ওল্ড ট্রাফোর্ডের ইতিহাসে দুই ব্রাজিলিয়ান সহোদর

গত দশকের শুরুর দিকে ফুটবল বিশ্বের আলোচিত দুই তরুণ ফুটবলার ছিলেন রাফায়েল দ্যা সিলভা এবং ফাবিও দ্যা সিলভা।

যমজ দুই ভাই। দুইজনেই ফুলব্যাক। ১৯৯০ সালে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোর পেট্রোপলিস শহরে জন্ম নেওয়া ব্রাজিলিয়ান এই দুই ভাই ২০০৮ সালে ব্রাজিলীয় ক্লাব ফ্লুমিনেন্স থেকে যোগ দেন ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে চাপানো দুজনের মধ্যে রাফায়েল বর্তমানে ফ্রেঞ্চ লীগ ১ এর দল লিঁও তে খেলছেন। আর ফ্যাবিও খেলছেন একই লীগের দল নান্তেসে। রাফায়েল তবু নিজেকে কিছুটা মেলে ধরতে পারলেও, ফ্যাবিও সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতেই পারেন নি।

ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে থাকা ফুটবলার দের কাছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি যখন স্বপ্নের মতো ছিল, সেই সময় রাফায়েল-ফ্যাবিও ভাইয়েরা ১৮ বছর বয়সেই সুযোগ পান রেড ডেভিল দের জার্সি গায়ে চাপানোর। ফ্লুমিনেন্স থেকে ম্যানচেস্টারে আসেন ২০০৮ সালের জানুয়ারি তে। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়ায় জুলাইয়ের আগে তাদের অভিষেক হয়নি মূল দলে। রাফায়েলের অভিষেক হয় আগস্টে এক প্রীতি ম্যাচে। এরপর ২০০৮-০৯ মৌসুমে রেড ডেভিল স্কোয়াডে নিবন্ধিত হন। তাকে দেওয়া হয় ২১ নম্বর জার্সি। প্রতিযোগিতা মূলক টুর্নামেন্টে রাফায়েলের অভিষেক হয় ২০০৮-০৯ মৌসুমের প্রিমিয়ার লীগের প্রথম ম্যাচেই, বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন এবং ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। প্রথমবার মূল একাদশে খেলার সুযোগ পান সেপ্টেম্বরে ইংলিশ লীগ কাপে মিডলসবোরোর বিপক্ষে ম্যাচে। ৩-১ গোলে জয় পায় ইউনাইটেড। পরের সপ্তাহেই ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় তার অভিষেক হয় অ্যালবোরগের বিপক্ষে। আর প্রিমিয়ার লীগে প্রথমবারের মতো মূল একাদশে জায়গা করে নেন অক্টোবরে ওয়েস্ট ব্রমউইক অ্যালবিওনের বিপক্ষে ম্যাচে। রাফায়েল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম গোল করেন ৮ই নভেম্বর অার্সেনালের বিপক্ষে এমিরেটস স্টেডিয়ামে। যদিও সেই ম্যাচ ২-১ গোলে হেরে যায় রেড ডেভিল রা।

রাফায়েল দা সিলভা

সেই মৌসুমে প্রিমিয়ার লীগের উদীয়মান সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারের জন্য শর্টলিস্টে নাম ওঠে রাফায়েলের। তবে পুরস্কার টা পান এস্টন ভিলার এশলে ইয়ং, যিনি পরবর্তী তে দীর্ঘ ১০ বছর ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে মাঠ মাতিয়েছেন। ২০১০-১১ মৌসুমের ২৫ জানুয়ারি ব্ল্যাকপুলের বিপক্ষে ম্যাচে কনকাসনের স্বীকার হন রাফায়েল। দ্বিতীয়ার্ধে ব্ল্যাকপুলের মারলন হেয়ারউডের সাথে ধাক্কা খেয়ে কনকাসন হয় রাফায়েলের। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১২ সালে স্যার আলেক্স ফার্গুসনের এই বিশ্বস্ত সৈনিকের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০১৬ সাল পর্যন্ত। এবং গ্যারি নেভিলের অবসরের পর রাফায়েল কে ক্লাবের ২ নাম্বার জার্সি দেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর ক্লাবের হয়ে ১০০ তম ম্যাচে মাঠে নামেন রাফায়েল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্লাবের হয়ে ১৬৯ ম্যাচ খেলে ৫ গোল করেন এই রাইট ব্যাক।

