দীর্ঘজীবী হন ম্যাশ!

ক্রিকেট বুঝতে শিখেই Steve Waugh এর দলকে রাজত্ব করতে দেখলাম। সেটা সেই ৯৮-৯৯ সালের কথা। শতাব্দীর শেষ বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নেতৃত্বে আর সেমিতে করা সেই সেঞ্চুরির সুবাদে অসিরা আবার বিশ্বসেরা হয়। আমাদের লাল সবুজের পতাকা সেবারই প্রথম বিশ্বমঞ্চে উড়ে এবং পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকে হতবাক করে আমাদের আগমনী বার্তা ঘোষণা।
ওয়াহ এর প্রতি মুগ্ধতা ছিল, আছে, থাকবে! উনি কিংবদন্তী। বাংলাদেশের হার দেখতে দেখতে ভাবতাম,
” আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
Steve Waugh এর মতো নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় আনবে?”
২০০৫ এ আমরা ওয়াহ এর দেশকে হারাই, ভারতকে হতবাক করে দেই, জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম সিরিজ জয়! প্রথম টেস্ট জয়!
সাকিব আল হাসান আসার পরে মনে হয়েছিলো, “পাইলাম, অবশেষে নায়ককে, সুপারম্যানকে পাইলাম”
২০১০ এ আমরা কিউই দের বাংলা ওয়াশ করি প্রথমবার! ২০০৯ এ ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিরিজ জয়- এসব সাকিব বীরত্বে এসেছিল। অধিনায়ক সাকিব যে ইতিবাচক মানসিকতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, ২০১১ বিশ্বকাপে ৫৮ আর ৭৮ কাণ্ডে, পরে জিম্বাবুয়েতে সিরিজ হারে, তাতে চিড় ধরে। এরপর মুশফিকের ২০১৪ সাল খুব খারাপ যায়, শেষের দিকে ম্যাশ এলেন দৃশ্যপটে।
জিমাবাবুয়েকে ধোলাই দিয়ে ১৪ সালের জ্বালা জুড়াল! ২০১৫ তে আমরা ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তানকে ধোলাই করি। বিশ্বকাপে ইংলিশদের ধরাশায়ী করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠি।
Steve Waugh এর জয়ের মূল মন্ত্র ছিল ইতিবাচক মানসিকতা, আমাদের ম্যাস ঐ মন্ত্রেই জয় করলেন বিশ্ব!
পাইলাম, বাংলার ওয়াহ কে পাইলাম!
দীর্ঘজীবী হন ম্যাশ!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen + 19 =