এ কি বললেন সুজন ?

ভারতের সাথে আম্পায়ারদের কিছু বিতর্কিত ডিসিশন নিয়ে যেখানে সারাদেশে তোলপাড় , সেখানে খোদ বাংলাদেশ দলের টীম ম্যানেজারই ঠিক সময়ে থাকলেন না নিজের দলের পাশে । হ্যাঁ ! তিনি আর কেউ নন , তিনি আমাদের খালেদ মাহমুদ সুজন । গতকাল আনন্দবাজার পত্রিকার এক সাংবাদিকের সাথে ইন্টারভিউতে আম্পায়ারদের বাজে ডিসিশনের চাইতে হারের কারণ হিসেবে সুজনের কাছে বড় হয়ে এলো নিজের দলের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা ।

সুজন যা যা বললেন তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো –

# কোয়ার্টার ফাইনাল অবধি পৌঁছনোয় এক দিক থেকে আনন্দ আছে। কেউ তো ভাবেইনি আমরা যে অস্ট্রেলিয়ান-নিউজিল্যান্ড কন্ডিশন এত ভাল ম্যানেজ করতে পারব। সবাই ভেবেছিল আমরা বাউন্স সামলাতে পারব না। বেশি দূর যেতে হবে না। ঢাকাতেও কত লোক বলেছিল। সেই একটা বড় গোষ্ঠীকে ছেলেরা ভুল প্রমাণ করতে পেরেছে। এটাই ওদের কৃতিত্ব।

# ইন্ডিয়া যা দেখলাম, অবশ্যই কাপ জেতার দাবিদার। ইন্ডিয়ান ফিল্ডিং আর রানিং বিটুইন দ্য উইকেট্স দুর্দান্ত। পেস বোলাররা ভাল বল করছে। ঠিক যে যে জায়গায় ওদের সমস্যা হত সেগুলোতেই ওরা দারুণ উন্নতি করেছে। এটাই ভারতকে দেখে শেখার!

# ছেলেরা এখন আস্তে আস্তে মেনে নিচ্ছে যে আমরা খারাপ ক্রিকেট খেলেছি। বিশেষ করে ব্যাটিংটা।

# টিম হিসেবে আমাদের বিশ্বকাপে যা টার্গেট ছিল সেটা মোটামুটি পূরণ হয়ে গিয়েছে। হয়তো অবস্থান আর একটু ভাল হতে পারত। হয়তো আরও দু’একটা ম্যাচ যদি আমরা জিততে পারতাম। কিন্তু যেটুকু হয়েছে মন্দ নয়।

# এটা স্বীকার করতেই হবে যে এমসিজি মাঠের সঙ্গে আমরা মানাতে পারিনি। শুধু তো ইন্ডিয়া ম্যাচ নয়। এমসিজিতে আগের ম্যাচটাও আমরা খারাপ খেলেছি। মাঠের অ্যাঙ্গলগুলোর সঙ্গে রপ্ত হতে পারলাম না বলে, বড় মাঠের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো যায়নি— কী কারণ ঠিক বলতে পারব না। তবে এই ব্যর্থতা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।

হয়তো নিজের মতামতটাই প্রকাশ করেছেন … কিন্তু সারাদেশ যখন দলের পাশে দলকে সমর্থন দিয়ে গেছে , তখন দলের ম্যানেজার হিসেবে তার কতোটা উচিত হলো এসব কথা বলে দলের অর্জনটাকে সীমাবদ্ধ করা ?

(পুরো সংবাদের লিঙ্কটি গোল্লাছুটের ফেসবুক পেইজে পোস্টের প্রথম কমেন্টে দিয়ে দেওয়া হলো )

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

four × two =