২০১৫ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ৪ বছরের চুক্তিতে ফরাসি ক্লাব লিঁও তে যোগ দেন। রেড ডেভিল দের হয়ে রাফায়েল দ্যা সিলভা ২০০৮-০৯, ২০১০-১১, ২০১২-১৩ মৌসুমের প্রিমিয়ার লীগ ট্রফি ; ২০০৯-১০ মৌসুমে লীগ কাপ ট্রফি ; ২০০৮,২০১১,২০১৩ সালের কমিউনিটি শিল্ড চ্যাম্পিয়ন ; ২০০৮ সালে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জেতেন। এছাড়া ২০০৮-০৯ এবং ২০১০-১১ মৌসুমে বার্সেলোনা বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনাল খেলে রানার্সআপ হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২০১৩ সালে স্যার আলেক্স ফার্গুসন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচের দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। এরপর প্রথমে ডেভিড ময়েস, তারপর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পালন করেন ইউনাইটেড লিজেন্ড রায়ান গিগস। এইসময় পর্যন্ত রাফায়েল ইউনাইটেডে ভালই ছিলেন। এরপর নতুন কোচ হিসেবে আসেন ডাচ কোচ লুইস ভ্যান গাল। ব্রাজিলিয়ান দের সাথে তার সম্পর্ক ভাল না থাকার কথা শোনা যায় অনেক সময়। বার্সেলোনার কোচ থাকাকালীন ব্রাজিলিয়ান রিভালদোর সাথে সম্পর্ক খারাপ হয় তার। পরবর্তী তে রিভালদোকে বার্সা ছাড়তে হয়।

এক সাক্ষাতকারে রাফায়েল ইউনাইটেডে নিজের ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার জন্য ভ্যান গালকেই দায়ী করেন। রাফায়েল বলেন ভ্যান গাল কোচ হয়ে আসার পর তার সাথে ৩০ সেকেন্ডের মিটিং এই ভ্যান গাল বলে দেন রাফায়েল চাইলে ইউনাইটেড ছাড়তে পারেন। কিছুদিন পর এক ম্যাচে মাথায় আঘাত পান রাফায়েল, ম্যাচ পরবর্তী মিটিং ভ্যান গালের কথা বলার সময় তিনি আঘাতের জায়গায় হাত দিচ্ছিলেন বারবার, সেটা নিয়েই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় ভ্যাল গাল এবং রাফায়েলের। এরপর আর দলে সুযোগ পাননি তেমন একটা। প্রিয় ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমানোর জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠেন রাফায়েল। এবং ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট অবশেষে ইউনাইটেড থেকে ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিঁও তে যোগ দেন চার বছরের চুক্তিতে। ৪ নম্বর জার্সি পরে লিঁওর হয়ে এখন পর্যন্ত ১৩৮ ম্যাচে ২ গোল সহ কৃতিত্বের সাথে রক্ষণ সামলে যাচ্ছেন। এক সাক্ষাতকারে তিনি জানান অলিম্পিক লিঁওর হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ অথবা ইউরোপা লীগের ম্যাচ খেলতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

