দিন আজ পর্তুগালের

যতোই গ্রুপ স্টেজে লুথা মার্কা ফুটবল খেলে শুধু ড্র করে নকআউট স্টেজে আসুক ফাইনাল ম্যাচটা ফাইনালের মতোই খেলছে পর্তুগাল।
নিজেদের কি’ প্লেয়ার ক্রিশ্চিয়ানোকে শুরুতেই ইঞ্জুরির জন্য হারিয়ে ফার্স্ট হাফটা ছিলো কোনরকমে এ্যাটাক ঠেকানোর।
ফ্রান্সের ব্যর্থতার শুরুও ঠিক এই জায়গাতেই।
ঐরকম নড়বড়ে অবস্থাতেও গোল করতে না পারাটা তাদেরই ব্যর্থতা।
সেকেন্ড হাফ থেকে আবারো উজ্জীবিত হয়ে খেলা, সাইডলাইনে ক্রিশ্চিয়ানোরই যেনো কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা, টিমের বাকি সবার হাল ছেড়ে না দেওয়া….
ওভারঅল মেন্টাল কন্ডিশন এবং পারিপার্শ্বিকতা বিচারে আসলেও ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো।
বেস্ট কি সেকেন্ড বেস্ট তা নিয়ে বিতর্ক হতেই পারে, কিন্তু ওয়ান অব দ্য গ্রেট ফুটবলার তো অবশ্যই, সে হিসেবে অন্তত এবারের শিরোপাটা ক্রিশ্চিয়ানোর জন্য ভালোই ছিলো।
ম্যাচসেরা আমার কাছে পর্তুগাল কিপার, গ্রিজম্যানের প্রথম হেডার থেকে শেষ পর্যন্ত অস্থির সব সেভ।
শেষ করবো একটা কথা দিয়ে, যদিও আমার রাইভাল তারপরেও শুধু আর্জেন্টিনার জন্য এটুকুই হতাশা যে টিমের কি’ প্লেয়ার বলতে যা বোঝায় অন্তত তার জন্য কিছু করে দেখানোর আজ যে মেন্টালিটি ছিলো পর্তুগীজদের অন্তত এর ১০% ও যদি থাকতো তাহলে হয়তো মেসির মতো মানের একজন প্লেয়ারকে সমালোচনা কেউ করতোনা ‘জাতীয় দলের হয়ে ওর তো কোনো ট্রফি নেই’…….

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

7 + 10 =