কে কে খেলবেন কালকে?

কাল বাংলাদেশ টিমের সেরা একাদশ নির্বাচন করতে গিয়ে বেশ বড় মধুর সমস্যায় পড়তে হতে পারে নির্বাচকদের। সম্ভাব্য স্কোয়াড কি হতে পারে তা একটু দেখে নেওয়া যাক-
সৌম্য, সাব্বির, মুশফিক, সাকিব, মাহমুদুল্লাহ, নাসির, মাশরাফি, মুস্তাফিজ; এরা সবাই নিজ নিজ পসিশনে দলের অপরিহার্য অংশ। ১১ সদস্যের দলে এই ৮ জন বাদ দিলে বাকি থাকে মাত্র ৩ জন সদস্য।
সৌম্যের সাথে তামিমের জায়গায় ওপেনার হিসেবে ইমরুল যদি অটো চয়েস হয়, এবং তাহলে কিপিং গ্লাভস পড়তে হবে মুশফিকের। বাদ পড়তে পারে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান সোহান। সোহান কে খেলাতে হলে ইমরুল অথবা নাসির কে বাদ পড়তে হবে। যদি ইমরুল কে বাদ দেওয়া হয় তাহলে ওপেনার হিসেবে মাহমুদুল্লাহ অথবা সোহান কে খেলানো যেতে পারে। কিন্তু যদি নাসির কে বাদ দেওয়া হয় তাহলে দল হারাবে একজন অলরাউন্ডার।

এখন আসি চার জন পেসার খেলানো নিয়ে। চার জন পেসার খেললে মাশরাফি, মুস্তাফিজের সাথে আলামিন আর রনিকেই এগিয়ে রাখছে বর্তমান পারফর্মেন্সগুলো। যদি নাসির, ইমরুল এবং সোহানের মধ্যে যেকোন দুই জন কে যদি রাখা হয় তাহলে দলে চার জন পেসার অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
কিন্তু চার জন পেসার অন্তর্ভুক্ত হলে কোন স্পেশালাইজড স্পিনার মানে আরাফাত সানিকে রাখা সম্ভব হবে না। সানি কে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে ৩ পেসার নিয়ে নামতে হবে অথবা ব্যাটসম্যান কমাতে হবে। সেক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারে আলামিন এবং রনির মধ্যে যেকোন একজন। অথবা বাদ পড়তে পারে নাসির, ইমরুল এবং সোহানের মধ্যে যেকোন দুই জন।

আমার মতে চার জন পেসার নিয়ে খেলানোই উচিত। যদি পেস কাজ না করে তাহলে সাকিব, নাসির, মাহমুদুল্লাহ, সাব্বির তো আছেই। আমার সেরা একাদশ ও লাইন আপ-
১। সৌম্য,
২। মাহমুদুল্লাহ,
৩। সাব্বির,
৪। সাকিব,
৫। মুশফিক,
৬। সোহান,
৭। নাসির,
৮। মাশরাফি,
৯। রনি,
১০। মুস্তাফিজ,
১১। আলামিন।

এখন দেখা যাক নির্বাচক মন্ডলী কি সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

17 + one =