“ডু ইউ রিয়ালাইজ হোয়াট আই হ্যাভ জাস্ট ডান?”

ফুটবল ভক্তদের কাছে উদযাপনটা খুবই পরিচিত। আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে সিরি আ/বুন্দেসলিগা বা ইতালিয়ান ফুটবল-ভক্তদের কাছে। ডি বক্সের মধ্যে সুঠামদেহী এক স্ট্রাইকারকে আটকাতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারেরা, অত বেশী উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট বা দৌড়াদৌড়ি নেই যার, শুধু অপেক্ষা করছেন একটা পারফেক্ট সুযোগের জন্য। অতঃপর পরাস্ত ডি-বক্সের মধ্যকার ডিফেন্ডার, কোন রকমে বলটাকে জালে জড়িয়েই ডান হাত ডান কানের পাশে নিয়ে গিয়ে অনবরত ঘোরানো সেই উদযাপন – যেই সেলিব্রেশানের মর্মার্থ তিনি নিজেই বিশ্লেষণ করেছেন – “”ডু ইউ রিয়ালাইজ হোয়াট আই হ্যাভ জাস্ট ডান?”

পালের্মোতে খেলার সময়
পালের্মোতে খেলার সময়

তিনি লুকা টনি। ফ্র্যানসেস্কো টট্টি, আলেসসান্দ্রো দেল পিয়েরো, ফিলিপ্পো ইনজাঘি, জিউসেপ্পে মিয়াজ্জা, সিলভিও পিওলা, আন্তোনিও ডি নাটালে, রবার্টো বাজ্জিওর পর এই লুকা টনিই সেই স্ট্রাইকার, ইতালিয়ান স্ট্রাইকারদের মধ্যে যার ক্যারিয়ার গোল তিন শতাধিক। হয়তোবা তথাকথিত “জার্নিম্যান” স্ট্রাইকার (কোন এক ক্লাবে স্থির না থেকে/না থাকতে পেরে অসংখ্য ক্লাবে খেলেন যিনি) ছিলেন বলেই কি না, টনিকে টট্টি বা দেল পিয়েরোর মত কিংবদন্তীর কাতারে ফেলতে অনেকেরই গায়ে বাঁধবে। কিন্তু তাই বলে তাঁর অর্জনকে হেয় করার ত বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই। আজ সবাই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন লেস্টার সিটির আপাত অবিশ্বাস্য অর্জনকে নিয়ে ধন্য ধন্য করছে, কারখানার শ্রমিক থেকে-পঞ্চম বিভাগের এক দলে খেলা থেকে লেস্টার সিটিকে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতানোর জন্য স্ট্রাইকার জেইমি ভার্ডির অবিশ্বাস্য উত্থানগাথা লেখা নিয়ে সবাই খরচ করছে দিস্তার পর দিস্তা কাগজ, কিন্তু একটু ভেবে দেখুন, জেইমি ভার্ডিই কি প্রথম স্ট্রাইকার যিনি কি না জীবনযুদ্ধে একসময় পরাস্ত হয়ে পরে নিজের একাগ্রতা আর নিষ্ঠার বলে উঠতে পেরেছেন ফুটবলের শ্রেষ্ঠতম চূড়ায়? আর কেউ কি পারেননি? কিংবা জেইমি ভার্ডিই কি ফুটবলীয় রূপকথার শেষকথা?

luca-toni-verona
উত্তর হবে – না। অতি অবশ্যই না। উত্তরটা এক্ষেত্রে হবে লুকা টনি।
হঠাৎ টনিকে নিয়ে এভাবে পড়ার কারণ?
আর কিছুই না, এই সপ্তাহেই ৩৮ বছর বয়সে সবধরণের ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি, সিরি আ চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাসের বিপক্ষে খেলে ফেলেছেন ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ, হেলাস ভেরোনার হয়ে। এবং ক্যারিয়ারের শেষটাই বা হল কি অসাধারণভাবে! চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাসের ২৬ ম্যাচের জয়রথ থামিয়ে দিয়ে এই ম্যাচেই ২-১ গোলে জুভেন্টাসকে হারিয়ে দিয়েছে ইতোমধ্যে সিরি আ থেকে অবনমিত হয়ে যাওয়া পুঁচকে হেলাস ভেরোনা, এবং যথারীতি এই জয়েও ভূমিকা ছিল ক্লাবের পোড় খাওয়া অধিনায়ক – এই লুকা টনির। অসাধারণ পানেনকা পেনাল্টিতে বিদায়বেলায় নিজের জাত আরেকবার চিনিয়েছেন এই স্ট্রাইকার

