এক্সপেরিমেন্ট হোক আশাবিহীন টুর্নামেন্টে

নিকট অতীতের সবচেয়ে লো প্রোফাইল এটাক, সবচেয়ে লো প্রোফাইল মিডফিল্ড আর সবচেয়ে লো প্রোফাইল ব্যাক লাইন । সবকিছুর ভিতর দিয়ে একসাথে যাচ্ছে ব্রাজিল । নিরাশাবাদীর দলে থাকলে এই ব্রাজিলকে “কিছু না” বলে ফেলে দিতে পারেন, আবার “আশাবাদী বেহায়া”দের দলে থাকলে এই ব্রাজিলকে ডার্কহর্স বলে ফেলতে পারেন । ডার্কহর্স টুর্নামেন্টের সেই দল যাদের শক্তি সম্পর্কে প্রতিপক্ষের বেশিরভাগই ওয়াকিবহাল না ।
প্রত্যাশা নেই । প্রত্যাশা আছে । অনেক প্রত্যাশা আছে।

প্রত্যাশা ১ঃ যাদের আসলেই এক্সপেরিমেন্টের জন্যে নেওয়া হলো বা যারা আসলে ব্রাজিলের ফিউচার (গ্যাবিগোল, মার্কুইনহোস, রদ্রিগো কাইয়ো, পিএসজির লুকাস), তাদেরকে খেলার সুযোগটা দেওয়া হোক। খেলার সুযোগ বলতে আমি ম্যাচ শেষ হবার ৪ মিনিট আগে সাব করাকে বুঝাই না। কমপক্ষে ২০-২৫ মিনিট প্লেয়িং টাইম পেলে প্লেয়ার ইম্প্রেশন ক্রিয়েট করতে পারেন । ৬ মিনিট বা ৭ মিনিটে আপনি প্লেয়ারের কাছ থেকে হাতিঘোড়া আশা করতে পারেন না । রাইজিং প্লেয়ারদের কাছ থেকে তো অবশ্যই না । এটা লাগান বা চাক দে ইন্ডিয়া ফিল্ম না । বাস্তবতা কঠোর । বাস্তবতা দুঙ্গার সিলেকশনের মত নির্মম ।

প্রত্যাশা ২ঃ যাদের নিয়ে ২০১৮ এর দিকে তাকানো যায় কিংবা ২০১৮ এর দিকে দৌঁড়ানো যায়, তাদেরকে নিয়ে একটু বেশি ভাবুন । যারা ২০১৮ এর দিকে তাকাতে গেলে বয়সের ভারে চোখের পাওয়ার কম থাকায় অতদূর দেখতে পায় না কিংবা ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের দিকে কম তাকান । ল্যাটিন আমেরিকায় পির্লো জন্মায় না। ৯৫% ল্যাটিন আমেরিকান এথলেট ৩০-৩২ এর পরে ডেলিভার করতে পারে না । এটা বুঝে নেওয়া দরকারি ।

প্রত্যাশা ৩ঃ ব্রাজিল মিডিয়ায় আসা গুজব সত্যি হোক । কোপা না জিতলে দলে পরিবর্তন আসুক । তবে আশাবাদী হতে পারি না সেভাবে । তিতে ব্রাজিলিয়ান লীগের ভেটেরান কোচ । ইউরোপের চেয়ে এই লীগটা তার একদম কাছ থেকে দেখা । এই লীগের প্লেয়ারদের প্রতি তার বিশ্বাস থাকার আশংকাটাকে উড়িয়ে দেওয়াটা বোকামির পর্যায়ের । হয়তো দুঙ্গার সিল্ভাকে বাদ দেওয়ার মত ব্লান্ডারকে Undo করবেন তিতে । কিন্তু অন্য জায়গায় আসতে পারে আরো বড় ব্লান্ডার ।

খেলা আগামীকাল সকাল আটটায় । এক্সপেরিমেন্টের টুর্নামেন্টে এক্সপেরিমেন্ট হোক । একই একাদশে আটকে না থাকুক প্রাণের ব্রাজিল।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

19 + seven =