গ্যারি ম্যাকঅ্যালিস্টার – তৃপ্তি ও আক্ষেপের গল্প

::::: সায়েব :::::

গ্যারি ম্যাকঅ্যালিস্টার। কথিত আছে এই নামটা লিভারপুলের কাছে একই সাথে তৃপ্তি আর আক্ষেপের নাম হয়ে থাকবে। কেনো থাকবে সেটায় আসছি।

লিভারপুল ম্যানেজার জেরার্ড হুলিয়ের ২০০০-০১ সিজনে ৩৫ বছর বয়সে সাইন করিয়েছিলেন এই ম্যাকঅ্যালিস্টার কে। ভাবা যায়? ৩৫ বছর বয়সে! স্বাভাবিকভাবেই বিরুপ মন্তব্য আসছিলো। পরে অবশ্য দৃশ্যপট বেশ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিলো। যেটাকে ক্লপের ভাষায় বলা হয় ‘ডাউটার্স টু বিলিভার্স’।

article-2261199-003C442A00000258-844_634x371

বেশ কয়েক সিজন ধরে ভক্তদের হতাশ করতে থাকা লিভারপুল সেবার সংখ্যার দিক থেকে কাপের ট্রেবল জিতেছিলো। লীগ কাপ, এফএ কাপ আর ইউয়েফা কাপ। লীগে অবশ্য তৃতীয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ইউয়েফা কাপে ফাইনালের রেজাল্ট ছিলো লিভারপুল ৫-৪ দেপর্তিভো আলাভেস। খেলা এক্সট্রা টাইমে গড়িয়েছিলো। জয়সূচক গোলটার মূল কারিগর ছিলেন ম্যাকঅ্যালিস্টার। এবং একই সাথে ১১৭ মিনিট চলা ম্যাচে সেই সময়ে ’36 years young’ ম্যাকঅ্যালিস্টার ম্যান অফ দ্য ফাইনাল বাগিয়ে নেন।

2A5DEF0400000578-0-image-m-4_1437037147901

পরের সিজনে হুলিয়ের হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫ মাস দলের সাথে থাকতে পারেননি। লিভারপুল সেই সিজনে ট্রফিলেস ছিলো বলা যায়। তবে এফএ কমিউনিটি শিল্ড এবং ইউয়েফা সুপার কাপ(আগের সিজনের) জেতে এবং লীগে রানার্স আপ হয়। এরপর ম্যাকঅ্যালিস্টার ফার্স্ট ডিভিশনের ক্লাব কভেন্ট্রি সিটি তে গিয়ে সেখানে ২ সিজন কাটান। পরে তিনি অবসর নিয়ে ম্যানেজারিয়্যাল ক্যারিয়ারে মনোযোগী হন। এখন তিনি লিভারপুলের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আছেন।

গ্যারি ম্যাকাঅ্যালিস্টার নামটা লিভারপুল ফ্যানদের কাছে তৃপ্তির কারণ ম্যাকাঅ্যালিস্টার ৩৫ বছর বয়সে এসে মাত্র দুই বছরে পারফরমেন্স, লিডারশিপ দিয়ে অনেক কিছু দিয়ে গেছেন। আর আক্ষেপের কারণ লিভারপুল এই ফুটবলারকে আরও আগে সাইন করায়নাই।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

three × three =