hi-res-b341d27b21a8dc4b33b0c72b2d0b2318_crop_north

যাই হোক। বলছিলাম টনির কথা। টনির উত্থানের কথা। ফুটবলীয় রূপকথা যে জেইমি ভার্ডির আগে এই টনিই লিখে গেছেন আরও চমকপ্রদ ভাবে – তার কথা। ফুটবলে যারা মূলতঃ একটু দেরি করে খ্যাতির শিখরে পৌঁছান, তাঁদেরকে “লেইট ব্লুমার” বলা হয়ে থাকে ; সোজা বাংলায় দেরিতে প্রস্ফুটিত। এই লুকা টনি “দেরিতে প্রস্ফুটিত” শ্রেণীর অন্যতম উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ১৯৯৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে মডেনার হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা এই লুকা টনি টানা ছয়-ছয়টা বছর সিরি সি, সিরি বি তে ওঠানামা করেছেন উদভ্রান্তের মত, ২৩ বছর বয়সের আগ পর্যন্ত ইতালিয়ান শীর্ষ লিগ সিরি আ এর স্বাদ পাওয়া হয়নি তাঁর। ছয়টা বছর এরকম অপাংক্তেয় থাকার পর এই ভিসেঞ্জা অধ্যায়ের পর তাঁকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সেভাবে। ততদিনে ঘোষিত হয়ে গিয়েছিল ইতালির আরেক ক্যারিশম্যাটিক স্ট্রাইকারের আগমনবার্তা।

তখন ফিওরেন্টিনায়
তখন ফিওরেন্টিনায়

ভিসেঞ্জার হয়ে সিরি আ তে নিজের প্রথম মৌসুমে নয় গোল, অভিষেক মৌসুমটা একেবারেই খারাপ কাটে নি টনির। তাতেও ভিসেঞ্জার শেষরক্ষা হয়নি, অবনমিত হতে হয় তাঁদের ; আর টনিও ক্লাব পরিবর্তন করে যোগ দেন ব্রেসিয়ায়, যেখানে পেপ গার্দিওলা, রবার্টো বাজ্জিওদের মত মহারথীদের সতীর্থ হন তিনি। নামকরা সতীর্থদের সান্নিধ্য পেয়েই কি না, গোলের ধারা বজায় থাকে সেখানেও। দুই মৌসুমে ১৫টার মত গোল করার পর আবার কি ভাবলেন কে জানে, সিরি আ থেকে ব্রেসিয়া ছেড়ে আবার নেমে চলে গেলেন সিরি বি তে, পালেরমোতে খেলার জন্য।

সিরি আ তে শুরু এই ভিসেঞ্জার হয়েই
সিরি আ তে শুরু এই ভিসেঞ্জার হয়েই

উচ্চাভিলাষী পালেরমো টনিকে পেয়ে ক্লাবের ইতিহাসে গত ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবার সিরি আ তে খেলার স্বপ্ন দেখে। সমর্থকদের স্বপ্ন বৃথা যেতে দেননি তিনি, দুই মৌসুমে অর্ধশতাধিক গোল করে সিরি আ ত বটেই, পালেরমো পায় ইউয়েফা কাপ (এখনকার ইউরোপা লিগ) খেলার স্বাদ!

টনির উত্থান নজর এড়ায়নি তৎকালীন ইতালির কিংবদন্তী কোচ মার্সেলো লিপ্পির। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ করে দেন লিপ্পি তখনই। এর মধ্যে পালেরমো ছেড়ে ফিওরেন্টিনায় যোগ দেন টনি, ক্রমাগত ক্লাব বদল এক্ষেত্রেও তাঁর গোল করার হারের উপর বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলেনি। ২০০৫ সালে টনিকে পেয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলার সুযোগ পেয়ে যায় ফিওরেন্টিনা, সেই নব্বইয়ের দশকে গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার আমলের পর যাদের পাওয়া হয়নি চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলার স্বাদ! আর তাঁর কারণ? টনির প্রথম মৌসুমে ৩১ গোল। বিগত পঞ্চাশ বছর আগে ইন্টার মিলান স্ট্রাইকার আন্তোনিও অ্যাঞ্জিয়েল্লোর পরে যে কীর্তি আর কারোর ছিল না তখন। ফলশ্রুতিতে প্রথম ইতালিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শ্যু এর অধিকারী হন টনি।

