জয়টাই মুখ্য

গ্রেট দিয়েগো ম্যারাডোনা দু’দিন আগেই বলেছিলেন- “পর্তুগাল সত্যিই অনেক বেশি রোনালদো নির্ভর হয়ে যাচ্ছে ।”

মন্তব্যটির যথার্থটা গতরাতের ক্রোয়েশিয়া ম্যাচেও বিদ্যমান ছিল ।

এক রোনালদোকে মার্ক করে গোটা পর্তুগালকেই রুখে দিয়েছিল ক্রোয়াট রক্ষণ প্রহরীরা ।

ওদিকে মদ্রিচ, রাকিটিচ, মানজুকিচদের ক্রোয়েশিয়াকেও নিজেদের ডি-বক্সে সুযোগ দেয়নি পেপে, কারভালহোরা । ফলাফল, ম্যাচটি ইউরোর ইতিহাসে প্রথম যার নব্বই মিনিটে কোন অন টার্গেটে শটই নেই !

এখন পর্যন্ত এবারের ইউরোর সবচেয়ে ম্যাড়মেড়ে ম্যাচটি অন টার্গেটের মুখ দেখলো ঐ একবারই । এক্সট্রা টাইমে ম্যাচে সময় যখন ১১৭ মিনিট তখনই রোনালদোর শট গোলবার অভিমুখে । তবে তা জালের দেখা পেলোনা ঠিকই, কিন্তু ফিরতি সুযোগে ফাঁকা পোস্ট মাথা দিয়ে বল জালে জড়ালেন রিকার্দো কুয়ারেসমা । ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়া গোলটি পেতে পর্তুগাল অবশ্য একটি দলই হিসেবে খেলেছে । নিজেদের লেফট উইং থেকে ইন্টারসেপ্ট করা বল নিয়ে রেনেতো সানচেজের ভোঁ দৌড় । সেখানে থেকে দিক বদলে প্রতিপক্ষের রাউট উইংগে ন্যানির কাছে থ্রুতে বল ঠেলে দেওয়া । অপর উইং থেকে তখন রোনালদো হাত উঁচিয়ে বল চাইলে ন্যানির মাপা দারুন পাস । সেখান থেকেই রোনালদোর ফিরে আসা শট থেকে কুয়ারেসমার ম্যাচ জয়ী গোল । দলীয় নৈপূণ্য দারুন কাউন্টার এ্যাটাকের গোলটিতে পর্তুগীজরা হাসলে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় নিতে হয়েছে সংবদ্ধ ক্রোয়াটদের ।

ম্যাচটির লাগাম তাদের হাতেই ছিল । তবে ম্যাচটি যে ছিল অন টার্গেট বন্ধ্যাত্বের !

পর্তুগীজ কোচও অবশ্য মানছেন, “খেলেছে ক্রোয়েশিয়াই । তবে জয়টা সব সময় ফেভারিটদের হয়না ।”

সে যাইহোক, দিনশেষে জয়টাই মুখ্য । খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলা পর্তুগীজদের সাথে ভাগ্যটা এবার হয়ত কিছুটা সদয় ছিলো । তাতেই হয়ত শেষ আটের টিকিট হাতে পেলো সেলেকাওরা ।

‪#‎ইউরো২০১৬‬

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

one × three =