এক শ্রেষ্ঠত্বের সাতকাহন

পায়েটের আঘাতে বাম পা’টি বড্ড অনিচ্ছায় বিশ্বাসঘাতকতা করে বসলো ।
কাঁদলেন, কাঁদালেন । মনে হচ্ছিলো স্ট্রেচারে করে হয়ত স্বপ্নটাই মাঠের বাইরে নিয়ে গেলেন রোনালদো । কিন্তু না !
যাওয়ার সময় অনুজদের বলে গেলেন লড়ে যাওয়ার মন্ত্র ।
দাঁত দাঁত পিষে লড়ে গেলো পর্তুগীজরা পাক্কা ৯৩ মিনিট ।
রঙ্গমঞ্চে আবারও তখন রোনালদো । পায়ে ব্যাণ্ডেজ, চোখে বেঁচে থাকা স্বপ্ন । ম্যাচে তখন মৃত্যু উন্মাদনা ।
ডাগ আউটে দেখা মিললো অন্য এক রোনালদোর ।
উন্মাতাল রোনালদোর আবেগ ছুঁয়ে গেল গোটা দলে । ফরাসী দূর্গ জয় অবশেষে এডার নামক এক কৃষ্ণকলির দুরপাল্লার শটে ।

মাঠ ছাড়ার পূর্বে প্রজাপতি কি আসলে শুধু অশ্রুজলই মুছে দিয়েছিল রোনালদোর ?
কে জানে, স্বর্গ থেকে হয়ত এসেছিল প্রজাপতি রুপী স্বর্গদূতটি ।
চোখের জল মুছে বলে গিয়েছিল- ‘কেঁদোনা, শ্রেষ্ঠত্ব মেলে শ্রেষ্ঠত্বেই’ ।
অক্টোপাসের রেখে যাওয়া জেলা সত্যি হলো, সত্যি হলো রুপকের প্রজাপতিটি । সত্যি হলো এক রোনালদোর চির অমরত্বের গল্প, এক শ্রেষ্ঠত্বের সাতকাহন ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

12 − 4 =