গোতসা… লেফান্ডোফস্কি… হামেলস!

ইফ ইউ ক্যান্ট বিট দেম, জয়েন দেম। বহুলচর্চিত ইংলিশ এই প্রবাদবাক্যটাকে একটু বেশীই সিরিয়াসলি নিয়ে নিয়েছেন মনেহয় বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের খেলোয়াড়েরা। হ্যাঁ, এতটুকু পড়ে আপনার নিশ্চয়ই বুঝে যাওয়ার কথা কি সম্বন্ধে আলোচনা করা হচ্ছে এখানে। সেই ইয়োর্গেন ক্লপের আমলে দুইবার বুন্দেসলিগা জয়ী দুনিয়ার তামাম ফুটবলপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেওয়া বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এখনো জার্মান বুন্দেসলিগায় সমীহ জাগানিয়া শক্তি আছে বটে, কিন্তু লিগ শিরোপার সিংহাসন থেকে পরের তিনবছর বায়ার্ন মিউনিখকে টলাতে পেরেছে কই?

hi-res-e9346270764a9df7d2e51556896b5a8c_crop_north
সেই আক্ষেপ থেকেই বোধহয় বেশ কয়বছর ধরেই ডর্টমুন্ড থেকে শত্রুশিবির বায়ার্নে যোগ দিয়েছেন সুপারস্টার অনেক খেলোয়াড়। সেই মারিও গোতসা দিয়ে শুরু, তারপর বায়ার্নে যোগ দিয়েছেন পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেফান্ডোফস্কি। এখন গোতসা লেফান্ডোফস্কিদের পথ অনুসরণ করতে যাচ্ছেন ডর্টমুন্ডের সোনালী প্রজন্মের আরেক সেনানী – ম্যাটস হামেলসও।

 

হামেলস নিজেই জানিয়েছেন ডর্টমুন্ড কর্তৃপক্ষকে তাঁর এই ইচ্ছার কথা। ২০১৭ সালের জুনের ৩০ তারিখে ডর্টমুন্ডের সাথে চুক্তি শেষ হতে যাওয়া হামেলস সামনের মৌসুম থেকেই খেলতে চান বায়ার্নে, যেই ক্লাবের যুব একাডেমি থেকেই তাঁর উঠে আসা। কিন্তু বায়ার্নের মূল একাদশের হয়ে মাত্র এক ম্যাচ খেলেই ডর্টমুন্ডে ধারে পাঠিয়ে দেয় তাঁকে বায়ার্ন। পরে ৪ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে পুরোপুরি ডর্টমুন্ডের খেলোয়াড় হয়ে যান তিনি। সুপারস্টারডমের শুরুটা সেখান থেকেই।
8d5aef88562279f56ebef31ec7aa9104

ডর্টমুন্ড যদিও জানিয়েছে, অস্বাভাবিক ট্রান্সফার ফি না হলে হামেলস কে ছাড়ার ইচ্ছা নেই তাঁদের। কিন্তু যেই খেলোয়াড়ের সাথে তাঁদের চুক্তি আছেই মাত্র আর এক বছরের, এবং যে খেলোয়াড়ের কোন বাই-আউট ক্লজ ও নেই, সেরকম খেলোয়াড়কে পেতে যে বায়ার্নের মত ক্লাবের বিশেষ একটা বেগ পেতে হবে না সেটা বলাই যায়।

 

ডর্টমুন্ড-বায়ার্ন, এই দুই ক্লাবের হয়ে শুধু লেফান্ডোফস্কি, গোতসা বা হামেলস খেলেছেন শুধু তাই-ই নয়। আগেও এই দুই ক্লাবের জার্সি গায়ে দিয়েছেন একাধিক প্লেয়ার। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন টরস্টেন ফ্রিংস, ক্রিস্টিয়ান নেরলিঙ্গার, রবার্ট কোভাচ, ইয়োর্গেন কোহলার, থমাস হেলমার, মাইকেল রুমেনিগে ও স্টেফান রয়টার।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

one + 15 =