কুড়ি বিশের রসায়ন

২০০৫ এ প্রথম আন্তর্জাতিক কুড়ি ওভারের ম্যাচ খেলে দুই প্রতিবেশী, অসি আর কিউই বাহিনী, অনেকটা ঠাট্টাছলে। ২০০৭ এ এই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে ক্যারিবিয়ান সাগরের তীরে আমরা ভালো করলাম। ক্যারিবিয়ানদের উড়িয়ে দিলো দুই অ্যা, আশরাফুলের ২০ বলে ৫০ আর আফতাবের ঝড়। তখন কুড়ি বিশের বিষে নীল হবার চেয়ে এটাকে আশীর্বাদ মনে হয়েছিলো আমাদের মতো স্ট্রোক প্লেয়ার দের জন্য।
ধীরে ধীরে আমরা পথ হারিয়ে ফেললাম। ওয়ানডেতে বিশ্বের অন্যতম সেরা দলটি কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে বেড়াল হয়ে গেলো। কেন??
কারণ দুইটা। প্রথমটা হল, মার ঘুরিয়ে মার্কা ব্যাটসম্যান আমাদের এখন নেই, যে কিনা ২০ বলে ৪০ করে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেবে, ঠিক যেমন ভারতের তরুণ ব্যাটসম্যান টি করলেন গতদিন। আমরা বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান করতে পারিনা। সাব্বির ছাড়া কারও সেই Attitude নেই। জিয়াউর রহমান নামের একজন বিগ হিটার আমাদের আছে, কিন্তু তাকে আমরা সযত্নে অবহেলা করছি!
দুই, বল হাতে এই ফরম্যাটে জিততে গেলে লোপ্পা বলের মানসিকতা ছাড়তে হবে। ইয়রকার দেবার বিশেষজ্ঞ আমাদের কেউ নেই! যে ছিল, সেই রুবেল উপেক্ষিত। এখানে শুধু উইকেট নেয়া না, রান আটকানোও অনেক জরুরি। আমাদের ঘূর্ণি জাদুকরদের কাউকে ঘূর্ণি ইয়রকারে বিশেষজ্ঞ বানালে হয়তো কাজে দেবে। যেমন নাসির হোসেন।
ওপেনিং করবে মাশরাফি। হ্যা মাশরাফি! ব্যাট হাতে উড়ন্ত সূচনা দিতে পারে, আর গেলে তো গেলই! লস নেই!
ইয়রকার আর বিগ হিট
এই দুই মন্ত্রেই টি টুয়েন্টি তে সুপার হিট

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − 14 =