দুই মৌসুম আগেও যেই স্ট্রাইকার ইতালিরই দ্বিতীয় বিভাগে খেলতেন, টানা তিনবছর ইতালিতে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে দুইবছর পর এই স্ট্রাইকারকেই ইতালি কোচ মার্সেলো লিপ্পির চূড়ান্তভাবে মনে ধরল। আলেসসান্দ্রো দেল পিয়েরো, ফিলিপ্পো ইনজাঘিদের মত সুপারস্টারদের বসিয়ে রেখে এই টনিকেই লিপ্পি খেলাতে লাগলেন ম্যাচের পর ম্যাচ। কোচের আস্থার প্রতিদানও দিলেন টনি চূড়ান্তভাবে। দুই গোল করলেন পুরো টুর্নামেন্টে, ইতালিও জিতলো তাঁদের ইতিহাসের চতুর্থ বিশ্বকাপ, টনি নিজে জায়গা করে নিলেন ফিফা অল-স্টার দলে। এটা যদি রূপকথা না হয়, তবে কোনটা?

তবে ফুটবলীয় রূপকথা যেমন লিখেছেন পটু শিল্পীর মত, মুদ্রার অন্য পিঠও দেখেছেন টনি ভালোভাবেই। টানা তিন মৌসুম ইতালিতে গোলের পর গোল করে যাওয়া টনি এবার নজরে আসেন বিশ্বের বিভিন্ন শ্রেষ্ঠ ক্লাবের, ১১.৫৮ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ফিওরেন্টিনা থেকে তাঁকে দলে নিয়ে আসে জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ, বলা বাহুল্য, গোলের ধারায় ব্যাঘাত ঘটেনি সেখানেও। ব্যাঘাত ঘটেছিল ম্যানেজারের সাথে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কে। বায়ার্নের ম্যানেজার তখন ছিলেন আর কেউ না – বর্তমান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ম্যানেজার লুই ভ্যান হাল। বার্সেলোনা কিংবা বর্তমানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকেরা ভালো বলতে পারবেন, ভ্যান হাল ভালো ম্যানেজার বটে, কিন্তু তাঁর উগ্র পাগলাটে ব্যবহারের মাশুল গুনতে হয় ক্লাবগুলো ও তাঁদের খেলোয়াড়দের প্রায়ই। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যেরকম এখন অ্যানহেল ডি মারিয়া, রবিন ভ্যান পার্সি কিংবা ভিক্টর ভালদেসের সাথে ঝামেলা পাকিয়ে বসে আছেন, বার্সেলোনায় থাকতে রিভালদো বা হুয়ান রোমান রিকেলমেদের সাথে যেমন তাঁর ছিল সাপে-নেউলে সম্পর্ক – বায়ার্ন মিউনিখে ভ্যান হালের সেই বলির পাঁঠা ছিলেন লুকা টনি। আর ছিলেন বায়ার্নের সাবেক ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক লুসিও এবং সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার মার্ক ভ্যান বমেল। বায়ার্নে এসে গোলের পর গোল করে যাওয়ার পরেও কোন এক অজানা কারণে টনিকে সহ্য করতে পারতেন না ভ্যান হাল। প্রথম মৌসুমে ৩১ ম্যাচে ২৪ গোল করে বায়ার্নকে বুন্দেসলিগা শিরোপা জেতানোর পরেও তাই ভ্যান হালের আমলে বেঞ্চই হয় টনির ঠিকানা। “আমার আমলে দলের মূল একাদশে কেউই অটোমেটিক চয়েস নয়, আমি যাকে চাই তাঁকে খেলাতে পারি, কারণ আমার সেই “হ্যাডম” আছে” – টনিসহ পুরো বায়ার্ন স্কোয়াডকে এই কথা বোঝানোর জন্য ট্রেইনিং সেশানে রীতিমত নিজের পায়জামা খুলে ন্যাংটো হয়ে গিয়েছিলেন ভ্যান হাল!

luca-toni-2008-1345725715

ভ্যান হালের সাথে ঝামেলা পাকিয়ে বায়ার্ন যখন ছাড়লেন, ততদিনে অনেকেই তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ দেখে ফেলেছিলেন। বয়স হয়ে গিয়েছিল ৩৩, অনেকেই যেই বয়সে অবসর নিয়ে ফেলেন। কিন্তু তিনি ত এক ইতালিয়ান স্ট্রাইকার। যেখানে ইতালিয়ান স্ট্রাইকারদের ইতিহাসই আছে বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখানো, টনিই বা সেখানে পিছিয়ে থাকবেন কেন?

