জিম্বাবুয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা

জিম্বাবুয়ে দলটার প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা। আগে যখন খর্বশক্তির ছিলাম, যখন অন্য কোন দল সাহায্য করেনি তখন এই অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার, হেনরি ওলোঙ্গা, হিথ স্ট্রিক, অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলদের শক্তিশালী দলটাই আমাদের সাথে নিয়মিত খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাথে আমাদের অভ্যাস করিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মত দল যেখানে তাদের দেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে নিয়ে গেলে সিডনি-মেলবোর্ন-পার্থে আমাদের খেলতেও দেয়না, ডারউইনের মত অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত মাঠে খেলায়, আমাদের দেশে তাদের খেলতে আসার কথাটা নাহয় বাদই দিলাম। ইংল্যান্ড-ভারত-পাকিস্তান ; সব এরকম একই গোয়ালের গরু।

সেই জিম্বাবুয়ে তখনও প্রকৃত বন্ধু ছিল, এখনও আছে। এখনও যখন অস্ট্রেলিয়ার দেশে না আসাতে নিরাপত্তা-ইস্যুতে পুরো বিসিবি টালমাটাল, তখনও আসল সময়ে পাশে এসে দাঁড়ালো সেই জিম্বাবুয়েই, সোনালী প্রজন্মের চলে যাওয়াতে এখন যারা আমাদের থেকে অনেক খর্বশক্তির। পুরো ওডিআই সিরিজ খেলে জানিয়ে দিল ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ কতটা উপযুক্ত।

ধন্যবাদ দিলেও কম হবে আফ্রিকার এই বন্ধুদের।

বন্ধুদের সাথে সিরিজ খেললাম, জিতলাম। আমরা তাই বাংলাওয়াশ বাংলাওয়াশ করে না লাফাই। বারো-পনের বছর আগে তারা যখন আমাদের বলে কয়ে হোয়াইটওয়াশ করত তখন তারা “জিম্বাওয়াশ”, “জিম্বাওয়াশ” করে লাফাত কি?

মনে হয় না 🙂

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

19 + twelve =