জয়ের ইতিবাচক দিকগুলো

পেরু ০-২ ব্রাজিল

গোল স্কোরার গ্যাব্রিয়েল জেসুস এবং রেনাতো অগাস্টো।

দলে কোন স্থায়ী ক্যাপ্টেন নেই। উল্টেপাল্টে সিনিয়রদের সবাই এক ম্যাচ করে আর্মব্যান্ড নিচ্ছে। প্রতি ম্যাচে যেহেতু জয় আসছে কথাটার ইতিবাচক ব্যাখ্যা খুঁজি। ২০১৪ বিশ্বকাপে ক্যাপ্টেন হিসাবে থিয়াগো সিলভা আর পারফর্মার হিসাবে নেইমার দলটার মুখ হয়ে যান। সেমিতে জার্মানির বিপক্ষে দুইজনই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলে মুখ ছাড়া দল কতোটা ফোকাসছাড়া হয়ে যায়, সেটা মাঠে দেখা গিয়েছে। সেদিক থেকে টিটে হয়তো দলের ফেইস বানাতে চান না কাউকেই। দলটাকে একটা ইউনিট হিসাবে দেখার জায়গা থাকে। আর ক্যাপ্টেন না থাকাটা “পারফর্ম না করলে কারো জায়গাই নিশ্চিত না” এই ধরনের নীতিমালার একটা নির্দেশক হতে পারে। তবে যতক্ষণ জয় আসে, ততক্ষণ এসব ব্যাপারের মানুষ ইতিবাচক ব্যাখ্যাই খুঁজবে। হারা শুরু করলেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েই কাটাছেঁড়া হবে।

শেষ ২০ মিনিট বাদ দিলে নেইমার দলের মূল প্লেমেকার হিসাবে ফাইনাল থার্ডে যথেষ্ট ডিসাইসিভ ছিলেন না। কয়েকটা বলের ডিস্ট্রিবিউশন অবশ্যই আরো ভালো হতে পারত। অতিরিক্ত কিছু করে দেখানোর ভূতটা তাড়াতে হবে। ১৯ বছর বয়সে ইকুয়েডর গিয়ে ৩ পয়েন্ট আর পেরু গিয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে এলো। গ্যাব্রিয়েল জেসুস মানে ভালোবাসা।

এক চায়না বয় গোল করল, আরেক চায়না বয় ওপেন নেট মিস করলো। ক্যাসেমিরো ফিরলে মজা হবে। তিতে আসলেই বায়াসড কিনা এটা খুলে যাবে খুব ভালোভাবে।

টানা ৬ ম্যাচে ৬ গুণ ৩ মিলে ১৮ পয়েন্ট সবসময় শান্তিদায়ক।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

12 + six =