ফাবিও দা সিল্ভা

অন্যদিকে লেফট ব্যাক ফ্যাবিও ইউনাইটেডের জার্সি তে প্রথমবার মাঠে নামেন আগস্টে পিটারবোরো ইউনাইটেডের বিপক্ষে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। সেই ম্যাচের পারফরমেন্সের জন্য প্রশংসিত হয়েছিলেন অনেক। ক্লাবের রিসার্ভ টিমের হয়ে ৮ ম্যাচে হ্যাটট্রিক সহ ৫ গোল করে নজর কেড়ে নেন কোচ স্যার আলেক্স ফার্গুসনের। প্রিমিয়ার লীগে মৌসুমের ২য় ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন ফ্যাবিও। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় কাঁধের ইনজুরি। এই কাঁধের ইনজুরির জন্য ফ্যাবিওর প্রতিযোগিতা মূলক টুর্নামেন্টে অভিষেক ম্যাচ খেলতে অপেক্ষা করতে হয় ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। ২৪ জানুয়ারি এফএ কাপের ৪র্থ রাউন্ডে টটেনহাম হটস্পারের বিপক্ষে মূল একাদশের হয়ে মাঠে নামেন ফ্যাবিও দ্যা সিলভা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই পায়ের ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। প্রিমিয়ার লীগে অভিষেক হয় ১৬ই আগস্ট বার্মিংহাম সিটির বিপক্ষে। মূল একাদশে দ্বিতীয় বারের মত মাঠে নামেন উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে লীগ কাপের ম্যাচে, এ ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠ ছাড়তে হয় লাল কার্ড দেখে। ২১ অক্টোবর সিএসকেএ মস্কোর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে অভিষেক হয় ফ্যাবিও।

আর্টিফিশিয়াল সার্ফেসে ভাল পারফরমেন্সের জন্য স্যার আলেক্স ফার্গুসন ভূয়সী প্রশংসা করেন। ২০০৯ সালে এফএ কাপের সেমি ফাইনালে রাফায়েল এবং ফ্যাবিও দুই সহোদর প্রথমবারের মত একত্রে খেলতে নামেন ইউনাইটেডের হয়ে। তবে টাইব্রেকারে ম্যাচটি হেরে যায় রেড ডেভিল রা। ২৭ অক্টোবর বার্নলির বিপক্ষে ম্যাচে দুই ভাই একসাথে মাঠে নামলে ঘটে এক অদ্ভুত ঘটনা। রাফায়েলের করা ফাউলের জন্য রেফারি ভুল করে কার্ড দেখান ফ্যাবিও কে। পরবর্তী তে ইউনাইটেডের আপিলের পর এফএ স্বীকার করে যে রেফারির ভুল ছিল এবং ফ্যাবিওর কার্ডটি রাফায়েলের নামে যোগ করে দেওয়া হয়। ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে ফ্যাবিও প্রথম প্রতিযোগিতামূলক গোল করেন উইগানের বিপক্ষে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি তে। দুই সপ্তাহ পর আর্সেনালের বিপক্ষে আবার গোল করেন তিনি। ২০১১ সালের ২৮ মে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মূল একাদশের হয়ে নামেন ফ্যাবিও। এটাই তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সেরা স্মৃতি হয়ে আছে। ২০১২ সালে কোচ স্যার আলেক্স ফার্গুসন বুঝতে পারেন ইউনাইটেডে থাকলে মূল একাদশে খেলার অভিজ্ঞতা বেশি হবেনা ফ্যাবিও, তাই তিনি পরের মৌসুমে ফ্যাবিও কে লোনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। এবং জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ফ্যাবিও কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সে লোনে যাওয়ার। সেখানে ২১ টি ম্যাচ খেলেন। স্যার আলেক্স ফার্গুসনের অবসরের পর পরিবর্তন আসতে থাকে ম্যানচেস্টারে। কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সে এক মৌসুম লোনের মেয়াদ শেষের পর ফিরে আসেন ওল্ড ট্রাফোর্ডে। ইউনাইটেডের নতুন কোচ ডেভিড ময়েসের পরিকল্পনায় জায়গা হয়নি ফ্যাবিও। ২০১৪ সালের জানুয়ারি তে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে পাড়ি জমান কার্ডিফ সিটি তে। কার্ডিফ সিটির জার্সিতে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে ১টি গোল সহ ৬৫ ম্যাচ খেলেন। পরের মৌসুমে তিনি ২ বছরের চুক্তিতে যোগ দেন মিডলসব্রো তে। ২ বছরে খেলেন ৪৮ ম্যাচ। ২০১৭-১৮, মৌসুম শেষে ফ্যাবিও দ্যা সিলভা মিডলসব্রো ছেড়ে পাড়ি জমান ফরাসি ক্লাব নান্তেসে। এখন পর্যন্ত নান্তেসের ২ নম্বর জার্সি পরে ৩০ ম্যাচে খেলেছেন ফ্যাবিও। ফ্যাবিও দ্যা সিলভা তার এখন পর্যন্ত ক্যারিয়ারে শিরোপা জিতেছেন দুইটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে। ২০১০-১১ সালের প্রিমিয়ার লীগ ট্রফি এবং ২০১০ সালের কমিউনিটি শিল্ড ট্রফি। অান্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২০০৭ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব -১৭ বিশ্বকাপে ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-১৭ দলের অধিনায়ক ছিলেন ফ্যাবিও। ডিফেন্ডার হয়েও ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে ১৩ ম্যাচে ১০ গোল করেন তিনি।