রোমা, জুভেন্টাস, জেনোয়া, আল নাসর, ফিওরেন্টিনায় একাধিক ব্যর্থ প্রচেষ্ঠার পর নিজেকে আবার ফিরে পেলেন নিজের সর্বশেষ ক্লাবে, হেলাস ভেরোনায়। ৩৮ বছর বয়সে ২২ গোল করে মৌসুমে সিরি আ এর সবচেয়ে বেশী গোলদাতার পুরষ্কার ‘ক্যাপোচ্যান্নোনাইরে’ অর্জন করে বিশ্বকে জানিয়ে দিলেন, পায়ে মরচে পড়েনি এতটুকুও।

সময়টা ভালো কাটেনি জুভেন্টাস কিংবা রোমায়
সময়টা ভালো কাটেনি জুভেন্টাস কিংবা রোমায়

কিন্তু সবাইকেই থামতে হয়, তাকেও থামতে হল। এবং তাঁর থামার সাথে সাথে ফুটবল একটা বিরলপ্রজ স্ট্রাইকারকেও হারালো। টনির অবসর শুধুমাত্র একটা স্ট্রাইকারেরই চলে যাওয়া না, এটা একটা সম্পূর্ণ স্ট্রাইকারের প্রজাতিরই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া। এখনকার “ফলস নাইন” বা “জেজেনপ্রেসিং” এর যুগে যেখানে গতিশীল ড্রিবলার বা স্কিলফুল স্ট্রাইকার দরকার সবার, সেখানে টনির মত ডি-বক্সে অলস সৌন্দর্যের তুলি বুলিয়ে যাওয়া সুযোগসন্ধানী টার্গেটম্যান আর কে আছেন? মনে হয়না কেউ আছেন। খেলা দেখলে মনে হত বল পায়ে কি ঝামেলাতেই না আছেন, কোন কারিকুরি নেই কোন চোখ ঝলসানো স্কিল নেই – কিন্তু গোল ঠিকই পেয়ে যাচ্ছেন একের পর এক। ২০০৬ বিশ্বকাপে ইউক্রেইনের বিপক্ষে তাঁর প্রথম গোলটাই দেখুন, মনে হবে বাম প্রান্ত থেকে আসা টট্টির ক্রসটা কোনরকমে হেড দিয়ে জালে জড়িয়ে যেন বাঁচলেন!

দুই বিশ্বজয়ী
দুই বিশ্বজয়ী

toni-totti

টট্টি, দেল পিয়েরো, ইনজাঘি, ডি নাতালে, ভিয়েরি, বাজ্জিও – ইতালিয়ান স্ট্রাইকারগুলোর মধ্যে কিছু একটা আছে যা তথাকথিত বুড়ো বয়সে তাঁদের খেলতে, গোল করতে প্রেরণা যোগায়। হতে পারে সেটা ইতালিয়ান লিগের অতিরিক্ত ডিফেন্সিভ স্টাইল, খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত ডিফেন্সিভ অ্যাপ্রোচের জন্য পুরো খেলার গতি কমে যায়, ফলে ফরোয়ার্ডদের তুলনামূলক কম পরিশ্রম করা লাগে মাঠে। কারণ উপরোক্ত কোন স্ট্রাইকারকেই কিন্তু আপনি রোবেন-রোনালদোর মত গতিশীল খেলোয়াড় বলতে পারবেন না। টনি নিজেও তাঁর ব্যাতিক্রম নন। অতি অবশ্যই আপনি যদি মেসি রোনালদো বা এরকম ঘরানার খেলোয়াড়দের ভক্ত হয়ে থাকেন, তবে টনির খেলার স্টাইল, গোল করার ধরণ আপনার ভালো লাগবে না। টনি এরকমই, খেলার স্টাইল নজরকাড়া নয় মোটেও, যে কাউকে তাঁর প্রিয় দশটা স্ট্রাইকারের নাম বলতে বললে পাঁড় ইতালিয়ান ভক্ত ছাড়া কেউ টনির নাম নেবেন কি না সন্দেহ, কিন্তু তাই বলে তাঁর এই স্টাইলই ছিল চূড়ান্তরূপে কার্যকরী।

luca-toni-italy-world-cup_3385534

ছোটবেলার হিরো টাইপের স্ট্রাইকারগুলো চলে যাচ্ছেন এভাবেই। অবসর-পরবর্তী জীবন সুখের হোক টনির, এটাই কামনা!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − 11 =