দুঙ্গার সাতে সাত !

ফ্রান্স ১ – ৩ ব্রাজিল
(ভারানে’২২)(অস্কার’৪১… নেইমার’৫৭…গুস্তাভো’৬৯)

CBEVuccUwAApgbE

১৯৯৮ এর ফাইনালের মাঠ ছিলো , দুই ফাইনালিস্ট দল ছিলো , কোচ হিসেবে ছিলেন দুই দলের অধিনায়ক , মাঠে বসে খেলা দেখেছেন সেদিনের দুই মূল কুশীলব জিদান ও রোনালদো । আবেগাতুর হবার উপাদান ছিলো যথেষ্ট । তবে শেষমেষ আবেগ সরিয়ে প্রীতি ম্যাচ আর প্রীতিম্যাচ থাকে নি । দুই দলই খেলেছে দারুন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল ।

ভারানের ২২ মিনিটের করা হেডের গোলে ঐতিহ্যবাহী স্তাঁদে দা ফ্রান্সের ভরা গ্যালারিতে ১-০ গোলের লিড পায় স্বাগতিক ফ্রান্স । ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র ফিরমিনোই ততক্ষণ পর্যন্ত যা একটু সমস্যা করছিলেন ফ্রেঞ্চ গোলি মানদান্দার জন্যে । ভালো কিছু দূরপাল্লার প্রচেষ্টা ছিলো ফিরমিনোর । নেইমার আর অস্কারকে ততক্ষণ লাগছিল দারুন ক্লান্ত আর খাপছাড়া ।

তবে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরালেন অস্কারই । ফ্রান্সের সাথে গোল পেয়েছিলেন ২০১৩ সালের ফ্রেন্ডলিতেও । ফিরমিনোর বাড়িয়ে দেয়া বলে নিজের ১২তম আন্তর্জাতিক গোল করতে ভুল করেন নি অস্কার ।

অস্কারের গোলে সমতা
অস্কারের গোলে সমতা

বিরতির পরে শুধুই ব্রাজিল । উইলিয়ানকে ম্যাচ গড়ানোর সাথে সাথে আরো ধারালো লাগছিলো । তার ফলও ব্রাজিল পায় একসময় উইলিয়ানের এসিস্টে গোলখরায় ভুগতে থাকা নেইমার নিজের ৪৩ তম আন্তর্জাতিক গোল পেলে ।

অবশেষে নেইমারের গোল
অবশেষে নেইমারের গোল

পোর্তোর দ্যানিলো আর চেলসির ফেলিপে লুইসকেও বিরতির পরে অনেকটা আত্মবিশ্বাসী লেগেছে । ফ্রান্সের সর্বনাশের ষোলোকলা পূরণ হয় ৬৯ মিনিটে সারা ম্যাচ দারুন খেলা লুইস গুস্তাভো কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে ফেললে । তারপরে বেশ ভালো কিছু সেইভ করতে হয়েছে দুই গোলকিপারকেই । তবে স্কোরশিটে আর নাম উঠে নি কোন দলেরই ।

ম্যাচের পরে নেইমার
ম্যাচের পরে নেইমার

ম্যাচের পরে নেইমারঃ “জাতীয় দলের হয়ে গোলের রেকর্ড নিয়ে আমি ভাবি না । দলকে সাহায্য করাই আমার মূল লক্ষ্য ।”

দুঙ্গার ২য় মেয়াদে ব্রাজিলের এটি ৭ম ম্যাচ । ব্রাজিল জিতলো সবগুলোই । তাতে গোল দিয়েছে ১৭ টি আর হজম করেছে ২টি ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

two + 1 =