উদ্ধার করলেন সেই রিয়াদই

জোবায়ের হোসেন :

রিয়াদ আরেকবার সেইভ করলো আমাদেরকে। অনেকের চক্ষুশূল রিয়াদ আমার অন্যতম প্রিয় বাংলাদেশী ক্রিকেটার সেই ২০০৯-২০১০ থেকেই। তার অনেকগুলি ইনিংস আমাদের ক্রিকেট হিস্টোরির ক্লাসিক ইনিংসগুলির মধ্যেই থাকবে।

একটা সময় রিয়াদের ৬টা ডেলিভারির ৩ টা খুব ভাল হত, ২টা অনায়াসে সিঙ্গেলে কনভার্ট করার মত হত, আর অন্তত একটি থাকতো যা যেকোন ব্যাটারই বাউন্ডারি মেরে দেবার মত হত। সময়ের আবর্তনে রিয়াদের এ সমস্যা কেটে উঠেছে অনেকখানি।
গত ওয়ার্ল্ডকাপে রিয়াদ খেলেছে বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যনের রোলে। প্রতিপক্ষ স্কটল্যন্ডেরমত সহজ হলেও ম্যাচটা ছিল অনেক কঠিন। ১ম রাউন্ড পেরুতে হলে জিততেই হত। কিন্তু ৩০০+ চেজ করার অভিজ্ঞতা আমাদের খুবই কম। সেদিন তামিমের সাথে জুটি গড়ে ম্যাচে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করার পেছনে টপ অর্ডার রিয়াদের ৬০+ ইনিংসটির ভুমিকা ছিল অনেক। ইংলিশ আর কিউইদের বিপক্ষে করা ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি তো একটি মহাকাব্য। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওডিয়াই সিড়িজে আমাদের কাম-ব্যাক ম্যাচেও ফিফটি করেছিলেন আন্ডারভ্যালুড অথচ অত্যন্ত ইউজফুল রিয়াদ। নিজেকে নিজেরর মাঝেই গুটিয়ে রাখতে অভ্যস্ত রিয়াদ আজকেও ম্যাচ সেরার পুরস্কার নিতে এসে বলেননি তেমন কিছু।
ওয়ার্ল্ড কাপে স্কটিশদের দিয়ে স্টার্ট করেছিলে। এবার নাহয় আরবদের দিয়ে শুরু হোক। সবশেষে, অলরাউন্ডার সাকিব আর ব্যাটসম্যান মুশির অফ-ফর্ম কিছুটা হলেও ডাইভারসিফাই করতে পারে অল-রাউন্ডার রোলে রিয়াদের আরেকবার জ্বলে ওঠা।
‪#‎কাম_অন_রিয়াদ‬
পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গর্জে ওঠো।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

20 − 10 =