তৃতীয় ওয়ানডে: কে কী বললো।

তৃতীয় ওয়ানডের আগের দিন কে কী বললো। কে কী ভাবছে।

‘If there is no counter, then what can we do? Can we kidnap him?’ -মুস্তাফিজুর সম্পর্কে অশ্বিন।

‘আমরা চেষ্টা করব সেরা একাদশ খেলানোর। চেষ্টা করব জিততে এবং বাংলাওয়াশ এড়িয়ে যেতে।’ -প্রেস কনফারেন্সে অশ্বিন।

‘They’re not quite minnows anymore, they’ve had one or two good performances but I think we are getting carried away a little bit. Beating India occasionally, and Pakistan or Sri Lanka, doesn’t send waves through the cricket world. Sorry, I don’t want to put a damper on your excitement for Bangladesh but nearly all Bangladesh’s good performances are at home. That doesn’t make the world of cricket sit up until you go to Australia or South Africa or New Zealand, and beat them in their countries, that will be a huge step and we will all take notice. Bangladesh can’t live on just an occasional or odd one-day performance win. They need to go abroad and start winning Test matches against the big boys. As I said, Australia, South Africa, New Zealand, England have all got much better Test sides in them in their countries. You’ve got to go and do that a bit.’ – Boycott told on ESPNcricinfo

রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়: মেলবোর্নে ঢুকবেন না বলেও মেলবোর্ন নিয়ে এত কিছু বলে ফেললেন। আজ মনে হয়, সে দিন যদি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বিরুদ্ধে না যেত, বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল জিতে টিম মাঠ ছাড়ত?
মুস্তফা কামাল: সেটা তো কখনও লুকোইনি। হার-জিত অন্য কথা। কিন্তু খেলাটাকে সে দিন যে ভাবে চালানো হয়েছিল, অভাবনীয়। শুধু ওই ম্যাচটায় কোনও প্রযুক্তি ব্যবহার হয়নি। কোনও ক্যামেরা ব্যবহার হয়নি। জায়ান্ট স্ক্রিনে লিখে দেওয়া হয়েছিল, ইন্ডিয়া জিতবে। এ সব চালাতে পারত দু’জন। আইসিসি প্রেসিডেন্ট বা চেয়ারম্যান। আমি আইসিসি প্রেসিডেন্ট যখন, নিশ্চয়ই এ সব করতে পারতাম না। তা হলে পড়ে থাকল কে? আমি সন্দেহ করেছিলাম, খারাপ কিছু ঘটতে যাচ্ছে। তার পর দেখলাম, ঘটেই যাচ্ছে। অন্যায় দেখলে আমি চুপ করে থাকব কেন? আইসিসি প্রেসিডেন্ট হতে পারি, লৌহমানব তো নই। যা বলেছি, সব সত্যি।
রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়: মানে, পরিচ্ছন্ন ক্রিকেট হলে আপনারা মেলবোর্ন কোয়ার্টার ফাইনালও জিততেন।
মুস্তফা কামাল: দৃঢ় বিশ্বাস, জিততাম। বিশ্বকাপে যে ক’টা বাংলাদেশ টিম আজ পর্যন্ত গিয়েছে, তার মধ্যে ওটাই সেরা ছিল। আমি মনে করি, অন্যায়-অবিচার না হলে আমরা আরও ভাল করতে পারতাম। -আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়কে দেওয়া সাক্ষাতকারে মুস্তফা কামাল।

‘আজ না দাঁড়ালে আর কবে ওর পাশে দাঁড়াব? ক্রিকেট টিম আমার কাছে সেনাবাহিনীর মতো। তুমি যদি তোমার অধিনায়কের সঙ্গে না থাকো, গুলি তুমি খাবেই। ক্যাপ্টেন ধোনি যদি বলে মাঠে আমাকে জীবন দিতে হবে, আমি তাই করব। আমাকে সেটা করার জন্য প্রস্তুতও থাকতে হবে!’ -ধোনি’র পাশে দাঁড়ালেন অশ্বিন।

‘প্রতিপক্ষকে শ্রদ্ধা করা খুব জরুরি। আপনি বলতে পারেন না যে ওদের কাছে হারটা অপমানজনক। ব্যাপারটা আসলে ও রকম নয়। একটা ভালো দল আমাদের হারিয়েছে এবং আমাদের সেটা মেনে নিতে হবে। এরপর যখন আমরা বংলাদেশে আসব, এটা জেনেই আসব যে দেশের মাটিতে ওরা সিংহের মতো খেলে। এই মাঠটাকে ওরা নিজেদের ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে।’ -প্রেস কনফারেন্সে অশ্বিন।

‘ড্রেসিংরুমে একটু আগেও কথা হয়েছে। বলা হয়েছে আমরা যদি প্রথম দুটি ম্যাচে হারতাম তাহলে শেষ ম্যাচে আমাদের ওপর চাপটা কেমন থাকত, কীভাবে খেলতাম আমরা। কাল যেন আমরা সেভাবেই খেলি। সবাই যেন সিরিয়াস থাকে। বিন্দু পরিমাণও ছাড় দেওয়া যাবে না।’ -প্রেস কনফারেন্সে নাসির হোসেন।

‘যে বনে বাঘ নেই সে বনে বিড়ালই বাঘ। আমাদের ১১ জনের মধ্যে অফ স্পিনার আর নেই তো, তাই হয়তো আমিই সেরা।’ – মাশরাফি বিন মুর্তজার বলা ‘নাসিরই এই মুহূর্তে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা অফ স্পিনার’ কথার প্রসঙ্গে রসিকতা করে।

‘ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজ জয়ের পর ওরা এখন ছন্দটা ধরে রাখতে চাইবে। ভারতের পর দক্ষিণ আফ্রিকাকেও যদি হারিয়ে দেয়, বোঝাই যাবে বাংলাদেশ দল নিজেদের কোথায় নিয়ে গেছে। এত দিন তাদের জিম্বাবুয়ের সঙ্গে তুলনা করা হতো। এরপর তা আর হবে না। তাদের অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের ভালো একটা ভারসাম্য আছে। আমরা একটু খর্বশক্তির দল নিয়ে যে যাচ্ছি, সেটাই একটু ভাবাচ্ছে আমাকে।’ -দক্ষিন আফ্রিকার পেসার আন্দ্রে নেল স্টেইন-ফিল্যান্ডারের ওয়ানডেতে না থাকা নিয়ে এখনই উদ্বিগ্ন।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

5 + 1 =