এবার চেলসির পালা?

এমনিতেই মাঠ ও মাঠের বাইরে বিভিন্ন ঘটনার কারণে ক্লাবের অবস্থা দফারফা। ক্লাব ডাক্তার ইভা কার্নেইরোর প্রস্থান, সাবেক কোচ হোসে মরিনিওর বিরুদ্ধে তাঁর মানহানির দাবি, মাঠের মধ্যে দলের দৈন্যদশা, ফলে ক্লাবের কোচ মরিনিওকে ছাঁটাই করা, ক্লাবে সুপারস্টারদের অফফর্ম – সবমিলিয়ে ভালো নেই চেলসি। এখন মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে আসতে পারে আরেকটি ঘটনা।
টানা দুই ট্রান্সফার উইন্ডোতে নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে খেলোয়াড় কেনাবেচা করতে পারেনি বার্সেলোনা। একই নিষেধাজ্ঞার খড়গ এবার নেমে এসেছে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঘাড়েও। মূলত ১৮ বছরের কম বয়সী খেলোয়াড়দের অবৈধভাবে নিজের ক্লাবে টানার মাশুলই দিতে হয়েছে/হচ্ছে ক্লাব তিনটিকে। এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে এবার আরও একটি বড় নাম। যুক্ত হতে পারে চেলসি।
000_ARP4077682_0
ক্লাবের অনূর্ধ্ব ১৮ দলের হয়ে খেলেছেন ১৬ বছর বার্কিনা ফাসোর উইঙ্গার বার্ট্রান্ড ট্রায়োরে। অর্থাৎ তিনি ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলেন ১৮ বছর বয়স হবার পূর্বে। এই ঘটনাটাই নজরে এসেছে ফিফার। ঘটনায় চেলসি দোষী সাব্যস্ত হলে বার্সা-রিয়াল-অ্যাটলেটিকোর মত চেলসির ঘাড়েও নেমে আসতে পারে খেলোয়াড় কেনাবেচার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার খড়্গ।
অবশ্য চেলসি যদি দোষী হয়ও, এটা কিন্তু তাঁদের এই নিষেধাজ্ঞার কবলে প্রথমবার পড়া হবে না। ২০০৯ সালে ফরাসী ক্লাব লেন্স থেকে উইঙ্গার গ্যেল কাকুতাকে নেওয়ার জন্যেও এরকম অসদুপায় অবলম্বন করেছিল তারা, নিষিদ্ধ ছিল দুই ট্রান্সফার উইন্ডোর জন্য। এতকিছু ঝক্কি যেই কাকুতার জন্য, সেই কাকুতা কিন্তু চেলসির হয়ে কিছুই করতে পারেননি পরে খেলোয়াড় হিসেবে!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

15 − 15 =