় এবং এরজন্যে তাদের বেশ ঝামেলাও পোহাতে হয়। অনেক সময় তাদের সপ্নের নায়কেরা তাদের সাথে হাত মেলান,জড়িয়ে ধরেন বা সেল্ফি তোলেন।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে মাশরাফি ক্যারিয়ার শুরু করার পর থেকে সমসাময়িক বেটার পারফর্মার সবসময়ই দলে ছিলো।হাবিবুল বাশার,মোহাম্মদ আশরাফুলদের পর এলেন সাকিব আল হাসান,তামিম ইকবালরা।এবং এরপরে বর্তমান হার্টথ্রব নাসির,সাব্বির,মুস্তাফিজরা।
অথচ কেউই বার্তমান ওয়ান ডে অধিনায়ক থেকে কোনভাবেই বেশী ফ্যান ফেভারিট ছিলেন না যদিও র‍্যানকিং, মার্কেট ভ্যালু তাদের অনেকেরই মাশরাফির থেকে উপরে।
তবে আমি কোনদিনো ভাবি নাই ইউরোপিয়ান ফুটবলের ফ্যানদের এই ক্রেইজ বাংলাদেশের এক ক্রিকেটারও এঞ্জয় করতে পারবে লাইভ ম্যাচের মধ্যে যার জন্যে খেলা থেমে যাবে, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা একটু ঈর্ষা নিয়ে সেটা দেখবে,নিজের দলের সতীর্থরা দেখে গর্ব করবে আর ভাব্বে আমার জন্যেও যদি এমন কেউ করতো,নিরাপত্তারক্ষীরা মাঠে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে যাবে এবং গ্যালারীর সবাই ভাব্বে ইশ আমিও যদি এইভাবে কোলাকুলি করতে পারতাম।
ধন্য তুমি মাশরাফি ভাই। তুমি হয়তো র‍্যানকিং এ টপে নাই,দেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী না তুমি কিন্তু তুমিই একজন মানুষ যার জন্যে হাজার ভাগে বিভক্ত বাংলাদেশীরা একমনে দোয়া করে,একভাবে ভালোবাসে এবং একইভাবে গর্ববোধ করে।
বি.দ্র. আজ এভাবে মাঠে ঢুকে যিনি আমাদের একটা অনন্য ব্যাপার দেখালেন সেটা এইটুকেই সীমাবদ্ধ থাক।আশা করি এভাবে হুট করে কেউ এমন করবেন না। সামনে ইংল্যান্ড সিরিজ এবং সিকিউরিটির এই ধরনের ব্রীচ নয়ে ব্রিটিশ টিম এবং ম্যানেজমেন্ট চিন্তিত হয়ে হাউকাউ করলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। দেশের ক্রিকেটের কথাটাও মাথায় রাখি আমরা সবাই।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

5 × 3 =