কমিউনিটি শিল্ড জেতার পর দুই ভাই

২০১১ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি তে ভাল খেলার পুরস্কার হিসেবে ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পান এবং কোস্টারিকা আর মেক্সিকোর বিপক্ষে মাঠে নামেন। এরপর আর জাতীয় দলে খেলা হয়নি ফ্যাবিওর। অন্যদিকে রাফায়েলও ব্রাজিলের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন। জাতীয় দলের হয়ে ২ টি ম্যাচ খেলেন রাফায়েল। ২০১২ সালে অলিম্পিক ফুটবলে সিলভার মেডেলজয়ী ব্রাজিল দলে ছিলেন তিনি। তবে ফাইনালে ব্রাজিলের পরাজয়ের জন্য দায়ী করা হয় রাফায়েল কেই। ২০১২ সাল পর্যন্ত অান্তর্জাতিক ফুটবলের সব টুর্নামেন্টের কোনো না কোনো আসরের ট্রফি জেতা হলেও অলিম্পিক ফুটবলের স্বর্ণপদক অধরাই ছিল ব্রাজিলের। তাই অলিম্পিকের ফাইনালে মেক্সিকোর বিপক্ষে চাপেই ছিল ব্রাজিল। এই চাপ সামলাতে না পেরেই রাইট ব্যাক রাফায়েল ফাইনালে একটি ভুল পাস দিয়ে বসেন আর সেই পাস থেকে বল পেয়েই মেক্সিকো তাদের প্রথম গোল দিয়ে বসে ব্রাজিলের জালে। মেক্সিকো পরে আরেক গোল দিলে আরো এগিয়ে যায়। ব্রাজিলের হয়ে হাল্ক একটা গোল দিলেও ম্যাচ টা ২-১ ব্যবধান হেরে যায় ব্রাজিল।

ব্রাজিলিয়ান দের ফুটবল আবেগ অন্যরকম। যে কোনো টুর্নামেন্টেই রানার্সআপ হওয়াও ব্রাজিলের জন্য অপরাধ। তাই ফুটবল পাগল ব্রাজিলের নাগরিক দের কাছে রাফায়েলের এই ভুলের ক্ষমা ছিল না।সমালোচনার মুখে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন অানুষ্ঠানিক ভাবে ফাইনালে মেক্সিকোর বিপক্ষে পরাজয়ের জন্য রাফায়েল কে দায়ী করে। তখনই ধারণা করা হয়েছিল ব্রাজিলের জার্সি তে শেষ ম্যাচ হয়ত খেলে ফেলেছেন রাফায়েল, পরবর্তীতে সেই ধারণাই সত্য হয়। ব্রাজিলের জার্সি তে আর কখনোই দেখা যায় নি তাকে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ডাক পেয়ে স্যার আলেক্স ফার্গুসনের বিশ্বস্ত শিষ্য এই দুই সহোদর পরবর্তী তে নিজেদের আর সেভাবে মেলে ধরতে না পারার পেছনে ভাগ্য আর ইনজুরিই হয়ত দায়ী থাকবে। কিন্তু হাস্যজ্জ্বল রাফায়েল এবং ফ্যাবিও কে রেড ডেভিল দের জার্সি তে সফল ক্যারিয়ার গড়তে দেখলে খুশিই হত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভক্তরা এবং ফুটবল বিশ্ব।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

9 + one =